নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাগেরহাট জেলা মোরেলগঞ্জ থানার কাঠালতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ হাওলাদার রিপন (২১) উপর হামলা করেন বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনীরা, মোঃ পারভেজ হাওলাদার রিপন পেশা একজন সাংবাদিক, তিনি BDTODAYS সাবেগ ঢাকার প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছে, এবং পারভেজ হাওলাদার রিপন জুলাই ছাত্র আন্দোলন সময় আহত একজন সাংবাদিক ছিলেন।
০৮ই জানুয়ারী বৃহস্পতিবার অনুমান বিকাল ০৫টা মোরেলগঞ্জ থানার পৌরসভার ০৭ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত কুঠিবাড়ী সাকিনে পার্কের সামনে রাস্তার উপর হামলার ঘটনাটি ঘটে।
মোঃ পারভেজ হাওলাদার রিপন বাগের হাট জেলার মোরেলগঞ্জ থানা কাঠালতলা গ্রামে তার জন্ম ও বাড়ী, মোঃ পারভেজ হাওলাদার রিপন ঢাকা কর্মস্থল থেকে অসুস্থ থাকায় ছুটিতে গ্রামের বাড়ী জান।
পারভেজ হাওলাদার রিপন জানান, পূর্বে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনীরা মোরেলগঞ্জ থানা কাঠালতলা গ্রাম সহ আশে-পাশের গ্রামে ৫ই আগষ্টের পর থেকে লুটপাট, চাঁদাবাজি, মানুষের ভূমি দখল, মাদক, অস্ত্র সহ সাধারন মানুষের প্রতি অন্যায় অত্যচার করে আসছে, তাই পারভেজ হাওলাদার রিপন একজন গণমাধ্যম কর্মী তাই মোরেলগঞ্জ থানা কাঠালতলা গ্রাম সহ আরো অন্য এলাকাতে এই অন্যায়-অত্যাচার হচ্ছে, তা দেখে তার কলম দিয়ে তুলে ধরেন নিউজের মাধ্যমে।
মোরেলগঞ্জ থানা ৭ নং কুঠিবাড়ি গ্রামের বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনীরা পুরানা এই সূত্র জের ধরে পারভেজ হাওলাদার রিপন উপর হামলা করেন, পারভেজ হাওলাদার রিপন ও তার স্ত্রীকে বাড়িতে আসার পথে তখন পারভেজ হাওলাদার রিপন ও তার স্ত্রীকে মোরেলগঞ্জ থানা ৭ নং কুটিবাড়ী গ্রামের সাকিনে পার্কের সামনে রাস্তার বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী তার পথ আটক করেন।
প্রথমে পারভেজ হাওলাদার রিপনকে জিজ্ঞেস করেন কেন নিউজ গুলো করেছিলেন, নিউজ গুলো ডিলেট করতে বলেন, এবং হুমকি দিয়ে বলে প্রথমে তোর বাড়ীতে গিয়ে তোকে সতর্ক করেছিলাম আমাদের বিরুদ্ধে কোন নিউজ না করতে তুই কথা শুনিস নি, এখনো নিউজ গুলো রেখে দিলি আরো কিছু নিউজ করলি আমাদের বিরুদ্ধে ঢাকায় বসে, এই বলে আবারও পারভেজ হাওলাদার রিপনকে বলে এখনি নিউজ গুলো ডিলেট করতে।
কিন্তু পারভেজ হাওলাদার রিপন তাতে রাজি না হওয়ায় তার উপর প্রাণনাশক দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সুসজ্জিত হয়ে পারভেজ হাওলাদার রিপন খুনের উদ্দেশ্যে তার স্ত্রীকে ঘিরে ফেলে এবং তার পরিবার বর্গকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে জামার কলার ধরে মুখ মন্ডলে চড়-থাপ্পর মেরে আমাকে মাটিতে ফেলে দিয়ে আমার বুকে, পেটে, মাথায়, ঘাড়ে, বাহুতে, কোমরে উপর্যুপরি কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শারীরের বিভিন্নস্থান নীলাফুলা ও কাটা রক্তকরণ বেদনাদায়ক জখম করে, মোরেলগঞ্জ থানা ৭ নং কুঠিবাড়ি গ্রামের বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী।
পারভেজ হাওলাদার রিপন আরো জানান, আমার স্ত্রীকে লজ্জাশ্লীলতারহানী ঘটনায়, আমাকে মারার একপর্যায় আমার হাতে থাকা স্বর্ণের ১টি আংটি, মূল্য প্রায় ৪০,০০০/- টাকা ও আমার প্যান্টের পিছনের ডান পার্শ্বের পকেটে মানিব্যাগে থাকা ৭,৮০০/-টাকা সহ মোট ৪৭,৮০০/- চুরি করে নিয়ে যায়।
ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ দেখে আমার ও স্ত্রীর জীবন রক্ষার্থে চিৎকারে ডাকাডাকি উপরোক্ত স্বাক্ষী ও আশ-পাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আমাদেরকে প্রাণেরক্ষা করে এবং স্বাক্ষীদের উপস্থিতি দেখে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়, চলে যাবার সময় আমাকে এবলে হুঙ্কার দেয় যে, এনিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলবে বলে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি, প্রাণনাশের ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করবে বলে হুমকি দেন।
এই অবস্থায় কোনো উপায়ান্ত না পেয়ে বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানাই ও আমার পরিবারবর্গের সদস্যদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে থানায় এসে ১টি অভিযোগটি দাখিলে করি, ঘটনার বহু স্বাক্ষীতে।
বন বিভাগ মামলা দেয়ার হুমকি দেয় পারভেজ হাওলাদার রিপন ও সূত্রে জানা যায় যে, মোরেলগঞ্জ থানা ৭ নং কুটিবাড়ী গ্রামের বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনীরা, মোঃ রনি তালুকদার ও মোড়লগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন নেতৃত্বে এই বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী গঠিত, মোড়লগঞ্জ থানা অধিনে মিলনের নেতৃত্বে লুটপাট, চাঁদাবাজি, মানুষের ভূমি দখল, মাদক, অস্ত্র সহ সাধারন মানুষের প্রতি জুলুম তার ইশারা চলে মিলন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তার উপর বিভিন্ন ধরনে ভয় হামলা ও মিথ্যা মামলা ডুকিয়ে দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, কুঠিবাড়ির অর্থ এলাকায় এই আবুল বাশারের রাজত্ব চলে এবং কুঠিবাড়ি জমি দখল ও বিভিন্ন মানুষের বাসায় উঠে গ্যাঞ্জাম করে এবং এলাকায় লুটপাট, চাঁদাবাজি, মানুষের ভূমি দখল, মাদক, সুদ ঘুষ আরো রয়েছে, বিশাল নারী কেলেঙ্কারি আবুল বাশার তারা দুই ভাই সরকারি চাকরিজীবী একজন হলো শরখোলা বন বিভাগের দায়িত্বে আছেন তারা মানুষকে মানুষ মনে করে না এবং টাকা দেখিয়ে আইনকে নিজের পকেটে করে নে এবং আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র প্রকৃত দালাল।
তারপর মানুষ রয়েছে তাদের চার ভাইয়ের রাজত্বে কেউ কোন কথা বললে তাকে বাড়ি থেকে ধরে এনে অথবা বাড়ি ঢুকে হত্যাযজ্ঞ হামলা চালায়। এদের কাছে মানুষ অসহায় পড়েছে এদের কাছে মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে কুঠিবাড়ি এলাকাবাসী, আবুল বাশার এই সব কাজ করেন মোড়লগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিলনের নিদের্শে।
মোড়লগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, একজন সাংবাদিক যদি কোথায় অপরাধ দেখে তাহলে তারা তাদের কাজ করবে নিউজের মাধ্যমে, সাংবাদিক উপর হামলা করে অপরাধ করেছেন, অপরাধী যে কোন রাজনৈতিক দলের হক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে, এবং আইনে প্রক্রিয়া তদন্ত চলছে খুব দ্রুত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনীরা হলেন,
মোঃ আবুল বাশার তালুকদার
মোঃ রিকন তালুকদার
মোঃ রনি তালুকদার
মোঃলাহু
মোঃ আসাদ
মোঃ বায়জিত (২২)
পিতাঃ মোঃ লাহু তালুকদার,
মোঃ রুহিত ইসলাম (২০) পিতাঃ মোঃ আবুল বাশার
মোঃ রুমান
মোঃ জাবেদ সবাই কুঠিবাড়ি গ্রামের
মোরেলগঞ্জ থানার।
এরা সবাই বাসায় ঢুকে।