অথই নূরুল আমিন:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের মত একজন মহৎ ব্যক্তিত্ব তৈরি হতে যুগের পর যুগ সাধনা করতে হয়। কখনও কখনও এরকম কালজয়ী মহা পুরুষের আগমন ঘটতে হাজার বছর দেরি হয়ে যায়। যার কথায়, আচরণে, ব্যক্তিত্বে মননে মানসিকতায়, মানবিকতায় মহত্ত্বের শিক্ষায়, উদারতা থেকে দূরদর্শিতায়, সহনশীলতায় ওনার সাবলীল বচনভঙ্গি এবং আচরণ কথা বলার ধরন সফটনেস বা কোমলতায় মানুষকে ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে তাঁর ব্যক্তিত্বের দ্বারা ! এ যেন প্রাচীনকালের রূপকথার গল্পকে ও হার মানিয়ে দিয়েছে। আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই।
কথা থাকে যে, একজন মানুষের এত অভূতপূর্ব গুণাবলী, বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বা নেতৃত্বে স্থানীয় কারো এরকম আদর্শ আছে এটা সত্যি বাংলাদেশের জন্য সৌভাগ্য ও চমকপ্রদ !
এই প্রজন্মের ছাত্র শিবির কর্মীরা অনেক সৌভাগ্যবান বিশেষ করে যারা ডা. শফিকুর রহমানের মত একজন অভিভাবক ও নেতা পেয়েছেন। উনার পরিচালনায় একটা সংগঠন বাংলাদেশে অন্তত আইডিওলজির সাথে দাঁড় করাতে পেরেছেন ! এটা যেন পাহাড় সমান কষ্ট আর ধৈর্য্যর প্রয়োজন।
২০১৮ সালের আমার ধারণা জামায়াতের সাথে ৮০ লাখ জনগণ ছিল, ডা. শফিকুর রহমানের একান্ত প্রচেষ্টা শ্রম ও মেধার প্রতিফলনে, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের কোণে কোণে দাঁড়িপাল্লা মার্কাটি পৌঁছে গেছে। এই দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার আর কেউ রুখতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। বর্তমানে এই দলের সর্মথক রয়েছে পাঁচ কোটির ও বেশি।
নারী-পুরুষ দলমত নির্বিশেষে দাঁড়িপাল্লা এবং জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সখ্যতা পেতে শুরু করেছে অনেক আগে থেকেই অলরেডি। মানুষের যে ভ্রান্ত ধারণা ফ্যাসিস্ট সরকার রাজাকার রাজাকার গেইম খেলার মাধ্যমে শুরু করেছিল ডা. শফিকুর রহমান খুব সুন্দরভাবে সেটা যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে সত্যতা দিয়ে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন দেশের সর্বস্তরের জনতা এবং দেশে বিদেশে সকল স্থানে। মারহাবা।
তার চাইতেও বেশি তিনি তাঁর সুন্দর আচরণ ও অব্যক্ত ভাষার মাধ্যমে প্রমাণ করতে পেরেছেন, তারা কি এবং তারা এই দেশের জন্য কি দিতে চান দেশকে ও দেশের মানুষকে! বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে অমানুষ শ্রেণীর যারা রাজনৈতিক অনৈতিকতায় এবং রাজনৈতিক দুর্নীতি চাঁদাবাজি গুম খুন অন্যায় অবিচার অনৈতিকতা এবং অনিশ্চয়তার সাথে এখনো জড়িত, আশা করি জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে এগুলো খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে উপর আল্লাহ সহায় হলে এবং বাংলাদেশের জনগণ ভোট দিয়ে সহায়তা করলে খুব সহজেই এরা এই অবস্থান থেকে উত্তরণ করতে সক্ষম হবেন ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি মিলবে , দাঁড়িপাল্লার বিজয় মানে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় ও দাসত্বের মুক্তি। স্বাধীন দেশে সার্বভৌমত্বের স্বাদ আস্বাদন করতে পারবে বাংলাদেশের মানুষ, এই বিশ্বাস দেশের মানুষ আজকে ডা. শফিকুর রহমানের অদম্য মেধা এবং আন্তরিক আচরণের কারণে জামায়াত কে পছন্দ করতে শুরু করেছেন। অতিতের অন্যান্য গুষ্ঠির বানানো কথা গুলো আজকে আর কেউ মানছেন না।
আমি ও বলি জেগে উঠুন, জেগে উঠুন জনগণ আর ঘুমাইয়েন না ঘুরে দাঁড়ান। আমাদের বিজয় আমাদের সত্যতা একনিষ্ঠতা কঠোর পরিশ্রমের সাথে জামায়াত কে বিজয়ী আমাদের হতেই হবে।
যদি বাংলাদেশী এই জাতিকে বাঁচাতে চান , যারা নির্ভয় কথা বলতে পারে না শাসকের অত্যাচারে, শোষকের শ্বাসরোধ করে ধরার ভয়ে, সবাই ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দিয়ে দিন, আপনার অধিকার বুঝে নিন!
এদেশে এ মাটি এ জন্মভূমি আপনার, সুরক্ষার দায়িত্ব আপনার শক্তিশালী করার দায়িত্ব আপনার । অন্যায়কে অত্যাচারীকে শোষক কে বিদায় জানানোর সময় এখন ব্যালোটের মাধ্যমে, হোক সে প্রশাসনের দায়িত্বরত কেউ অথবা হোক সে অন্য কোন দলের নেতা কর্মী যে কেউ, অন্যায়কারীর পরিচয় একটাই , অন্যায় কারীর কোন ক্ষমা- বা কোথাও স্থান নেই বাংলার জমিনে, ব্যালটের মাধ্যমে বিদায় জানাতে হবে, অন্যায়কারীদের শোষকদেরকে,। আগামী পাঁচ বছর দেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগণ তথা বিশ্ববাসী দেখুক এবং জানুক একমাত্র দেশপ্রেমিক দল ছিল জামায়াতে ইসলামী। ১২ তারিখ সারাদিন দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন। এগারো দলীয় জোটে ভোট দিন। দাঁড়িপাল্লার বিজয় হউক! এগারো দলীয় জোটের বিজয় হোক।
অথই নূরুল আমিন
কবি প্রভাবশালী কলামিস্ট ও রাষ্ট্রচিন্তক
১০. ফেব্রুয়ারি ২০২৬