শিরোনাম
দেশটা সুন্দর করতে বতর্মান সরকারকে যথেষ্ট সময় দিতে হবে, অতীত সরকার গুলোর বেহাল দশা ছিলো কবিতার নাম : দেশপ্রেমিক উৎসর্গ : মোঃ তারেক রহমান, আমজনতার দল সিলেটে ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন-২০২৬ আপনি কি জানেন কিভাবে আপনি ভালো হবেন! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী অকার্যকর ও হাস‍্যকর মজুরি বোর্ড , মালিকেরা লাভবান না হতে পারলে বেতন বাড়াবে কি করে? তিতাসে হত্যার মূল আসামিদের গ্রেফতারের দাবি, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের আহাজারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশন লালমনিরহাট জেলা আহ্বায়ক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বিএনপি অফিসের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের নামে ল্যাপটপ চুরি চার্জ পুলিশের চার্জশিট নেই অন্যের পরিচয়ে ডিজিটাল প্রতারণা: প্রযুক্তির আড়ালে অপরাধ, নীরব শিকার সমাজ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

খুলনায় ক্রেতাদের নজর কাড়ছে তরমুজের জিলাপি

Coder Boss / ২৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২

Manual8 Ad Code

বিএস বিদ্যুৎ,ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ

Manual8 Ad Code

তরমুজের গুড় তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন খুলনার ডুমুরিয়ার কৃষক মৃত্যুঞ্জয়। এবার ইফতারিতে ভিন্নতা আনতে খুলনায় তৈরি হচ্ছে তরমুজের জিলাপি। মহানগরীর খালিশপুরে বিআইডিসি সড়কে চিত্রালি সিনেমা হলের সামনে ইসলামিয়া মিষ্টি ঘরে তৈরি করা হচ্ছে নতুন স্বাদের এ তরমুজের জিলাপি। এখানে শুধু তরমুজের জিলাপিই নয়, মিলছে কাঁচা আমের জিলাপি, শাহী জিলাপি ও রেশমি জিলাপি। সাধারণ জিলাপিতো আছেই। তবে ক্রেতাদের নজর কাড়ছে বাহারি রং আর নতুন স্বাদের তরমুজ ও কাঁচা আমের জিলাপি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইসলামিয়া মিষ্টি ঘরকে ঘিরে মানুষের জটলা। সেখানে নানা ধরনের ইফতারির পসরা সাজানো। ক্রেতারা তাদের পছন্দের মিষ্টান্ন কিনছেন। যারা মিষ্টি জাতীয় খাবার পছন্দ করেন তারা ইফতারির জন্য জিলাপি কিনছেন। যার মধ্যে বেশি কিনছেন তরমুজ ও কাঁচা আমের জিলাপি।

Manual3 Ad Code

ইসলামিয়া মিষ্টি ঘরের মালিকের বড় ছেলে আবদুস সোবহান রিপন বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি আমার বাবার। বাবার সহযোগী হিসেবে আমি ও আমার ছোট ভাই আছি। মিষ্টির ব্যবসা আমাদের অনেক পুরাতন। সেই সঙ্গে জিলাপির ব্যবসাও অনেক দিন থেকে আছে। খুলনার মধ্যে আমাদের জিলাপির সুনাম রয়েছে। আগে সাধারণ জিলাপি, শাহী জিলাপি ও রেশমী জিলাপি তৈরি করতাম। এটা দীর্ঘদিন থেকে চলে আসছে। এবার চিন্তা করলাম নতুন কী করা যায়? নতুন একটা আইটেম করা যায় কিনা? সেই থেকে তরমুজের একটা আইটেম আমার মাথায় আসলো।

তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে তরমুজের ব্যাপক চাষাবাদ হয়। দাকোপ, বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া, যশোর, নড়াইল এই অঞ্চলে প্রচুর তরমুজ হয়। তাই তরমুজ দিয়ে কিছু একটা করা যায় কিনা-এই চিন্তা থেকে ৪/৫ দিন আগে মাথায় আসলো তরমুজ দিয়ে আমি নতুন একটা আইটেম করতে পারি। সেই চিন্তা থেকে তরমুজের আইটেম শুরু করি আমরা। পরবর্তীতে আমরা এর সঙ্গে কাঁচা আমের আইটেমটা যোগ করি। দুইটা আইটেম বেশ সাড়া ফেলেছে। ক্রেতারা এসব খেয়েও খুব সন্তুষ্ট। যে নিচ্ছে সে বার বার নিতে আসছে। প্রতি কেজি ২৫০ টাকা দরে বিক্রি করছি। প্রতি পিস সাইজের ওপর দাম কমবেশি আছে।
আবদুস সোবহান রিপন বলেন, মানুষ এটা সাদরে গ্রহণ করছে। যে কোনো অনুষ্ঠানে মানুষ এটা নিতে পারবে। যে কোনো পরিমাণ জিলাপি নিতে পারবে। এক কেজি, আধা কেজি, ২৫০ গ্রাম যে কোনো পরিমাণ।

Manual5 Ad Code

দোকানের কর্মচারী আবীর হোসেন বলেন, বাজার থেকে ফ্রেশ তরমুজ কেনা হয়। তরমুজের লাল অংশটুকু কেটে ব্লেন্ডারে মিহি করি। সাধারণ জিলাপির মিশ্রণে পানি দেওয়া হয়। কিন্তু তরমুজের জিলাপির মিশ্রণে শুধু তরমুজের রসই দেওয়া হয়ে থাকে। সাইড ইফেক্ট করবে এমন কিছু ব্যবহার করা হয় না। কোনো কালার ব্যবহার করা হয় না। তরমুজ কেটে বিচি ও খোসা আলাদা করে তা ব্লেন্ডারে মিহি করে ময়দা ও বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে খামি তৈরি করি। একই ভাবে আমের খোসা ও আঁটি পৃথক করে ব্লেন্ডারে দিয়ে মিহি করা হয় এবং ময়দা ও বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে তেলে ভেজে কাঁচা আমের জিলাপি তৈরি হয় বলে জানালেন দোকানের জিলাপি প্রস্তুতকারক আল আমিন। তিনি বলেন, তরমুজ ও আমের খামি তেলে ভেজে চিনির শিরায় কিছুক্ষণ রেখে জিলাপি তৈরি করা হয়। তরমুজের জিলাপি আগে কখনো বানানো হয়নি। এই রমজানে এটা প্রথম আবিস্কার। ভালোই চলছে। ভালো সাড়া পাচ্ছি। দিন দিন কাস্টমার বাড়ছে। খাইতেও খুব টেস্টি।

দোকানের কর্মচারীরা জানান, গত ১৩ এপ্রিল তরমুজের ১০ কেজি ও আমের ১৫ কেজি জিলাপি তৈরি করেন। ১৪ এপ্রিল তরমুজের ২০ কেজি ও আমের ২৫ কেজি জিলাপি তৈরি করেন। গতকাল শুক্রবার তরমুজের ২০ কেজি ও আমের ২৫ কেজি জিলাপি তৈরির পর বিক্রি করেছেন। সব জিলাপিই বিক্রি হয়েছে।

Manual4 Ad Code

জিলাপি কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, খুলনায় আমার শ্বশুর বাাড়ি। ফেসবুকে তরমুজের জিলাপি দেখে আমার স্ত্রী নিয়ে যেতে বললো। দোকান খুঁজে বের করতে অনেক কষ্ট হয়েছে। তবুও খুঁজে বের করেছি। কাঁচা আম, তরমুজ এবং সাধারণ জিলাপি নিচ্ছি। কাঁচা আমের জিলাপি ১৫ টাকা পিস এবং ২৫০ টাকা কেজিতে নিচ্ছে। তরমুজেরটাও একই দাম। প্রথমবারের মতো নিচ্ছি। খালিশপুরের বাসিন্দা মোঃ আহাদ বলেন, ফেসবুকে দেখলাম। দেখেই চলে এসেছি। দেখতে তো দারুণ লাগছে। ইফতারির জন্য নিচ্ছি। খেলে বোঝা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code