কবিতা
বন্যার কারণে পথের ভিখারি
চারণ কবি মুকলেছ উদ্দিন
হাসির হাটে কান্না এ কোন ঘটনা
যা কখনো বিশ্বাস করা যায় না।
গল্প নয় কবিতা নয় উপন্যাসও না
প্রত্যক্ষদর্শীর চোখেই পানির ঝরনা
বলছি পরিবারের কেউ অসুস্থ নয়
নাই কোন সন্ত্রাসীর উপদ্রব ভয়।
তার চাইতেও ভয়াবহ কান্ড ঘটেছে
তিনি ভাবছে যিনি স্বচক্ষে দেখেছে
হাড়ভাঙ্গা কাটুনি ঝরছে গায়ের ঘাম
ছয়টি মাস তারা করেছে কত সংগ্রাম
কষ্টের পরও যেন আনন্দ উল্লাস করছে
ভাবছে সামনে তাদের সুখের সুদিন আসছে।
হায়রে কপাল বিধির বিধানে লিখন
চিরন্তন সত্য কখনো হয় না খণ্ডন।
শোনা যায় বন্যার্তদের করুন কান্না কেউ এদের সান্ত্বনা দিতে পারছেনা
তাদের যত আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল
এই বন্যায় সব ভাসিয়ে নিয়ে গেল।
যার পাকা ধান ক্ষেত সব পানিতে তলিয়ে গেছে
এই কৃষক পানিতে পড়ে চিৎকার করে কাঁদছে।
কষ্ট করে কেটে কুটে যা বাড়িতে আনছে
তাও রোদের অভাবে পচে গলে যাচ্ছে
এই মুহূর্তে তাদের কি হবে উপায়
তাদের খেয়ে পরে বাচাই বড় দায়।
এই মদন মোহনগঞ্জ খালিয়াজুরী বন্যার কারণে আজ অনেকে ভিখিরী।