শিরোনাম
জালালাবাদ এসোসিয়েশন ঢাকা’র উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত ​কুমিল্লার তিতাসে কথিত পীরের বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ ও সমাবেশ ​মৌলভীবাজারে সোনার বাংলা আদর্শ ক্লাবের ৮ম মেধা যাচাই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ: গ্রাহকের বয়স কমিয়ে ভুয়া আইডি কার্ডে ডিপিএস খোলার পাঁয়তারা কনস্টেবল থেকে এএসআই হওয়ার পথে সাজু আহমদের সাফল্যে, গর্বিত জৈন্তাপুর বিএনপির আমলেও যদি ছাত্র – ছাত্রীরা, সুশৃঙ্খল শিক্ষা পদ্ধতি না পায়, এটা হবে জাতির জন্য হতাশা! মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ, প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রহস্যময় দুর্নীতি এবং শিক্ষা ব‍্যবসা বন্ধ করুন মিরসরাইয় উপজেলা শাখার আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের ২০২৬-২০২৭ সালের প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা ভারত থেকে ‘ন্যাশনাল সেভা প্রেরণা অ্যান্ড সোশ্যাল সার্ভিস অ্যাপ্রিশিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কবি ও সাহিত্যিক মুকলেছ উদ্দিন কৃষি জমিতে অনুমতি ব্যতীত মাটি কাটার দায়ে গভীর রাতে অভিযান এসিল্যান্ড চুনারুঘাট
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ঐতিহ্য হারাচ্ছে জগন্নাথপুরের বাঁশ শিল্প: কালবৈশাখীতেও মিলছে না ক্রেতা, বিক্রি নেমেছে তলানিতে

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ১২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

Manual8 Ad Code

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

Manual6 Ad Code

ঋতু পরিবর্তনের নিয়মে দরজায় কড়া নাড়ছে কালবৈশাখী। একসময় এই মৌসুমটি এলেই সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় বাঁশ বিক্রির ধুম পড়ে যেত। ঝড়-তুফানে ঘরবাড়ি মেরামত কিংবা নতুন ঘর চালার প্রস্তুতিতে বাঁশ কিনতে হাটে-বাজারে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন লেগে থাকত। দিনশেষে শতাধিক বাঁশ বিক্রি করে মুখে হাসি নিয়ে বাড়ি ফিরতেন বিক্রেতারা। তবে কালের বিবর্তনে সেই সোনালী দিন এখন কেবলই স্মৃতি। বর্তমানে চৈত্র-বৈশাখ মাসেও দেখা নেই কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার; সারাদিন অপেক্ষা করেও ১৫-২০টির বেশি বাঁশ বিক্রি করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।
​আধুনিকতার ছোঁয়ায় কমছে বাঁশের চাহিদা
​স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রবীণদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রযুক্তির উন্নয়ন আর আধুনিক নির্মাণ সামগ্রীর সহজলভ্যতাই এই ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায় ভাটা পড়ার মূল কারণ। একসময় গ্রামীণ জনপদে ঘরবাড়ি, বেড়া, চাল কিংবা মাচা তৈরির প্রধান অনুষঙ্গ ছিল বাঁশ। কিন্তু এখন গ্রামেও বাঁশের জায়গা দখল করে নিয়েছে লোহার অ্যাঙ্গেল, প্লাস্টিকের পাইপ, আর টেকসই টিন, পাকা পিলার। ফলে কালবৈশাখীর মরসুমেও বাঁশের বাজারে আগের সেই চিরচেনা জৌলুস আর নেই।
​বিপাকে ব্যবসায়ী ও কারিগররা
​উপজেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে, সারি সারি বাঁশ সাজিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা, কিন্তু ক্রেতার সমাগম একেবারেই সীমিত। কয়েকজন খুচরা ও পাইকারি বাঁশ বিক্রেতা জগন্নাথপুর গ্রামের আনকার মিয়া জানান, বার্শে চাহিদা কম হলেও, দাম একটু বেশি। থাকায় মানুষ কিনতে পারে না। একটা বাশের দাম ৩০০/৪০০ টাকা, আবার একটা পাকা পিলার ৫০০/৬০০ টাকা, পাকা পিলালে দিন যাবে এগুলো নিচ্চে।
​”আগে বৈশাখ মাস আসার আগে থেকেই মানুষ এসে অগ্রিম টাকা দিয়ে বাঁশ বুকিং করে রাখত। দিনে ১০০-১৫০ বাঁশ বিক্রি করা কোনো ব্যাপারই ছিল না। আর এখন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসে থেকে মাত্র ১৫ থেকে ২০টি বাঁশ বিক্রি করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। লাভ তো দূরের কথা, হাটের খাজনা আর পরিবহন খরচ তোলাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
​ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার লড়াই
​শুধু আবাসন খাতেই নয়, বাঁশ দিয়ে তৈরি কুটির শিল্পও এখন বিলুপ্তির পথে। প্লাস্টিক পণ্যের সস্তা ও সহজলভ্যতার কারণে বাঁশের তৈরি ঝুড়ি, কুলা, ডালা কিংবা চাটাইয়ের চাহিদাও কমে গেছে। ফলে এই পেশার সাথে জড়িত উপজেলার বহু পরিবার এখন জীবিকার তাগিদে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন।
​স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশবান্ধব এই লোকশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বাঁশ চাষিদের প্রণোদনা দেওয়া এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। তা না হলে দ্রুতই জগন্নাথপুরের ঐতিহ্যবাহী এই বাঁশ শিল্প পুরোপুরি হারিয়ে যাবে ইতিহাসের পাতায়।বাশ ব্যবসায়ী মাসুদ মিয়া বলেন, আগের মতো বাসে চাহিদা নেই, বড় কষ্টে আছি, পাকার পিলার বের হয়ে বাশের চাহিদা কমে গেছে।।

Manual5 Ad Code

​

Manual6 Ad Code

​


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code