জগন্নাথপুর ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় জগন্নাথপুর হাসপাতালে বদলিকৃত পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুবর্ণা রায় তুলি নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনো কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এতে করে প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষের সেবা পেতে ব্যাঘাত ঘটছে। আজ ২৫ আগষ্ট সকাল ১১ টায় জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিস কক্ষ খালি ,। অফিসে লোক বলেন স্যার এখনও যোগাযোগ দান করেননি।
সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সিলেট বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে ডাঃ সুবর্ণা রায় তুলিকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। নির্দেশনায় ওই দিনই (১৮ আগস্ট) তাকে নতুন কর্মস্থলে জগন্নাথপুর উপজেলায় যোগদানের কথা বলা হয়েছিল। তবে আদেশ জারি হওয়ার এতদিন পরেও তিনি জগন্নাথপুরে এসে যোগাযোগ বা দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।অভিযোগ রয়েছে, সিলেট সদর হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালনে অবহেলা, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নানা অনিয়মের কারণেই তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছিল। অফিস সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জ জেলার কাপাসি উপজেলার। বাসিন্দা সিলেট জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপ-পরিচালক নিয়াজুল রহমান ডাঃ সুর্বনা রায় তুলি সাথে সিলেট যোগাযোগ করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেন, পরে প্রথম স্ত্রী কাছে ধরা খেলে, তুলি কে বিয়ে না করতে রাজি ছিলেন না, পরে সুর্বর্ণা রায় তুলি অধিদপ্তরে লিখিত করলে চাকরির ভয়ে ২য় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন ডাঃ সুবর্ণা রায় তুলি কে। তাদের ঘরে একটি ২ বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। আবার দুজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও উপ-পরিচালকের প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি প্রশাসনিক নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে আসছিলেন বলে দপ্তর সূত্রে জানা যায়। তদন্ত পর গত ১৬ আগষ্ট ২০২৬ তারিখে মোসা মাহফুজা খানম পরিচালক ( প্রসাশন)স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। বিভাগীয় আদেশের পর আজ ২৫ আগষ্ট জগন্নাথপুর হাসপাতালে পরিবার পরিকল্পনা অফিসে যোগদান করেননি। এতদিন পার হয়ে গেলেও কর্মকর্তার এমন দায়িত্বহীন আচরণে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. জিনাত রেহানা বলেন, উপ-পরিচালক মো. নিয়াজুর রহমান ও সুবর্ণা রায় তুলির বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় বদলীর আদেশ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ সহ্য করবে না সরকার।
সিলেট সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল মনসুর আসজাদ বলেন বদলীর আদেশ বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে করা হয়েছ।১৮ আগষ্ট।
সুনামগঞ্জ জেলা উপ পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা বলেন, আদেশ ইমেইলে পেয়েছি, ডাঃ সুর্বনা রায় তুলি আমার অফিসে যোগাযোগ করেন নি।
অভিযুক্ত ডাঃ সুর্বনা রায় তুলি সাথে মোঠফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন, ধরেনি।
এব্যপারে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অতিরিক্ত দাঃ ডাঃ শহিদুল ইসলাম বলেন অর্ডার হয়েছে শুনেছি, এখন পর্যন্ত যোগদান করেননি।।