শিরোনাম
আরাফার দিনে রোজা রাখার ফজিলত ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে শ্রীমঙ্গলে নিরাপদ সড়ক চাই এর উদ্যোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১পথচারী নিহত হজ্ব ও কুরবানির রক্ত মাংস আল্লাহর কাছে পৌঁছে না পৌঁছে এখলাস ও তাকওয়া ——— খতিব মুফতী রুহুল আমীন জৈন্তাপুরে ইমন মায়ের চিকিৎসার জন্য ৬ লাখ টাকা পরিবারের নিকট হস্থান্তর জিমাউফা আইনি সহায়তা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ইভটিজিং প্রতিরোধ দিবস পালিত শ্রীমঙ্গলে ভূমি সপ্তাহ উপলক্ষে ১৪৭ জন গৃহ ও ভূমি প্রাপ্ত উপকারভোগীদের মাঝে খতিয়ান হস্তান্তর কারিতাস আলোকিত শিশু প্রকল্প কতৃর্ক শিশুদের অধিকার এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট শীর্ষক শিশু কনফারেন্স অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে এসএসসি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি দুই শিক্ষার্থীকে এসএসসি-৯১ ব্যাচের সংবর্ধনা শ্রীমঙ্গলে গ্যাস সঞ্চালন লাইনের ওপর নির্মিত অবৈধ ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা উচ্ছেদ
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সাতক্ষীরায় পানি ফলের বাম্পার ফলন

শেখ আবু মুছা: / ৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৩

শেখ অাবু মুছা সাতক্ষীরা :

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দিন দিন বাড়ছে পানি ফলের চাষ। জলাবদ্ধ এলাকায় পতিত জমিতে খুব সহজেই চাষ করা যায় এ ফলটি। অল্প খরচ করে অধিক ফলন। লাভজনক হওয়ায় পানি ফলের চাষে ঝুঁকছে এখানকার মানুষ। পানি সিঙ্গারা অনেকই চিনেন এখন পানি ফল হিসেবে। পানি ফল দেখতে খানিকটা বাজারের তৈরি সিঙ্গারার মতো হওয়ায় অনেকেই সিঙ্গারা বলেও চিনেন। তাছাড়াও এ ফলের নানা জায়গায় নানা নাম রয়েছে। স্বল্প সময়ের জন্য জমি পতিত না রেখে পানি ফলের চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। কলারোয়া উপজেলা কৃষি অফিসার সুভ্রাংশু শেখর দাস বলছেন, পানিফল চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে।

এ ফলের পুষ্টিরমানও অনেক বেশি। কলারোয়া উপজেলার পতিত জমিতে এই পানিফলের চাষ ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় এ ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছে এখানকার মানুষ। প্রতিবছর বোরো ধান কাটার পর, খাল-বিল-ডোবায় জমে থাকা পানিতে প্রথমে এই ফলের লতা রোপণ করা হয়। তিন থেকে সাড়ে তিন মাসের মধ্যে ফল আসে প্রতিটি গাছে। এ ফল চাষে সার-কীটনাশকের তেমন প্রয়োজন হয় না। প্রতি বিঘা জমি চাষে ৯/১০হাজার টাকা খরচ করে ৩৫/৪০ হাজার টাকা লাভ করে চাষিরা। উপজেলায় এবার ৩৭ হেক্টর পতিত জমিতে পানিফল চাষ হয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি পানিফল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। প্রথমে দাম ছিলো ৪০/৫০ টাকা কেজিতে। এখন একটু কমে গেছে। এদিকে ডোবা আর বদ্ধ জলাশয়ে পানিফল চাষ করে সাবলম্বী হয়ে উঠছে উপজেলার অনেক হতদরিদ্র মানুষ। অল্পপুঁজি ব্যয় করে পানিফল চাষের মাধ্যমে দু’পয়সা বাড়তি আয় করে অভাবের সংসারে সচ্ছলতা এনেছে প্রায় শতাধিক পরিবার। কলারোয়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে এই পানি ফলের চাষ শুরু হয়। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এই পানিফল চাষে অনেক আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলায় পানিফল উৎপাদনে সফলতা পাওয়ায় অন্যান্য উপজেলার চাষিরাও অনুপ্রাণিত হয়ে চাষাবাদ পদ্ধতি শিখে তাদের পতিত জমিতে চাষ শুরু করছে। এটি একটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ পানিফল। এই ফলের গাছটি ৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পানির নিচে মাটিতে এর শিকড় থাকে এবং পানির উপর পাতা গুলি ভাসতে থাকে। আশ্চর্য বিষয় হলো-এই গাছে ফুল ফোটে ভোর বেলায়, পানির উপর ভাসতে দেখা যায়। কিন্তু ফুল ফোটার কিছুক্ষণ পরে সেই ফুল পানির নিচে চলে যায়। আর সেখানেই পানি ফলে পরিণত হয়। পানি ফল চাষী রেজাউল ইসলাম ও আবু হাসান বলেন, ১৩বছর ধরে তারা কলারোয়া পৌর সদরের গোপিনাথপুরে পতিত ও জলাবদ্ধ জমিতে পানিফল চাষ করে আসছেন। পানি ফলে সার কীটনাশকের তেমন প্রয়োজন হয় না। অন্যান্য ফসলের থেকে এর পরিচর্যাও কম। অল্পপুঁজি ব্যয় করে লাভ বেশী। খেতেও সুস্বাদু। এ বছর তাদের ৬বিঘা জমিতে পানিফল চাষের খরচ হয়েছে প্রায় ৭০হাজার টাকা। এতিমধ্যে পানি ফল বিক্রয় শুরু হয়েছে। আষাড় মাসে পানি ফলের চাষ শুরু হয়। এর তিন মাস পরে গাছে ফল আসে। তারা আরো বলেন-অন্যান্য ফসলের থেকে লাভও দ্বিগুণ। এই ফল চাষে বর্তমানে আমাদের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমাদের কলারোয়ায় বদ্ধ জলাশয়ে পানিফল চাষ করে সাবলম্বী হয়ে উঠছে অনেক হতদরিদ্র মানুষ। পানিফল যেমন শরীরের জন্য বেশ উপকারি। খেতেও সুস্বাদু।

এই ফল শরীরের পুষ্টির অভাব দূর করে, ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে করতে সাহায্য করে। পানি ফল চাষীরা জানান, সরকারি-বেসরকারি খাত থেকে ঋণ সহায়তা পেলে আরো অনেক মানুষ পানিফল চাষ করতে পারতো। এতে একদিকে নিজেরা যেমন স্বাবলম্বী হতে পারে তেমনি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও অবদান রাখা সম্ভব হবে। কলারোয়া উপজেলা কৃষি অফিসার সুভ্রাংশু শেখর দাস বলেন, বর্তমানে পানিফল কৃষিতে নতুন এক সম্ভাবনাময় ফসল। আমাদের কৃষি বিভাগ সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে পানিফল চাষের বিস্তার ঘটাতে। যে কোন পতিত খাল, পুকুর, ডোবা অথবা জলাশয়ে চাষ করা সম্ভব। তুলনামূলক এর উৎপাদন খরচ কম। চলিত বছরের ৩৭হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। আগামী বছর আরো বেশি জমিতে চাষ হবে বলে তিনি মনে করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

বিভাগের খবর দেখুন