শিরোনাম
যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বিএনপি অফিসের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের নামে ল্যাপটপ চুরি চার্জ পুলিশের চার্জশিট নেই অন্যের পরিচয়ে ডিজিটাল প্রতারণা: প্রযুক্তির আড়ালে অপরাধ, নীরব শিকার সমাজ অনলাইন হেনস্তা ও নারীর ন্যায়বিচারের সংকট মদনের মাটি ও মানুষের দুই জোড়া আলোকবর্তিকা: আমাদের প্রেরণা, আমাদের অহংকার সরকার রাষ্ট্র চালাতে অযোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে, কাজের কাজ হচ্ছে না, জামায়াত – এনসিপি মুখে মুখে আজাদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচি: খাদিমপাড়ায় মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি ঘিলাছড়া গ্রামের কিছু লোক কর্তৃক ​ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামবাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের হয়রানী জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো ঢাকাকে সাজিয়ে তুলতে চান, প্রধানমন্ত্রী। তাহলে কি কি করতে হবে?
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বরগুনার আমতলী পশুর হাটে বিক্রেতাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে চাদা নেয়ার অভিযোগ

হাফিজুর রহমান / ১৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৪

Manual5 Ad Code

বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ

বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলায় গরুর বাজারে চলছে অন্যায় ভাবে চাঁদের গ্রহণ। সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে বিক্রেতার কাছ থেকে চাদা নেয়ার অভিযোগ উঠে। প্রতি বুধবার এই বাজার বসে। বাজারের দিন গড়ে ৫০০ শতাধিক গরু বিক্রি হয় এই বাজারে। স্থানীয় একাধিক গরু বিক্রেতারা অভিযোগ করেছেন মেমোর বাহিরে বলদ গরু প্রতি ২০০ টাকা এবং গাভী গরু প্রতি ৩০০ টাকা করে চাদা নেওয়া হয়।চাঁদার টাকা কেন নেওয়া হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাদেরকে বলা হয় মসজিদ উন্নয়নের জন্য এবং গরুর মাঠ পরিষ্কার করার জন্য এই টাকা নেওয়া হয়। মেমো বই চেক করে দেখা যায় বিভিন্ন এমাউন্টের মেমো। কোনটা ১০০০,১২০০,১৫০০ ২০০০ টাকা এরকম হারে নিচ্ছে। যে সমস্ত পাইকার একাধিক গরু কিনে তাদের ক্ষেত্রে গরু-প্রতি ৬০০ টাকা বা ৭০০ টাকা হারে নেওয়া হয়।

বেল্লাল নামের বিক্রেতা বলেন, একটা বাছুরসহ গাই গরু বিক্রি করেছি আমার কাছ থেকে রশিদ না নিয়ে ৩০০ টাকা চাদা নিয়েছে।

Manual3 Ad Code

বরগুনার পুরাকাটা থেকে আসা মনির নামের একজন বিক্রেতা বলেন,এখানে গরু বিক্রি করতে আসলে গরু প্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে অতিরিক্ত চাঁদা দিতে হয়।

বাজার ইজারাদার মোতাহার মৃধা।তিনি দলীয় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। সাথে কথা বললে তিনি বলেন,ভ্যাট এবং কর দিতে হয় তিনি দক্ষিণ বঙ্গ জেলা প্রতিনিধিকে বলেন আপনি রিপোর্ট করে দেন যারা ইজাড়া দিয়েছে এটা তারা বুঝবে।

এ বিষয়ে পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মামুন বলেন,রিসিভের বাহিরে অতিরিক্ত কোন চাঁদা নেওয়ার কোন অপশন নেই।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, এমন কোন অভিযোগ আগে পাইনি,মেমোর অতিরিক্ত ২০০ বা ৩০০ টাকা নেওয়ার কোন অপশন নেই বিষয়টি আমরা অতি গুরুত্ব সহকারে দেখবো।

Manual8 Ad Code

এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন,এরকম কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Manual8 Ad Code

বাজারের গরু বিক্রেতাদের প্রত্যাশা তারা যাতে চাদা দেওয়ার থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে এইজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে।

Manual7 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code