শিরোনাম
কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলাম এবং মুসলমানের পরিচয়! বিএনপির ত‍্যাগী নেতাকর্মীদের মূল‍্যায়ন করা খুবই জরুরি। অতিথি পাখি শুধুমাত্র শীতেই দেখা যায় বাংলাদেশ বনাম কালো কালির লেখা আগুন ঝরা সোনালি চিঠি, বরাবর যৌথ বাহিনীও জনগণ বানারীপাড়ায় অসুস্থ শিশুকন্যাকে মায়ের জিম্মায় দেওয়াকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা, শিশুটির চিকিৎসাসেবা ও সুরক্ষায় মানবিক ভূমিকা পালন করেছিল পুলিশ মৌলভীবাজার সদর থানার শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে মাদক ব্যাবসায়ি মিজান গাঁজা সহ গ্রেফতার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত, মোহাম্মদ মকিস মনসুর প্রেসিডেন্ট , আসরাফ মিয়া, জেনারেল সেক্রেটারী ,হেলেন ইসলাম ট্রেজারার , নির্বাচিত বিশ্ব স্তন ক্যানসার সচেতনতা উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি ​বাড়িতে হামলা, টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট ও মিথ্যা অপবাদের বিচার চেয়ে বানারীপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন “বিশ্বম্ভরপুরে নানা আয়োজনে শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন” শিশু সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক নাটক, আলোচনা সভা, মেয়েদের ফুটবল প্রতিযোগিতা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং বৃক্ষ রোপন ইউএনও নূরী তাসমিন উর্মির দূরদর্শী নেতৃত্বে ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপিত
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বিএনপির ত‍্যাগী নেতাকর্মীদের মূল‍্যায়ন করা খুবই জরুরি। অতিথি পাখি শুধুমাত্র শীতেই দেখা যায়

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

Manual4 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

Manual2 Ad Code

একটি রাজনৈতিক দল যখনই ক্ষমতায় আসে। তখনই সমাজের কিছু স্বচ্ছল লোকেরা এসে সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করে এবং তাতে তারা সফলও হয়ে যায় সবসময় । তখন চলে টাকার খেলা। একটি দল যখন ক্ষমতায় আসে, তখন এমপি মন্ত্রীদের সাথে কিন্তু আর সাক্ষাৎ করার সুযোগ ও পায় না প্রকৃত ত‍্যাগী নেতাকর্মীরা। আর তৃণমূলের কথা তো বাদই দিলাম। এর অনেক গুলো কারণ কিন্তু আছে। তার মধ‍্যে প্রধান কারণটা হচ্ছে। এমপি মন্ত্রীদের পিএস, এপিএস গুলো। এমপি মন্ত্রীরা কিন্তু তাদের পিএস, এপিএস কখনও তাদের দলের কাউকে করতে দেখিনি আমি । এমপি মন্ত্রীরা তাদের পিএস, এপিএস করে তাদের আত্মীয় নতুবা আত্মীয়র আত্মীয়। তাই পিএস, এপিএসরা সুযোগে টাকা কামানোর ধান্ধায় থাকে সবসময়। ধনী শ্রেণির লোক, এককথায় পয়সার মালিক লোকগুলোর সাথেই থাকে তাদের চলাচল । এই ধরুন ঠিকাদারি প্রতিষ্টানের মালিক বা ম‍্যানেজার, বিশেষ করে যাকে দিয়ে রুজি আছে, তাদের সাথেই পিএস, এপিএসরা ওরা সখ‍্যতা গড়ে তুলে।

Manual3 Ad Code

আর অন‍্যদিকে ত‍্যাগী নেতাকর্মীরা বারবার এমপি বা মন্ত্রীর অফিসে এসে বারবার সাক্ষাৎ করতে গিয়ে ব‍্যর্থ হন অনেকেই । পরে একটা সময় অভিমান করে করে অনেকেই দূরে সরে আসেন। যার ফলে একসময় দল যথেষ্ট দুর্বল হয়ে আসে। যখন চলে যাওয়া অভিমান করে দলের কর্মসূচিগুলোতে না আসার সংখ্যাটা বড়ো আকার ধারণ করে। আসুন খোঁজে বের করি, আসলে ত‍্যাগী নেতাকর্মী বলতে কাকে বুঝানো হয়। এরকম একটি বিষয় কিন্তু অনেকেই বুঝেন না। মূলত ত‍্যাগী নেতাকর্মী মধ‍্যবিত্ত ও নিম্ন মধ‍্যবিত্ত থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই আসল ত‍্যাগী নেতাকর্মী অর্থাৎ যারা দলের দুর্দিনে সবসময়ই পাশে ছিলো । আর ধনী শ্রেণির বা উচ্চ ধনী শ্রেণির নেতাকর্মীরা অনেকেই তারা ত‍্যাগী হন না। তারা সবসময় বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে চলেন। দল ক্ষমতায় আসলে তারা বনে যান বড়ো নেতা অথচ তারা কিন্তু দুর্দিনে মিছিল মিটিং এ খুব কমই যান আমার জানা মতে। অনেকেই যানই না।

তবে আমার জানা মতে, একটি দল ক্ষমতায় আসার পর। সেই দলের ত‍্যাগী নেতাকর্মীরা কখনও এমপি মন্ত্রীদের কাছে বা সরকারের কাছেই খুব বেশি একটা চাওয়া পাওয়া নেই। দল ক্ষমতায় আসার পর অনেকেই ভালো পদে কমিটির একটা পদ চায়। কেউ কেউ তাদের যোগ্য ছেলে বা মেয়ে থাকলে, সরকারি একটা চাকরি চায়। অনেক ত‍্যাগী বা জেল জুলুম সহ‍্য করা নেতাকর্মীরা মেম্বার চেয়ারম্যান হতে চায় । অথচ দল ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়,ত‍্যাগী নেতাকর্মীদের এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চাওয়া গুলো পূরণ করা সরকারের পক্ষে কোন ব‍্যাপারই না।

কথা থাকে যে, এখানে সমস্যা আরেক জায়গায়। সেটা হলো, সেই যে স্বচ্ছল নেতাগুলো, তখন ওরা কেউ কেউ হয়ে যান দালাল। হাইব্রীড এনে দল ভারী করে বসেন । অনেকেই স্বজনপ্রীতি করেন । আপন ভাই, ভাতিজা, নিকটবর্তী আত্মীয়স্বজন দিয়ে দলের কমিটি করাসহ অন‍্যান‍্য সুযোগ সুবিধা তারাই ভোগ করতে চায়। যার ফলে প্রকৃত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করার আর সুযোগ পায় না সরকার কোনভাবেই । এভাবেই একদিন দলের নেতাকর্মীরা ধীরে ধীরে দূরে সরে যায় আর তখনই দল দুর্বল হয়ে যায় ভোটের ময়দানে । অথবা রাজপথের মিছিল মিটিং এ।

Manual8 Ad Code

তবে এ কথাটি চির সত্যি। দলের ত‍্যাগী নেতাকর্মীরা দলের শক্তি ও দলের বল। এখনই সময় বিএনপির ত‍্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করার । তার জন্য দরকার ” ত‍্যাগী নেতাকর্মী মূল্যায়ন কমিটি ” গঠন করা খুবই জরুরি। যাদের কাজ হবে সরাসরি তৃণমূলের ত‍্যাগী নেতাকর্মীদের খোঁজে বের করে, তাদের কথা শোনা। তাদের দাবী দাওয়া যতটুকু সম্ভব পূরণ করা। কথা থাকে যে, যখন একটা দল রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকে। তখন কিন্তু অনেক কেন্দ্রীয় নেতাগণ খুবই ব‍্যস্ত থাকেন। এবং অনেক কেন্দ্রীয় নেতাদের অহংকার ও বেড়ে যায়। যার ফলে ত‍্যাগীরা সবসময় বঞ্চিত হয়, দলীয় সুযোগ সুবিধা থেকে। দলের বতর্মান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি । সারা দেশের সকল ত‍্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করুন। মূল্যায়ন কমিটির মাধ‍্যমে খোঁজে বের করার নির্দেশ প্রদান করুন। অন্তত একটি সঠিক তালিকা প্রণয়ন করলেও।দলের ভবিষ্যত আরো মজবুত হবে আরো উজ্জ্বল হবে। মনে রাখবেন হাইব্রীড তারা কিন্তু অতিথি পাখির মতো। অতিথি পাখি শীতেই ( সুদিনে ) দেখা যায়।

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক

Manual6 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code