বিশেষ প্রতিনিধি:
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২ জন প্রবাসীর মধ্যে পরিবর্তন হওয়া হ্যান্ড ব্যাগ,মোবাইলসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে ৭ এপিবিএন সিলেট।
৭ এপিবিএন এর মিডিয়া সেলের এএসআই পাবেল বৃহস্পতিবার (০৭ জুলাই) জানান,’ সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার চাঁদ দৌলতপুর গ্রামের লেবু মিয়ার ছেলে প্রবাসী জনাব রোমান মিয়া গত ০৩ জুলাই তারিখে BG-252 ফ্লাইটে শারজাহ্ হতে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন।
নিয়মানুযায়ী BG-252 সিলেট আসার পর
প্রবাসী রোমান মিয়া কাস্টমস স্ক্যানিং শেষে তার সকল মালামাল বুঝে নেওয়ার সময় দেখতে পান যে,তার সাথে থাকা একটি হ্যান্ড ব্যাগ তার সঙ্গে আর নেই। যার মধ্য একটি Redmi স্মার্ট ফোন,একটি Nokia বাটন ফোন,এবং দুইটি পাসপোর্ট রক্ষিত ছিল।
এরপর রোমান মিয়া তাৎক্ষণিক অধিনায়ক (অতিঃ ডিআইজি) ৭এপিবিএন,সিলেট বরাবর হারানো মালামাল উদ্ধারের সহায়তা চেয়ে একটি লিখিত আবেদন করেন।
উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে অত্র ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব খন্দকার ফরিদুল ইসলাম স্যারের নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক জনাব এস এম আল-মামুন এর নেতৃত্বে ৭এপিবিএন এর ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্যাম্পের ইন্টেলিজেন্স টিমের সদস্যগণ ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিসি ক্যামেরার তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনায় করে দেখা যায়; একই ফ্লাইটে আগত প্রবাসী মোঃ মোস্তাক আহমেদ পিতাঃ আব্দুল করিম সাং- রজাকপুর,পজাকপুর, বিয়ানীবাজার,সিলেট ভুলবশত উনার ব্যাগ ও মালামাল ফেলে রেখে এর পরিবর্তে জনাব রোমান মিয়ার মালামাল গুলো নিয়ে যান।
জনাব মোস্তাক আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে ৭এপিবিএন এর ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্যাম্প অফিসে এসে নিয়ে যাওয়া মালামাল ফেরত দেন এবং পরবর্তীতে প্রকৃত মালিকের নিকট নিজ নিজ মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
৭-এপিবিএন সিলেট এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব খন্দকার ফরিদুল বিমানের যাত্রীদের উদ্দেশ্যে অনুরোধ করে জানান,’ বিমানবন্দর থেকে দেখে শুনে বুঝে নিজের মালামাল নিয়ে যেতে হবে ‘। এছাড়া বিমানবন্দরে যেকোন সহায়তার জন্য ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৭এপিবিএন এর অফিসে যোগাযোগ করলে সব ধরনের সহায়তা করা হবে বলেও জানান অধিনায়ক খন্দকার ফরিদুল।
সিলেট নিউজ/এসডি.