শিরোনাম
কুমিল্লার বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলা–এ দীর্ঘ এক দশক পর গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে হজের গুরুত্ব ও ফজিলত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী তাড়াইলে জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক চাঁন মিয়ার মৃত্যুতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাতকে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ছেলের দায়ের কূপে পিতা সহ আহত ১০ জন বানারীপাড়ায় সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে ২টায়  মাদ্রাসা ছুটি, শিক্ষার্থীর সংকটে সোনাহার মাদ্রাসা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নোংরা খেলায় বারবার টার্গেট করা হচ্ছে শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া ত্যাগী নেতাকর্মীদের! “আমরা জাতে সবাই বাঙালি এক‍ মতে কিন্তু কাঙালী “ MR Campaign: শ্রীমঙ্গলে এমআর (হাম-রুবেলা) ক্যাম্পেইন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ​বানারীপাড়ায় পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় যুবক অসুস্থঃ ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় শ্রমিক দল নেতার বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজি’র অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

কুমিল্লার বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলা–এ দীর্ঘ এক দশক পর গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

Manual8 Ad Code

সিলেট নিউজ ডেস্ক :

Manual3 Ad Code

কুমিল্লার বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলা–এ দীর্ঘ এক দশক পর গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। প্রথমবারের মতো এই মামলায় একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম হাফিজুর রহমান। তিনি ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তনু হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেন। পরে তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কুমিল্লা সদর আদালতে হাজির করা হয়। তদন্তের স্বার্থে পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু। পরবর্তীতে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের নিকটবর্তী একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তের শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন ও জটিলতা তৈরি হয়। ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল ও ১২ জুন প্রকাশিত দুই দফা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তনুর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের মে মাসে সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় তনুর পোশাক থেকে তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর আলামত পাওয়া যায়। একই বছরের অক্টোবর মাসে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরে স্থবির থাকা এই মামলায় সাম্প্রতিক গ্রেপ্তার নতুন করে তদন্তে গতি সঞ্চার করবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা। এখন রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখনো প্রমাণিত নয়।

Manual8 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code