শিরোনাম
সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের হয়রানী জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো ঢাকাকে সাজিয়ে তুলতে চান, প্রধানমন্ত্রী। তাহলে কি কি করতে হবে? প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ও শারীরিক মিলনের পর বিয়ের অস্বীকৃতি: ঝিনাইদহে মাদরাসা শিক্ষক আটক হবিগঞ্জ সমিতি সিলেটের বার্ষিক সাধারণ সভা ও বৃত্তি প্রদান..২০২৬ ইংরেজি ​তিতাসে ৩ দিনব্যাপী কাব ক্যাম্পুরী ও মহা তাঁবু জলসা সম্পন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি আল্লামা ইকবাল স্মরণ সভায় বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হলেন কবি মুখলেছ উদ্দিন  জগন্নাথপুরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন এমপি কয়ছর আহমেদ একটি সরকারের বিদেশনির্ভর ভাবনা, চীন সফরও জাপান সফরের প্রতিশ্রুতি, তোলা দুধে কি পোলা বাঁচে ? গুলশানে আমিন ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড কাইরোপ্র্যাকটিক সেন্টারের যাত্রা শুরু ​বরিশালের উজিরপুরে আরআরএফ এনজিও ভবনের ৬টি সিসি ক্যামেরা চুরি: মামলার ১নং আসামি গ্রেফতার
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো ঢাকাকে সাজিয়ে তুলতে চান, প্রধানমন্ত্রী। তাহলে কি কি করতে হবে?

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ৩৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

Manual6 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

বতর্মানে জাপান সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখান থেকেই তিনি ঘোষণা দিয়েছেন। জাপানের রাজধানী টোকিও র মতো সাজিয়ে তুলতে চান বাংলাদেশের প্রান প্রিয় তিন কোটি জনগণের বসবাসরত রাজধানী ঢাকাকে। যে ঢাকা শহরটা এককথায় বলতে গেলে বসবাসের অযোগ্য হয়ে আছে বর্তমানে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রায় নব্বই ভাগ বসবাসকারীই ভাড়াটিয়া। আমার জানামতে পৃথিবীর আর কোনো দেশের রাজধানীতে এতো পরিমাণ ভাড়াটিয়া নেই। এছাড়াও শহরটা গড়ে উঠেছে সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ভাবে।

Manual1 Ad Code

এই ঢাকা শহরটা সুন্দর করতে গেলে প্রথমেই যা করতে হবে। তা হলো :-
১. পরবর্তীতে আর কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ না করা। এককথায় দু তলার উপরে বাড়ি নির্মাণ করা যাবে না।
২. এক কোটিরও বেশি জনগণের জন‍্য ” নিরাপদ আশ্রয় ” নামে ঢাকাতে বসবাস করে যেমন গৃহহীন ভূমিহীন ভাসমান জনগণের জন‍্য পূনর্বাসন করতেই হবে। যেখানে তারা তাদের মতো স্বাধীনভাবে আয় রোজগার করে চলতে পারে। সেরকম জায়গা দেখে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতো লোক দেখানো পূনর্বাসন যেন না হয়।
৩. ঢাকা শহর থেকে যানজট কমিয়ে শূণ্যে আনতে হবে। তার জন‍্য যা দরকার।
ক) ক্লাব মি সি রোড স্থাপন করতে হবে। যে রোড থেকে প্রতি মাসে সরকার পাবে হাজার হাজার কোটি টাকা।
খ) ঢাকার চারপাশে “ফোর স্টার টার্মিনাল “তৈরি করতে হবে। যেখানে থাকবে সকল সুযোগ সুবিধা। এবং সরকারের বাৎসরিক আয় আসবে প্রায় আট হাজার কোটি টাকার সমান।
গ) ঢাকা শহরে পাবলিক বাস হবে সব দোতলা। কোন এক তলা পাবলিক বাস অটোরিকশা সিএনজি বাইক লেগুনাসহ এ জাতীয় যান চলাচল করা বন্ধ করতে হবে ধীরে ধীরে।
ঘ) ঢাকা শহর থেকে অসংখ্য প্রাইভেট ক্লিনিক শহরের পাশ্ববর্তী এলাকায় স্থানান্তর করতে হবে।
ঙ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সরিয়ে নিতে হবে উত্তরা অথবা গাজীপুর এলাকার সন্নিকটে।
চ) মোহাম্মদপুর মিরপুরসহ বিহারী ক‍্যাম্প গুলো সরিয়ে নিতে হবে, গাজীপুর মানিকগঞ্জ অথবা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে।
ছ) রাজধানী জনসংখ্যা জরিপ ব‍্যাংক নামে ব‍্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এবং ঢাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ী জনগণের পাক্কা জরিপ করতে হবে। যা শুরু হবে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে।
৪. মুল ঢাকা থেকে অসংখ্য নামি দামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকার আশেপাশে সরিয়ে দিতে হবে।
৫. বন্ধ করতে সক্ষম হতে হবে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( রাজউক ) এর দুর্নীতি। বন্ধ করতে হবে দুই সিটি করপোরেশনের লাগামহীন দুর্নীতি।
৬. হাউজিং বা মহল্লার মধ‍্যে আলাদা আলাদা শপিং শপ বা মার্কেট থাকবে। প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে দোকানপাট থাকবে না বন্ধ করতে হবে। কথা থাকে যে প্রতিটা হাউজিং মানেই আবাসিক আবাসন। অথচ ওরা সবাই কিন্তু লোভে পরে প্রায় প্রতিটি বাড়িতে দোকানপাট ক্লিনিক হাসপাতালের মতো বিজি প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দিয়ে রেখেছে। যাতে ঢাকার সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি নষ্ট হচ্ছে এই কারণে। এককথায় যে বাড়ি ভাড়ায় চালিত হচ্ছে। সেই বাড়ির সামনে বা সারা বাড়ি কর্মাশিয়াল ব‍্যবসার জন্য ভাড়া দিতে পারে না।
৮. ঢাকার চতুর পাশ্বে যে বেড়াবাঁধ রয়েছে। তার চারপাশ সম্পূর্ণ পরিস্কার করে রাখতে হবে।
৯. চকবাজার, বাংলাবাজার ও কাওরান বাজারসহ এরকম স্থান গুলো এখন আবাসিক করা উত্তম। সময় বদলেছে। সাথে সাথে অন‍্যকিছু করতেই হবে।
১০. ডাটাবেজ, বিশেষ করে অস্থায়ী বসবাসকারী ভাড়াটিয়াদের ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। এককথায় কর্মহীন কোনো লোকজন বিশেষ করে ঢাকা শহরে থাকতে পারবে না। শ্রমিক থেকে শুরু করে বেসরকারী চাকরি থাকতেই হবে।

কথা থাকে যে, ঢাকা শহর কিন্তু এখন ছিনতাইকারী চোর ডাকাত ও ফেরারি আসামীদের অভয়ারুণ‍্য । উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত। ঢাকাকে টোকিওর মতো করা দূরে থাক। বসুন্ধরা সিটির মতো করাও সম্ভব হবে না। জাপানের রাজধানী টোকিওতে বসে স্বপ্ন দেখলেই ঢাকা শহর উন্নত হবে না। প্রায় চার যুগের অগোছালো শহরটাকে একযোগেরও বেশি সময় লাগবে উন্নত শহরের মতো রূপ দিতে। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সাধুবাদ জানাচ্ছি এই জন‍্য যে, টোকিও শহরের মতো ঢাকাকে সাজানোর পরিকল্পনা করছেন। যার জন্য দেশের তথা ঢাকার সকল নাগরিকদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জাপান সফর সফল হোক।

Manual2 Ad Code

অথই নূরুল আমিন
প্রধান মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং।

Manual6 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code