শিরোনাম
মৌলভীবাজার শেরপুরে হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে ২২ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ, চালক গ্রেপ্তার রাজধানীর তুরাগ থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাশ্বত দত্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ সিলেটের স্বপ্না ফিজিওথেরাপি ও হিজামা সেন্টারের বিরুদ্ধে ভূল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ সু-সন্তান নির্মানে! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী’র ১০টি নির্দেশনা বাবা মায়ের মেনে চলা উচিৎ! দেশের জেলা-উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ: প্রেক্ষিত ঝিনাইদহ জেলা ​বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীতে নোঙর করা ড্রেজার ও বলগেট জাহাজে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বিশ্বম্ভরপুরে তৃণমূল সাংবাদিক দলের সাথে স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তা ও প্রেসক্লাবের সাথে নেটওয়ার্কি সভা অনুষ্ঠিত(Networking meeting with Local Govt. Officer & Press Club) বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ, দুদকে তদন্তের দাবি টাঙ্গাইলে ভুঞাপুর থানার এসআই মোঃ লাল মিয়ার নামে হাইকোর্টে মামলা
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

চা-বাগানের শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র বন্ধ রেখেই সরকারী বেতন ভাতা হরিলুট

Bappy Deb / ১৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

Manual7 Ad Code

বাপ্পী দেব (শ্রীমঙ্গল):

ফুসকুড়ি চা বাগানে শ্রম কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও শ্রম অধিদপ্তর এর অধীনস্থ শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের অনিয়ম দূনীতির অভিযোগ উঠেছে। এখানে মেডিকেল অফিসারসহ ১২ টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ২জন কর্মচারী তাও অনিয়মিত। আর খাতা কলমে রয়েছে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডাক্তারের নাম।

 

তিনি হলেন নিবাস চন্দ্র পাল,সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে অতিরিক্তি দায়িত্বে ফুসকুড়ি চা বাগানের শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে নিয়োগ থাকলেও বিগত ৬ বছরেও দেখা মিলে নি একদিনও এমন অভিযোগ বসবাসরত চা শ্রমিকের। আর উনার পরিবর্তে মাঝে মধ্য শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের অফিস খুলেন ফার্মাসিষ্ট নিবাস তিনি মনগড়া সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। 

 

এদিকে শ্রম কল্যাণ সংগঠক কবির আহমদের উপর স্থানীয়দের অভিযোগ শেষ নেই। তিনি সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করেও দীর্ঘ ৮বছর ধরে কাজ করছেন রাজঘাটের সীমান্ত এলাকায় তার নিজস্ব দু’টি লেবু বাগানে। শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের ভিতরে ২টি কোয়ার্টারে রেখেছেন ২ স্ত্রীকে। কবীর আহমেদ সেখানে শুধু রাত যাপনই করেন থাকেন। ভোরে ঘুম থেকে উঠেই চলে যান মোটরসাইকেল যোগে সীমান্তের লেবু বাগান পরিচর্যাসহ ব্যবসার তাগিদে আর আসেন রাতে।

Manual6 Ad Code

 

ফুঁসকুড়ি চা বাগানে শ্রমিকদের চিকিৎসা,বিনোদনের জন্য স্থাপন করা হয় এই শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রটি। কিন্তু বন্ধ থাকছে দিনের পর দিন। এই কেন্দ্রে চা বাগানের ছেলে মেয়েরা ইনডোর খেলাধুলা বা বই পড়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বাস্তবে চা শ্রমিকদের কোন কাজে আসছে না এই কেন্দ্রটি। 

 

গরীব চা শ্রমিক জীবনমান উন্নয়নের জন্য তাদের পরিবারের লোকজনে চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এই শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারীর অবহেলায় অচল অবস্থায়। এখানে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পদে নিয়োগ থাকা সত্ত্বে দেখা মিলেনি ৬ বছর ধরে তার। অত্র এলাকায় আর কোন স্থায়ী ডাক্তারও নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার সপ্তাহে ২ দিন এসে রোগী দেখার কথা থাকলেও এপর্যন্ত তার দেখা পায়নি একদিনও। তিনি ১৯৯৯ সাল থেকে দীর্ঘ দিন এই শ্রম কল্যাণ কেন্দের ডাক্তার হিসেবে যোগদান করেন।

Manual2 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

ফুসকুড়ি বাগানের চা শ্রমিক বিজয় পাল, রাজিব বুনার্জি, পিংকু বুনার্জি, নিপেন বুনার্জি, মনি বুনর্জি, রিংন্কু বুনার্জি, মো: জরিন আহমদ, লিটন দাশ বলেন;’ আমরা চা শ্রমিক নিম্ন আয়ের মানুষ। ভাল ডাক্তার দেখানোর সামর্থ আমাদের নেই। শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে আসি শিশু সন্তান নিয়ে। ডাক্তার পাওয়া যায় না। প্রায় দিনই বন্ধ থাকে। ডাক্তারের নামে ফার্মাসিস্ট আমাদের মাঝে মধ্যে এসে অফিস খুলে ঔষধ দিয়ে কোথায় জানি চলে যান,আর মিলে না তার দেখা। সর্ব রোগের ঔষধ হিস্টাসিন,প্যারাসিটামল,মেট্রিল আর কিছু এন্টিবায়োটিক। তাও এন্টিবায়োটিকের কোন মাত্রা নেই। শিশুদের ক্ষেত্রে যা, বড়দের ক্ষেত্রেও তা। এছাড়াও সংগঠক কবির আহমদ তার অফিসের কক্ষ কখনো খুলেন নি। যার কারণে খেলাধুলা কিছু করা যায় না। এমনকি বই পড়ার খেলাধুলার সুযোগ থাকলেও শিক্ষিত ছেলে মেয়ে বই পড়া খেলাধুলা করতে পারেনি।

 

তারা আরও জানান;’কবির আহমদ ২টি লেবু বাগান করেছেন। সে সবসময় তার লেবু বাগানে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এছাড়াও শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের কোয়ার্টারে থাকার কারনে শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের বড় বড় গাছও গোপনে বিক্র করেছেন’।

 

বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সুনিল তাতীঁ বলেন,’ডাক্তার নিবাস চন্দ্র পালের দেখা আমরা পাইনা। শুনেছি তিনি শ্রীমঙ্গলে শ্রম অধিদপ্তর অফিসে বসেন। এখানে তিনি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন। এছাড়াও শ্রীমঙ্গল তার একটি পলিক্লিনিক পরিচালনা করেন। মাঝে মধ্যে ফার্মাসিষ্ট এখানে রোগী দেখেন। ঔষধের ৩৫/৩৬ টি আইটেমের পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকলেও রোগীকে শুনতে হয় ঔষধ নাই। সংগঠক কবির আহমদ কোয়ার্টারে থাকলেও অফিস খুলেননি একদিনও। সবসময় তার লেবু বাগানে সময় দেন’।

 

Manual7 Ad Code

এ ব্যাপারে শ্রম কল্যাণ সংগঠক কবির আহমেদ বলেন,’অফিস আমি খোলা রাখিনা,এ কথাটি সঠিক নয়। আর লেবু বাগান করা দোষের নয়। এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। তা হলে অফিসে সময় পাওয়া যায়না কেন? প্রশ্ন করলে তিনি কোন উত্তর দিতে পরেননি’।

 

ডা: নিবাস চন্দ্র পাল বলেন,’আমার প্রথম পোষ্টিং ফুসকুড়ি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে ছিল। আর আমি ফুসকুড়ি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র যাইনা অভিযোগটি ঠিক নয়। বর্তমানে আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। সাপ্তাহে ২ দিন সেখানে যাই। আমাকে এই দায়িত্ব থেকে সরানোর জন্য বারবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি। আর কেন্দ্রে ১২ টি পদের বিপরীতে লোক আছে ২ জন। এই শূন্য পদে লোক নিয়োগের জন্য বারবার লিখেছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নিয়োগ না দিলে কি করবো। শ্রম কল্যাণ সংগঠক কবির আহমদের বিষয়ে আমি কোন অভিযোগ পাইনি। এখন বিষয়টি খতিয়ে দেখবো। এ ব্যাপারে শ্রম অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলামের সাথে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি’।

সিলেট নিউজ/এসডি.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code