অথই নূরুল আমিন:
বেশকিছুদিন ধরে মেঘনা আলমকে দেখছি তিনি রাজনীতি অঙ্গনে খুবই সক্রিয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে টকশোতে নিয়মিত যাচ্ছেন। কথা বলছেন। মেঘনা আলম আমার অনেক জুনিয়র হবেন। যেটা বাস্তব কথা। কিন্তু মেঘনা আলমের প্রায় সবগুলো বক্তব্যে যেন গভীর অর্থ রয়েছে। সম্পূর্ণ সত্যি কথা গুলো মেঘনা আলম বিভিন্ন অনুষ্ঠানে টকশোতে কোনরকম স্ক্রিপ্ট ছাড়াই দ্রুত বলে যাচ্ছেন। জানি না কে কি রকমভাবে এই কথা গুলো নিচ্ছেন। তবে মেঘনা আলমের বক্তব্য বা টকশোতে প্রশ্নের উত্তর গুলো আমার কাছে পছন্দ হয়েছে।
মেঘনা আলম সেদিন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মিষ্টির শূন্য হওয়া আসনের ফরম সংগ্রহ করেছেন। ঐ দিন বিএনপির পার্টি অফিস থেকে ৭০ জন নারী ফরম তুলেছেন। এখানে যে কেউ একজন নির্বাচিত হবেন। এখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি বা নির্বাচন পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে। আগামীকাল হয়তো ফরম সংগ্রহ কারীদের নিয়ে সাক্ষাৎকার নেয়া হতে পারে।
মোট কথা বেশকিছু ধাপ পার হতে হয়। একজন জনপ্রতিনিধির ক্ষেত্রে। এটা অগ্নিসম কঠিন পরীক্ষা। এখানে একজন প্রার্থীর অনেকগুলো যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়। রাজনৈতিক বয়স, আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথের হিসাব দিতে হয়। মামলা মকদ্দমা জেল জুলুম নির্যাতনসহ অসংখ্য প্রমাণ দাখিল করতে হয় নতুবা মুখে মুখে পেশ করতে হয়।
তবে আমি মনে করি, মেঘনা আলম একজন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর এবং রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট মেধার অধিকারী, মেঘনা আলমের মতো প্রতিভাবান একজন নেত্রী পার্লামেন্টে থাকা বিএনপির জন্য লাভজনক হতে পারে। তাই বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির নির্বাচন পর্ষদ কমিটির দায়িত্বশীলদের সবিনয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মেঘলা আলমের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য।
আমি মনে করি নারী জাগরণে নারীদের অধিকার বাস্তবায়নে সংসদে অবহেলিত নারী সমাজের পক্ষে কথা বলার একজন মুখপাত্র হতে পারেন মেঘনা আলম। সেদিন পার্টি অফিস থেকে অনেকেই শূন্য নারী আসনের ফরম তুলেছেন। এখানে কিন্তু সবাই যারযার মতো করে যোগ্য রয়েছেন। তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে মেঘনা আলম এখানে অন্যরকম জ্ঞান ধ্যান রাজনীতি চর্চা এবং গুছিয়ে কথা বলার মতো একজন সাহসী রাজনৈতিক নেত্রী। তবে এখানে দলীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে। তারপরও মেঘনা আলম আরো সামনে এগিয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশা।
অথই নূরুল আমিন
মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং।