শিরোনাম
বিএনপির আমলেও যদি ছাত্র – ছাত্রীরা, সুশৃঙ্খল শিক্ষা পদ্ধতি না পায়, এটা হবে জাতির জন্য হতাশা! মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ, প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রহস্যময় দুর্নীতি এবং শিক্ষা ব‍্যবসা বন্ধ করুন মিরসরাইয় উপজেলা শাখার আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের ২০২৬-২০২৭ সালের প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা ভারত থেকে ‘ন্যাশনাল সেভা প্রেরণা অ্যান্ড সোশ্যাল সার্ভিস অ্যাপ্রিশিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কবি ও সাহিত্যিক মুকলেছ উদ্দিন কৃষি জমিতে অনুমতি ব্যতীত মাটি কাটার দায়ে গভীর রাতে অভিযান এসিল্যান্ড চুনারুঘাট বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুধরচকীর পরামর্শ দ্য অপটিমিষ্ট-এর ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান তাড়াইলে বড় পর্দায় সম্প্রচারিত হলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান জগন্নাথপুর উপজেলায় রাধারমণ দত্তের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইউএনও’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গোরারাই প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক এর বিদায়ী সংর্ধনা
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ, প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রহস্যময় দুর্নীতি এবং শিক্ষা ব‍্যবসা বন্ধ করুন

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

Manual3 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

Manual6 Ad Code

যুগ যুগ ধরে একই পদ্ধতিতে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা অর্থাৎ প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত, এখানে যেমন চলছে রহস্যময় দুর্নীতি, তেমনি চলছে শিক্ষা নিয়ে ব‍্যবসা । শত সহস্র অভিভাবকেরা নিঃশ্ব হয়ে যাচ্ছে সন্তানের শিক্ষা খরচ মিটিতে গিয়ে।বাংলাদেশের সরকার বদল হলেও অশুভ ইঙ্গিতে এই শিক্ষাব্যবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি আজও। দেশে যদি শিক্ষা খাতের দুর্নীতি বন্ধ করা না যায়। শিক্ষা ব‍্যবসা বন্ধ করা না যায়। এগুলো আসলে সরকারের ব‍্যর্থতা হিসেবেই একদিন আগামী প্রজন্ম মনে করবে।

এই মর্মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, যতদিন পর্যন্ত শিক্ষা নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু মহলের শিক্ষা খাতের ব‍্যবসা বন্ধ করা না যাবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের রহস্যময় দুর্নীতি বন্ধ করা না যাবে,ততদিন পর্যন্ত ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া শিখলেও আদর্শবান মানুষ হতে পারবে না। দেশপ্রেমিক নাগরিক গঠন করার উপায় বের করা যাবে না।

Manual1 Ad Code

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক শিক্ষা খাতে যদি এক লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু ওখান থেকে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কি করা হয়? দেশের প্রায় ৭০% প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাই বতর্মানে কিন্ডারগার্টেন, ইংলিশ ম‍েডিয়াম, মাদ্রাসা ও অন‍্যান‍্য শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষা অর্জন করছে, অভিভাবকদের খরচে। সেই খরচ কিন্তু সামান্য খরচ নয়। তাহলে মাত্র দেশের তিরিশ শতাংশ ছাত্র ছাত্রীদের জন‍্য যদি এতো বড় বাজেট ব‍্যয় করা হয়। তাহলে এখানে সরকারের সুনামই বা কি আর জাতিরই বা লাভ কি?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশ গঠন করতে হলে আগে দরকার সুশিক্ষিত নাগরিক। আর সেই সুশিক্ষিত নাগরিক যেখান থেকে বের হবে বা পাওয়া যাবে। সেই শিক্ষা খাতে যদি ভরা থাকে নোংরামি। তাহলে সুশিক্ষিত নাগরিক পাওয়া দুস্কর।

দেখা যায় কিন্ডারগার্টেন স্কুল, ইংলিশ মেডিয়াম স্কুল, মাদ্রাসা বা অন‍্যান‍্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে তাদের নিজস্ব বই থাকে অসংখ্য। অথচ সেখানেও সরকার কর্তৃক বিনামুল্যের বইও তারা উত্তোলন করেন সেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের জন্য । প্রশ্ন থাকে একটা শিক্ষার্থী কয়টা বই পড়তে পারে বলুন? সরাসরি সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয় বা হাই স্কুল বা উচ্চ বিদ‍্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিনামুল্যের সরকারি বই পড়ে যদি শিক্ষা অর্জন করতে পারে। তাহলে অন‍্য স্কুল গুলোতে কেন তাদের নিজস্ব বই শিক্ষার্থীদের পড়তে বাধ‍্য করা হয়? মাদ্রাসায় যদি আরবি পড়ানো হয়। সেখানেও কেন তাহলে সরকারি বিনামুল্যের বই পৌঁছে দেয়া হয়?

Manual3 Ad Code

এমপিও ভূক্ত স্কুল গুলোতেও চড়া মূল্যের বেতন দিতে হয় মাসিক। এছাড়া আনুষ্ঠানিক খরচও রয়েছে সীমাহীন। বিশেষ করে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে জুয়া খেলার মতো বহু রঙ্গের দুর্নীতি এবং সীমাহীন ব‍্যবসা। যার ফলে শিক্ষা খাতের আজকে বেহাল দশা। আমি মনে করি এক হলে সকল শিক্ষার ভার সরকার বহন করুক। নতুবা শিক্ষা খাত সরাসরি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হোক। সরকারের ভর্তুকি ও থাকে এক লাখ কোটি টাকার বেশি। আবার অভিভাবকদের কাছ থেকেও খরচ হবে লাখ লাখ টাকা। যার ফলে শিক্ষা থেকে শিক্ষার্থীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সরকারের এতো বিনিয়োগ – অভিভাবকদের কাছেও সেই খবর নেই। সরকার কোথায় খরচ করে এতো মোটা অংকের বাজেট? বাংলাদেশের শিক্ষা খাত যেন সম্পূর্ণ জুয়া খেলা চলছে। যেখানে খোলোয়ারেরাই বারবার হেরে যায়।

আমার মতে দেশের সকল শিক্ষার্থী বিনামুল্যে লেখাপড়া করবে। গ্রামে বা শহরে সব জায়গায় এবং সকল স্কুলে। এখানে সরকারি স্কুল এমপিও ভুক্ত স্কুল কিন্ডারগার্টেন ইংলিশ মেডিয়াম যাই থাকুক। সব শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে লেখাপড়া করবে। আনুষ্ঠানিক বা প্রয়োজনীয় বই খাতা কলম কাগজ শুধু কিনবে শিক্ষার্থীরা। সরকার বহন করবে শিক্ষক বেতনসহ অন‍্যান‍্য খরচ। এখানে যেমন কমে আসবে শিক্ষা ব‍্যবসা, থাকবে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের রহস্যময় দুর্নীতি। নতুন শিক্ষা আইনে শিক্ষক – শিক্ষিকা নিয়োগ পাবে প্রায় দশ লাখের বেশি। দশ লাখের বেশি শিক্ষক শিক্ষিকার হবে স্বপ্ন পূরণ। সরকারের আসবে শতভাগ সাফল্য। দেশে বিদেশে হবে আপনার ও আপনার সরকারের জোরালো প্রশংসা। এরকম পদ্ধতি কপিরাইট আইনে দায়বদ্ধ থাকলে । অসংখ্য দেশে বিক্রি হবে শিক্ষা পদ্ধতি বা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা পদ্ধতি। জাতিসংঘ এবং ইউনিসেফ হবে আরো সক্রিয়। শিক্ষা বিস্তার ও প্রসারিত হওয়ার কারণে ঘোষিত হতে পারে ইউনেস্কোর পুরস্কার। আসতে পারে নোবেল প্রাইজও। অকারণে লাখো কোটি টাকার বেশি বছরে খরচ করা এ যেন সাগরে দুধ ঢেলে পানি সাদা করার বৃথা চেষ্টা করা। অথচ দেশের জনগণের কাজ থেকে নেই কোনো প্রশংসা। এখানে বিদেশীরা প্রশংসা করবে কিভাবে?

Manual5 Ad Code

অথই নূরুল আমিন
মোহাম্মদপুর, ঢাকা থেকে লেখা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code