সিলেট নিউজ ডেস্ক :
নিরস্র ছাত্র-জনতার উপর ফ্যাসিস্ট বাহিনী সাথে নিয়ে যেসব পুলিশ নামধারী ক্যাডার হামলা করেছিলো, তাদের বিচারের জন্য কি কাউকে কথা বলতে দেখেছেন?
তুষার, স্নিগ্ধা, মোস্তফা ফিরোজ, মাসুদ কামালসহ ফ্যাসিস্ট এনাবলারেরা দেড় হাজার হত্যা ও ২৫ হাজারের উপরে আহত মানুষের বিচার না চেয়ে খুনীদের পক্ষে দাঁড়িয়ে ডিসকোর্স তৈরি করছে, নতুন নতুন গাজাখুরী গল্প নিয়ে হাজির হচ্ছে। ফ্যাসিস্ট লীগকে ফেরাতে তাদের মায়াকান্নার অন্ত নাই।
কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর জুলাই গণহত্যার বিচার নিয়ে কথা বলতে কাউকে দেখেছেন। টিভির পর্দায় সবার কথার সারকথা একটাই আওয়ামী লীগ ফেরাতে হবে, পুলিশ হত্যার বিচার করতে হবে। যেসব পুলিশ নামধারী আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সাথে মিলে গণহত্যা চালালো সে বিষয়ে তাদের কোন কথা নেই।
চাইনিজ রাইফেল, ৭.৬২ বুলেট নিয়েও কম জল ঘোলা হলো না। সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন এই বিতর্ক উষ্কে দিয়ে আওয়ামীদের গলার জোর বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। যদিও তিনি পরবর্তীতে বক্তব্য ষ্পষ্ট করে বলেছেন, তার মতে পুলিশের পাশাপাশি অনেক সিভিল ড্রেসে ৭.৬২ বুলেট ক্যারি করার মতো চাইনিজ রাইফেল নিয়ে ছাত্র-জনতার উপর হামলা চালিয়েছে। এদের মধ্যে অনেকের চেহারা আবার আমাদের চেয়ে ভিন্ন। তার মানে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সাথে ভারতীয় বাহিনীও জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার হামলা চালিয়েছে।
৪ আগষ্ট ২০২৪ এ কারওয়ান বাজার পার্ক মোড়ের পুলিশ ও ফ্যাসিস্ট বাহিনীর এই হামলার ভিডিওটি ভালোভাবে খেয়াল করেন। সশস্র পুলিশের পাশে চাইনিজ রাইফেলধারী সিলিয়ান পুরো গ্রুপ নিয়ে ছাত্র-জনতার উপর হামলা করে। এ ধরনের চাইনিজ রাইফেলই ৭.৬২ বুলেট ক্যারি করে।
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ। বাংলাদেশের আপামর মানুষের প্রত্যাশা সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জুলাই গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার পথ সুগম করবে।