শিরোনাম
যে কাজ করলে আল্লাহর আরশ থর থর করে কেঁপে ওঠে! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী সুনামগঞ্জে সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাস্তবায়ন হয়নি হাইকোর্টের আদেশ। জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদী থেকে চলছে বালু উত্তোলন পরীক্ষা শেষে আর বাড়ি ফেরা হলো না জকিগঞ্জের রাজনের; রেললাইনের পাশে মিলল লাশ, ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত! জকিগঞ্জে প্রবাসীর ওপর হামলা, মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ; শ্রমিক দলের নাম ব্যবহারের অভিযোগে উত্তেজনা সরকার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ আবু নাহিয়ান তাসকিনের বৃত্তি অর্জন, ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল দ্রুত প্রকাশ ও শতভাগ নিয়োগের দাবি খুলনায় স্কুলছাত্রী নির্জনা হত্যা: মায়ের স্বীকারোক্তি, পলাতক বাবাকে গ্রেপ্তারে অভিযান জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী সবার সেরা : বললেন, আমেরিকান প্রবাসী, মাওলানা আব্দুল ওয়াকিল
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সাংবাদিকের অভিযোগ সত্য,দন্ত চিকিৎসকের পক্ষে সিভিল সার্জন-ডিডি

Satyajit Das / ২৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

Manual5 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গিয়ে এক সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও অপেশাদার আচরণের অভিযোগ উঠেছে এক দন্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। একই ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। অভিযোগের পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

Manual5 Ad Code

অভিযোগকারী সাংবাদিক সত্যজিৎ দাস বাংলা এফএম ও দৈনিক প্রভাকর পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১০ সাল থেকে জাতীয় গণমাধ্যমে কাজ করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন অনিয়ম ও সমস্যা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছেন।

সত্যজিৎ দাস জানান,গত ২৪ মে রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তীব্র দাঁতের ব্যথা নিয়ে তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যান। তিনি তখন ১০ থেকে ১২ দিন ধরে দাঁতের সমস্যায় ভুগছিলেন।

তার অভিযোগ,হাসপাতালে গিয়ে তিনি দেখতে পান দাঁতের চিকিৎসকের ২০ নম্বর কক্ষ তালাবদ্ধ। পরে তিন টাকার টিকিট সংগ্রহ করলে কাউন্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী তাকে ১৭ নম্বর কক্ষে যেতে বলেন। সেখানে গিয়েও সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে পাওয়া যায়নি। পরে হাসপাতালের এক কর্মচারীর পরামর্শে তিনি আবার ২০ নম্বর,(পরে জানা যায় ১২ নম্বর),কক্ষে যান।

অভিযোগে বলা হয়,সকাল প্রায় ৯টা ৩৮ মিনিটে দন্ত চিকিৎসক ডা. জুবায়ের খান,(৩৯তম বিসিএস)-এর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। দাঁতের সমস্যা দেখানোর পর চিকিৎসক তার সঙ্গে রুক্ষ ও অপেশাদার আচরণ করেন বলে দাবি করেন সত্যজিৎ দাস।

Manual7 Ad Code

তার ভাষ্য অনুযায়ী,চিকিৎসক তাকে বলেন,“মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন কেন? রুট ক্যানেল করতে হবে,নতুবা ভবিষ্যতে দাঁত ফেলতে হবে। ওসমানীতে যান,সেখানে ফ্রি করে দেবে।”

সত্যজিৎ দাস আরও অভিযোগ করেন,চিকিৎসক প্রেসক্রিপশনে ওষুধ না লিখে প্রথমে সাদা কাগজে কয়েকটি ওষুধের নাম লিখে দেন। পরে তিনি নিজের পেশাগত পরিচয় দেওয়ার পর প্রেসক্রিপশনে ওষুধ লিখে দেন।

এ ঘটনায় নিজেকে মানসিকভাবে অপমানিত ও হয়রানির শিকার দাবি করে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জনের কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান প্রথমে বলেন,“অভিযোগের হার্ড কপি জমা দিতে বলা হয়েছে। ঈদের ছুটির পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।”

গত ঈদুল আজহা উপলক্ষে মে মাসে সরকারি সাধারণ ছুটি ছিল ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত। সাংবাদিক সত্যজিৎ দাস মুঠোফোনে সিভিল সার্জনকে না পেয়ে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,“শ্রীমঙ্গল হাসপাতালের তদন্ত প্রতিবেদন পেলে,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মৌলভীবাজার সফরের পর ব্যবস্থা নিবো। আপনি অপেক্ষা করেন।”

গত শুক্রবার,৩ জুলাই,সিভিল সার্জন বলেন,“আমি সব বইলা রাখছি স্যারেরে,আপনার ব্যাপারটা নিয়া। স্যারের সাথে দুইদিন বিষদ আলোচনা হইছে। এখানে পজিটিভ নেগেটিভ অনেক ধরনের আলোচনা হইছে। স্যারেও বলছে যে ওকেতো, ডা. জুবায়ের,যে ইয়ে করা হচ্ছে তদন্তে,ঐখানে তো বলা হইছে,তাকে রোগীদের সাথে ভালো ব্যবহার করার জন্য,আর ভবিষ্যতের জন্য তাকে সতর্ক করে দেয়া হইছে।

“এইটা তো আমিও বলছিলাম। পাশাপাশি আবার আপনাদের ঐ যে তিমির বণিক,উনি আবার বলতাছে যে না,এইরকম বিচার হইলে তো হবেনা,এইগুলা বারেবারে এমনে হইলে কেমনে হবে,বিচার তো যাতে কঠিন হয়। আমিতো জাস্ট আপনাদের ওপিনিয়ন তুলছি,আমার ওপিনিয়ন বলি নাই। শুনেন,কারণ ওতো আমার পরিবারের সদস্য। আমি আপনাদের সবগুলো মিসভেলি আমি দেখবো,দেখবো বলছি। আমি ওর সম্পর্কে আদ্যপান্ত যা আছে,কমপ্লেইন আগে যেগুলো হইছে,ডিসিশন মেইক করবে। স্যার হয়তো ডিসিশন নিবে, আরেকটু ওয়েইট করেন। স্যারের সাথে কথা হইছে,আপনাদের ইউএইচওএফওর সাথেও কথা হইছে।”

Manual4 Ad Code

একই দিন রাতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক সিভিল সার্জনকে বার্তা পাঠালে তিনি বলেন,“রবিবার স্যারের (বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের) সাথে চূড়ান্ত কথা বলবো। তদন্ত রিপোর্টে তাকে সতর্ক করার কথা বলা হয়েছে,ভবিষ্যতে কোনো রোগীর সাথে খারাপ ব্যবহার না করে।”

এর আগে সাংবাদিক তিমির বণিককে দেওয়া বক্তব্যে সিভিল সার্জন মো. মামুনুর রহমান বলেন, “বুঝছেন,ঘটনা অনুযায়ী তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন আরও কড়া হওয়া উচিত ছিল।”

সাংবাদিক সত্যজিৎ দাসের দাবি,“সিভিল সার্জনের বক্তব্যে প্রতীয়মান হয় যে তদন্ত কমিটির কাছে দেওয়া তার ভাষ্য সঠিক ছিল এবং অভিযুক্ত চিকিৎসকের লিখিত বক্তব্যের সঙ্গে তার বক্তব্যের মিল পাওয়া যায়নি,যা ডা. জুবায়ের খানের অসৌজন্যমূলক অসদাচরণের প্রমাণ করে।”

অন্যদিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর সিভিল সার্জনের নির্দেশে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সাত দিনের পরিবর্তে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে ১২ দিন সময় লাগে।

গত ২৪ মে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি করা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট, সার্জারি বিভাগের ডা. অশোক ঘোষকে।

কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জুনিয়র কনসালটেন্ট,অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের ডা. সোহানা ফেরদৌস। সদস্যসচিব করা হয় জুনিয়র কনসালটেন্ট,শিশু বিভাগের ডা. বিশ্বজিৎ দেবকে।

অফিস আদেশে কমিটির সভাপতিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে ১ জুন শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরেক অফিস আদেশে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রমের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,গত ৩ জুন সকাল ১২টায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে তদন্তানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিযোগকারী, অভিযুক্ত চিকিৎসক,সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী এবং তদন্ত কমিটির সদস্যদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়।

দন্ত চিকিৎসক ডা. মো. জুবায়ের খানের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক ও অপেশাদার আচরণ এবং চিকিৎসাসেবায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগের বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী সত্যজিৎ দাস তদন্ত কমিটির কাছে পুনরায় অভিযোগ উপস্থাপন করেন। তিনি প্রমাণসহ লিখিত ও মৌখিক সাক্ষ্যও দেন।

তদন্ত শেষে সুষ্পষ্ট মতামতসহ একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে বলা হয়। আদেশের অনুলিপি মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবগতির জন্য পাঠানো হয়।

তবে দীর্ঘ দেড় মাস অতিবাহিত হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। সত্যজিৎ দাস এবং সিনিয়র সাংবাদিক তিমির বণিক জানান,তারা মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান ও সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলমের সঙ্গে বারবার ফোন,ই-মেইল ও বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন। তাদের দাবি, দুই কর্মকর্তা একেকবার একেক ধরনের বক্তব্য দিয়ে বিষয়টি দেখছেন বা অপেক্ষা করতে বলছেন।

এ বিষয়ে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম গত শুক্রবার,৩ জুলাই,বলেন, “অভিযোগ তো দেয়া হইছে,সিভিল সার্জন চিঠি আমাকে দিছে। আমিতো সিভিল সার্জনকে নির্দেশনা দিয়ে দিছি,তদন্তের আলোকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য। ব্যবস্থা তো উনি নিবেন। উনার আন্ডারে উনি নিবেন। আবার উনি যদি ব্যর্থ হয়,তাহলে ব্যবস্থা আমি নিবো। এখন তো উনার অধীনে।

“তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে যে সমস্ত সুপারিশ করা হয়েছে,সেই সুপারিশের আলোকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি,চিঠিও দিয়ে দিয়েছি।”

সাংবাদিক সত্যজিৎ দাস জানান,তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত চিকিৎসক ডা. জুবায়ের খানের অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়টি সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলমকে মৌখিকভাবে এবং ই-মেইলে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

জানা গেছে,দন্ত চিকিৎসক ডা. জুবায়ের খান, (৩৯তম বিসিএস) শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ সাত বছর ধরে কর্মরত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে,তার বায়োমেট্রিক উপস্থিতি রেকর্ড নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রাক্তন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক বলেন,“সরকার নির্ধারিত সময়ে নিয়মিত বা বারবার কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা চিকিৎসকের চূড়ান্ত শাস্তি হলো সরকারি চাকরি থেকে স্থায়ী বরখাস্ত বা অপসারণ। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী,শৃঙ্খলা ও আপিল,বিধিমালা অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য হয়।

“তিরস্কার,দায়িত্ব অবহেলার জন্য লিখিতভাবে সতর্ক করা;বেতন ও পদোন্নতি স্থগিত,নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা প্রমোশন আটকে রাখা;অনুপস্থিত সময়ের বেতন কর্তন;নিম্ন পদে অবনমিতকরণ;বাধ্যতামূলক অবসর;চাকরি থেকে অপসারণ এবং বরখাস্তের মতো ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।”

Manual6 Ad Code

তিনি আরও বলেন,“একই কর্মস্থলে টানা সাত বছর থাকা এবং সরকারি নিয়ম না মানা উভয়ই গুরুতর প্রশাসনিক অপরাধ ও চাকরিবিধির চরম লঙ্ঘন। সাধারণত সরকারি বিধি অনুযায়ী চিকিৎসকদের তিন বছরের বেশি এক কর্মস্থলে থাকার নিয়ম নেই। প্রভাব খাটিয়ে একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন থাকার প্রমাণ মিললে কর্তৃপক্ষ তাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে শাস্তিমূলক বদলি করতে পারে।

“নিয়ম না মানা,কর্মস্থলে ফাঁকি দেওয়া বা অনুপস্থিত থাকা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় মামলা, ইনক্রিমেন্ট বন্ধ,পদাবনতি,বাধ্যতামূলক অবসর কিংবা চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হতে পারে।”

তিনি অভিযোগ করেন,“এখানে তদন্ত কমিটির ভূমিকা এবং সিভিল সার্জন ও বর্তমান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এরকম দন্ত চিকিৎসকদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিত। নতুবা ডিমোশনে বিভাগের বাইরে বদলি করা উচিত।”

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের প্রশ্ন,তদন্ত কমিটি গঠন, প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং একাধিক দপ্তরে অভিযোগ পাঠানোর পরও একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ ও হাসপাতালের সেবাব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে,নাকি উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একে অন্যের সঙ্গে দায়িত্ব ঠেলাঠেলি করে পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট করছেন!

সিলেট নিউজ২৪/এসডি.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code