শিরোনাম
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য ও হাম প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ দাবি জনতার দলের ​বানারীপাড়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ক সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিশু রামিসা হত্যা: নৃশংস ঘটনায় দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সাহেরা হোসেন এর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বানারীপাড়ায় দায়সারা ‘ভূমি সপ্তাহ’: সাড়ে এগারো পর্যন্ত এসিল্যান্ড অনুপস্থিত, সেবাগ্রহীতাদের বদলে স্কুল শিক্ষার্থী দিয়ে অনুষ্ঠান পার! কারিনা কায়সারের মৃত্যু: মানবতার আয়নায় এক নির্মম বাস্তবতা কবিতা: বিশ্ব মুসলিম নির্যাতন কবে হবে নিরসন শিশুকে জোর করে মোটা-তাজা করার নামে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে এক মাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে গৃহবধূ রিনা আক্তারের বালুচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা পিবিআই মাত্র ১৯ বছর বয়সে একজন কিশোরীর বই-খাতা আর স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে বয়সেই ভালোবাসার টানে গড়েছিলেন সংসার
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ছাতকের ঈদের বাজারে করোনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না ক্রেতা বিক্রেতা

Coder Boss / ৮১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

Manual4 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
করোনা সারাবিশ্বে মহামারি রূপ নিয়েছে। সরকার স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বার বার তাগিদ দিচ্ছে। কিন্তু ছাতক বাজার দেখলে মনে হবে তারা স্বাস্থ্যবিধির পক্ষে না। অবাধে চলাফেরা করছেন। মুখে মাস্ক নেই, হাতে নেই গ্লাভস। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে নেই শারিরীক দূরত্ব। একে অন্যের সাথে ঘেঁষাঘেষি করে কেনাকাটা করছেন। ১০ মে থেকে দোকান-পাট খোলার একটি সরকারী নির্দেশনা জারি হয়েছিল। তাও আবার সীমিত আকারে। কিন্তু এখানে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। ৮ মে থেকেই সকল দোকান-পাট খুলে গেছে। দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। কাজেই করোনা এখানে মহামারি রূপ নিতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকেই। বিশেষ করে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে কাপড়সহ বিভিন্ন দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতারা মনে করছেন মরলে মরে যাবো ঈদের কেনা-কাটা করেই ছাড়ব। হয়তো এই প্রত্যাশা নিয়েই মাঠে নেমেছেন সবাই। গ্রাম থেকে মেয়েরাও শহরে আসছেন ঈদের বাজার করতে। দিনে দিনে বেড়েই চলছে বাজারে লোক সমাগম। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পেপারমিল বাজার, নোয়ারাই, গবিন্দগঞ্জ, দোলারবাজার, জাউয়া বাজারসহ সব বাজারের চিত্র একই রকমের। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে মাইকিং করা হয়েছে দোকান-পাট নির্দিষ্ট সময়ে খোলা ও বন্ধ করা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দোকানে ক্রয়-বিক্রয় করা। সরকারি নির্দেশনায় রয়েছে কোনো দোকানে ৫ জনের বেশি ভিড় করতে পারবেনা, বাধ্যতামূলক মাস্ক থাকতে হবে, প্রবেশমুখে জীবানুনাশক স্প্রে ছিটানোর ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়। কিন্তু কে কার কথা শুনে। এখানের দোকানদারা তা মানছেন না। সামাজিক সচেতনতার জন্য প্রতিদিন উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যবিভাগ, পুলিশ প্রসাশন, সামাজিক সংগঠন ও ব্যাক্তি উদ্যোগে ব্যাপক প্রচারনা করা হয়। দেখা যাচ্ছে এসব প্রচারনা যেনো কারো কানে পৌছায়নি। ঘরে থাকা মানুষের জন্য সরকারি-বেসরকারি ত্রান ঘরে ঘরে পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরপরও মানুষ ঘরে থাকতে চাচ্ছেনা। ফলে ঝুঁকির মুখে এখন শহরবাসী। এ ব্যাপারে সচেতন মহলের দাবী বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারী আবশ্যক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code