শিরোনাম
যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বিএনপি অফিসের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের নামে ল্যাপটপ চুরি চার্জ পুলিশের চার্জশিট নেই অন্যের পরিচয়ে ডিজিটাল প্রতারণা: প্রযুক্তির আড়ালে অপরাধ, নীরব শিকার সমাজ অনলাইন হেনস্তা ও নারীর ন্যায়বিচারের সংকট মদনের মাটি ও মানুষের দুই জোড়া আলোকবর্তিকা: আমাদের প্রেরণা, আমাদের অহংকার সরকার রাষ্ট্র চালাতে অযোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে, কাজের কাজ হচ্ছে না, জামায়াত – এনসিপি মুখে মুখে আজাদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচি: খাদিমপাড়ায় মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি ঘিলাছড়া গ্রামের কিছু লোক কর্তৃক ​ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামবাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের হয়রানী জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো ঢাকাকে সাজিয়ে তুলতে চান, প্রধানমন্ত্রী। তাহলে কি কি করতে হবে?
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

জগন্নাথপুরের আলোচিত সাড়ে ৩ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় ইয়াকুব ও তার ভাই ইসমাইল জেল হাজতে

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

Manual3 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জগন্নাথপুরের বহুল আলোচিত সাড়ে ৩ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় ইয়াকুব ও তার ভাই ইসমাইলকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন আদালত- এর আগে সি আইডি তদন্ত রিপোর্ট গতকাল ৮ জুলাই আদালতে দাখিল করেন।
আজ ৯ জুলাই তারা দুই ভাই কোর্টে হাজিরা দিতে গেলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।
আসামী ইয়াকুব ও তার ভাই ইসমাইল জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গোয়ালগাও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।

Manual8 Ad Code

মামলাটি তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি তুলে ধরে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মামলার অন্যতম আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এনামুল হাসানের দুই ভাই ইয়াকুব ও ইসমাইলের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে এলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের অভিযোগপত্রে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি।

Manual2 Ad Code

ফৌজদারি রিভিশন মামলা নং-৮৮/২০২০-এর রায়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর জগন্নাথপুর থানার জি.আর. মামলা নং-৭৭/২০১৯-এ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের ৪ নভেম্বর ২০২০ সালের আদেশ বাতিল করেন। একই সঙ্গে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, মামলার আসামি হাফিজ কামরুল ইসলাম ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থের বিষয়ে এনামুল হাসানের ভাই ইসমাইল ও ইয়াকুব অবগত ছিলেন। আদালতের মতে, এই তথ্য তদন্তে উঠে আসার পরও তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি।

Manual7 Ad Code

আদালত আরও বলেন, মামলার অভিযোগের প্রকৃতি বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারার পাশাপাশি ১০৯ ধারা সংযুক্ত করার বিষয়টিও তদন্তকারী কর্মকর্তা বিবেচনা করেননি। এছাড়া আত্মসাৎ হওয়া প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার কোনো অংশ উদ্ধার না হওয়া এবং সেই অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ থাকা জমির দলিল আলামত হিসেবে জব্দ না করাকেও তদন্তের দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী মাওলানা ইমরান আহমদ অভিযোগ করেন, অলৌকিকভাবে বিপুল অর্থ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। তদন্ত শেষে পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করলে তিনি নারাজি আবেদন করেন। পরে সেই আবেদন খারিজ হলে তিনি দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়ের করেন।

সব দিক বিবেচনা করে আদালত মন্তব্য করেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন। সেই কারণে নিম্ন আদালতের পূর্বের আদেশ বাতিল করে সিআইডিকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।

Manual1 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code