দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
ছাত্র-জনতার গনঅভ্যুত্থানে দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের আশার প্রতিফলন ঘটে জুলাই-আগস্ট মাসে। ভোটারবিহীন সরকার অবশেষে ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। জনগণের রায় ছাড়া প্রতিষ্ঠিত সরকার যেভাবে দেশে অনিয়ম-অবিচার-দূর্নীতির পৈশাচিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছিল টিক একইভাবে সরকারদলীয় স্হানীয় নেতাকর্মীরাও একই নীতিতে অভ্যস্ত ছিল!
পতিত সরকারের স্হানীয় কিছু নেতাকর্মী ও প্রভাবশালী নেতা কর্তৃক এমন অমানবিক জুলুম-নির্যাতনের কষাঘাতে জর্জরিত মেধাবী ছাত্রনেতা দোয়ারাবাজার উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক কমিটি’র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জাকারিয়া ও তার পরিবার।
পতিত স্বৈরশাসকের আমলে নানাভাবে নিপীড়ন সহ্য করে টিকে থাকার এক অসহ্য সংগ্রাম করেছে পরিবারটি।
অবশেষে ছাত্র-জনতার গনঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাসক এর পতন হলে হাফ ছেড়ে বাঁচেন তারা। কিন্তুু ৫ আগস্টের পর ৩ মাস অতিক্রম হয়ে গেছে এখনো ভয় কাটেনি জাকারিয়া’র পরিবারের। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ জীবননাশের হুমকি-ধমকি শুনতে হচ্ছে। পারিবারিক ভাবে বিএনপি’র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় জাকারিয়া’র বড় ভাই নেওয়াজ শরীফও দোয়ারাবাজার উপজেলা যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী। ৫ আগস্টের পর নেওয়াজ শরীফ কে পথিমধ্যে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় স্হানীয় আওয়ামী লীগের কর্মীরা।
বিষয়টি নিয়ে ছাত্রদল নেতা জাকারিয়া ও যুবদল নেতা নেওয়াজ শরীফ এর অসুস্থ বাবা-মা উভয়ে খুবই উদ্বীগ্ন।
এ বিষয়ে আমাদের প্রতিবেদক দুই সহোদর এর বাবা জনাব সৈয়দ শামছুল আলম সাহেব এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন “এদেশ ৭১ সালে স্বাধীন হয়েছিল অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আবার ২৪ সালেও স্বৈরাচার শেখ হাসিনার কাছ থেকে স্বাধীন হয়েছে অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে, আমি ও আমার পরিবার এবং ছেলেরা এদেশের নাগরিক। নাগরিক হিসাবে যেকোনো মতের রাজনীতি চর্চা করা নাগরিকদের একটি অধিকার। দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পরও আমার ছেলেদের অধিকার প্রয়োগে নগ্ন হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করা হচ্ছে”।