নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
নিরাপত্তাহীনতায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কর্মজীবন, বিদ্যালয়ে এসে দিতে পারছেন না হাজিরা। ভয় ও আতঙ্কে পাওয়ার গ্রিডের গেটের সামনেই আনসারের কাছে হাজিরা দিয়ে নিয়মিত বাসায় ফিরে যান; অভিযোগ ঈশ্বরদীর জয়নগর পাওয়ার গ্রিড উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা: নিলুফার ইয়াসমিনের। এমন অবস্থায় পাওয়ার গ্রিড হাইস্কুলের ঘটমান বিষয়ের প্রতিকার চেয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান তিনি।
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদকর্মীদের কাছে নিজের অভিযোগ তুলে ধরেন এই শিক্ষিকা। এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, একজন শিক্ষক হয়েও নিজের বৈধ সম্পত্তি নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তিনি। কর্ম ও কর্মস্থলের নিরাপত্তা তো একদমই নেই।
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের নিলুফা ইয়াসমিন অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময় থেকেই স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের হুমকির কারণে নিজের নামে নিবন্ধিত ও খারিজ হওয়া জমি সরেজমিনে মেপে দখল বুঝে নিতে পারেননি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার রামচন্দ্রপুর এবং বাঘা উপজেলার আড়ানী মাস্টারপাড়া এলাকায় তার জমি রয়েছে। জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র থাকার পরও নিরাপত্তার অভাবে সেখানে গিয়ে জমি মাপা ও দখল বুঝে নেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারছেন না তিনি, হাজিরা দিয়েই চলে আসতে হচ্ছে।
স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের হুমকির অভিযোগ তুলে নিরাপত্তা ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। এসময় সাংবাদিকদের তিনি অভিযোগ করেন ‘আমি একজন নারী ও শিক্ষক। রাষ্ট্রের কাছে আমার আবেদন—সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক নিরাপত্তায় আমার চারঘাট ও বাঘা উপজেলার জমি সঠিকভাবে মেপে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক ‘ আমি রাষ্ট্রের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি’।
একই সাথে নিলুফার ইয়াসমিন নিজের জমির সীমানা নির্ধারণ, মেপে দখল বুঝে নেওয়া এবং নিরাপদে চলাফেরার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা ও একই সঙ্গে কর্মস্থলে নিরাপদ পরিবেশে দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।