শিরোনাম
*কাশিমপুরে চাঁদাবাজ-ভূমি দালাল কুদ্দুস গ্রেফতার, প্রেসক্লাব সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় মামলা* স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে নারীর অনশন, আত্মহত্যার হুমকি তালাশ টিমের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের বিরুদ্ধে ক্যান্সার গবেষক অধ্যক্ষ ডা. এস এম সরওয়ারের সংবাদ সম্মেলন ও তীব্র প্রতিবাদ তাড়াইলে যুবকের আত্মহত্যা, চিরকুটে প্রেমিকা ও পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জনগণের দুয়ারে গিয়ে উন্নয়ন করতে চান এমপি ফয়সল ছাতকে ব্যবসায়ীর বাড়ি দু:সাহসিক চুরি, ৬ লাখ টাকার মালামাল লুট জগন্নাথপুরে নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণে কর্মশালা চিকিৎসা সেবা ও সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মাননা পদক পাচ্ছেন ডাঃ ইভা হামিদ মৌলভীবাজার নতুন কালীবাড়িতে দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটি গঠন ময়মনসিংহ ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক নেতা থেকে তাড়াইল উপজেলা জাতীয় যুবশক্তির কমিটিতে মাহমুদুল হাসান লিয়ন
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সাতক্ষীরা উপকূলে সুপেয় পানির জন্য হা-হা-কার

Coder Boss / ৪১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২

Manual8 Ad Code

শেখ অাবুমুছা সাতক্ষীরা ঃ

উপকূলের চারদিকে পানি আর পানি গ্রীস্মের শুরুতে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। বেড়িবাঁধ ভেঙে পুকুরের পানি নষ্ট হয়ে যাওয়া ও ফিল্টারগুলো অকেজো হয়ে পড়ায় ব্যাহত হয়ে পড়েছে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ। বেঁচে থাকার তাগিদে দূষিত পানি পান করায় পেটের পীড়াসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন স্থানীয়রা এলাকাবাসীর দাবী উপকূল অঞ্চলের মানুষদের বাঁচাতে সরকারিভাবে তৈরি করা হোক বড় ধরনের জলাধার বা পানির প্লান্ট।
২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার তান্ডবের পর থেকে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দিয়েছিলো শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলা জুড়ে। তীব্র জলোচ্ছ্বাসের কারণে নষ্ট হয়ে যায় পানির উৎস। বিকল্প বেঁচে থাকার তাগিদে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও পুকুরের পানি ফিল্টারিং করে ব্যবহার করতেন স্থানীয়রা। তবে অধিকাংশ পিএসএফ অকেজো হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েন উপকূলবাসী।
প্রতিদিন পায়ে হেটে উপকূল ৬-৮কি: মি: দুর বিশুদ্ধ খাওয়ার পানি সংগ্রহ করতে যেতে হয় এ অঞ্চলের মহিলাদের এতেই ক্লান্ত হয়ে পড়তে হয় তাদের। এক কলস পানি আনতে যেয়ে একবেলাই কেটে যায় তাদের। ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পানি সংগ্রহ করা উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগবাসীর নিত্যদিনের ঘটনা। মাঝে মাঝে বে-সরকারি একটি সংস্থার সরবরাহ করা জারের পানির উপরে ভরসা করে থাকতে হয় উপকূলবাসীর।
ভেটখালি গ্রামের জোহরা বেগম বলেন, আমাদের পরিবারে খাবার চাহিদা মেটাতে ৭-৮ মাইল পায়ে হেটে পানি আনতে যেতে হয়। সেখানে গিয়ে ঘন্টা কি ঘন্টা লাইনে দাঁড়াতে হয় খুব কষ্ট হয়ে যায় পানি আনতে। অনেক সময় জন কামায় করে সারদিন এক কলস পানির জন্য দাঁড়ায় থাকতে হয়।
সুন্দরবন গ্রামের আমেনা খাতুন বলেন, মাটির পাত্রে পানির বোতলে বৃষ্টি পানি সংগ্রহ করে ২-৩ মাস ধরে খেয়ে থাকি তবে এখন বৃষ্টি না হওয়ায় দূর থেকে পানি আনতে হয়।
গাবুরা ইউনিয়নের ছাত্তার গাজী বলেন, চারিদিকে চোখ যায় পানি আর পানি তবে খাওয়ার পানি না! ড্রামে করে নদীর ওপার থেকে নৌকা ভাড়া করে খাবার পানি আনতে হয়। মাঝে মাঝে মানুষের টাকা দিয়ে পানি আনায় নিতে হয়।

শুধু পানি সংগ্রহেই প্রচুর শ্রমঘন্টা ব্যয় হচ্ছে উপকূলের নারী পুরুষদের। নোংরা পানিতে গোসল করায় স্বাস্থ্য সংকটে অনেকেই। ভুক্তভোগীদের দাবী, সুপেয় পানি সমস্যার স্থায়ী সমাধানের।

Manual7 Ad Code

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান জানালেন, সুপেয় পানির সংকট নিরসনে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে। বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে সরকারি ও বেসরকারি ভাবে পানির ট্যাংকি প্রদান করা হয়েছে। যেসব এলাকার গভীর নলকূপ থেকে লোনা পানি উঠে সেসব এলাকায় পুকুর কেটে সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual5 Ad Code

এ দিকে সুপেয় খাবার পানির সংকট সমাধানের জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা পরিষদ।

সাতক্ষীরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম, আমরা সুপেয় পানির সংকটে কাজ করে যাচ্ছি। গভীর ও অগভীর নলকুপ স্থাপন করছি। রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং প্লান্ট স্থাপন করছি। আইরন ও আর্সেনিক দূরিকরণেও আমরা কাজ করছি। আশা করি অচিরেই সুপেয় খাবার পানি সংকট দূর হবে।

Manual8 Ad Code

উপকূলীয় এলাকার পুকুরগুলোকে পুন:খনন করে কাটা তারের বেড়া দিয়ে সুপেয় পানি নিশ্চিত করা হচ্ছে দাবী স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো.নজরুল ইসলাম জানান, জেলার ৬৩ ভাগ মানুষ সূপেয় পানি পাচ্ছে,সরকারিভাবে এ তথ্য দেওয়া হলেও সুপেয় পানি পান করতে পারছেননা ৫০ ভাগের বেশী মানুষ। সংস্কারের অভাবে উপকুলীয় এলাকায় সরকারিভাবে বসানো ৬শ’ ৫০টি পিএসএফের অধিকাংশ অকেজো হয়ে আছে। জেলা পরিষদের ৭৩টি পুকুর পুনঃখনন করে কাটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে সুপেয় পানি নিশ্চিতকরনে। এছাড়া ১৫ হাজার গভীর নলকূপ,৮ হাজার রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টারসহ ৪২ হাজার পানির উৎস চলমান রয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন এনজিও-র’ মাধ্যমে প্রতিটি পারিবারে মাঝে পানির ট্যাংক বিতরণ করা হচ্ছে।

Manual2 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code