শিরোনাম
কারিনা কায়সারের মৃত্যু: মানবতার আয়নায় এক নির্মম বাস্তবতা কবিতা: বিশ্ব মুসলিম নির্যাতন কবে হবে নিরসন শিশুকে জোর করে মোটা-তাজা করার নামে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে এক মাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে গৃহবধূ রিনা আক্তারের বালুচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা পিবিআই মাত্র ১৯ বছর বয়সে একজন কিশোরীর বই-খাতা আর স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে বয়সেই ভালোবাসার টানে গড়েছিলেন সংসার রাকিব-তামিমা-নাসির ইস্যু: ১০ জুনের রায়ের অপেক্ষায় সবাই অসুস্থ: ইসলামি চিন্তাবিদ হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী,দোয়া চাইলেন এম এ হোসেইন, ইউকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেলে দালাল ও চোর চক্র খাদিজার দৌরাত্ম্য বেপরোয়া বিলুপ্ত ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিই আজকের ডিপ স্টেট সোসাইটি। জনগণকে শোষণ করা হচ্ছে ইচ্ছে মতো শরীয়তপুরে স্বামী হত্যার পর মরদেহ টুকরো করার অভিযোগে স্ত্রী আটক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বড়লেখায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন।

Coder Boss / ৮৫১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০

Manual1 Ad Code

আতিকুর রহমান,বড়লেখা।

Manual8 Ad Code

মৌলভীবাজারের বড়লেখার তালিমপুর ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন। আহত প্রেমিকাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুজনের বাড়ি একই ইউনিয়নে। বাড়িতে যাওয়া-আসার সুবাধেই প্রেমিকার সাথে পরিচয় হয় প্রেমিকের। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমিক কথা দিয়েছিলেন প্রেমিকাকে বিয়ে করে ঘরে তুলবেন। প্রেমিকের আশ্বাস পেয়ে প্রেমিকা তার সাথে শারীরিক সম্পর্কেও জড়িয়েছিলেন। কিন্তু শেষমেষ কথা রাখেননি প্রেমিক। উল্টো এখন শারীরিক সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে প্রেমিকা ও তার বাবাকে হুমকি দিচ্ছেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল উঠেপড়ে লেগেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তাই বাধ্য হয়ে প্রেমিকা বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেন। টানা ১৯ ঘন্টা অনশন করে প্রেমিকের বাড়িতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রেমিকা। অনশনকালে প্রেমিকের পরিবার তাকে নির্যাতন করেছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে।

Manual2 Ad Code

বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের মুর্শিবাদকুরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গত বুধবার বিকেল ৩টা থেকে বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) সকাল ৯টায় পর্যন্ত প্রেমিকের বাড়িতে টানা ১৯ ঘন্টা অনশন করে অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রেমিকা নাজমিন বেগম (১৮)। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন ও গ্রাম পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করেন। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেমিকা নাজমিন বেগম প্রেমিক কালন মিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের মুর্শিবাদকুরা গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে কালন মিয়া প্রায়ই পাশের খুটাউরা গ্রামের তাজ উদ্দিনের বাড়িতে যাওয়া-আসা করতেন। সেই সুবাধেই তাজ উদ্দিনের মেয়ে নাজমিন বেগমের সঙ্গে প্রায় ৬-৭ মাস পূর্বে তার পরিচয় হয়। এরপর থেকে কালন মিয়া নাজমিনের বাবার মুঠোফোনে কল দিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৩১ মার্চ নাজমিনের বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন না। এই সুযোগে রাতে কালন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক নাজমিনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এরপর থেকে মেয়েটি বিয়ের জন্য কালনকে চাপ দিলে সে নানা টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে সে নাজমিনকে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। পরে নাজমিন বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানালে তারা বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার লোকজনদের জানান। এরপর তারা বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দেন। গত ১৫ মে দুই পরিবারের অভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার লোকজন সালিস বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত হয়, প্রেমিক কালন তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ঘরে তুলে নেবেন। এরপর দুদিন সময় চেয়ে নেন কালন মিয়া ও তার পরিবার। পরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ইন্ধনে কালন মিয়া ও তার পরিবার নানা টালবাহানা শুরু  করে উল্টো নাজমিন ও তার বাবাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই অবস্থায় ন্যায় বিচার চেয়ে গত ৮ জুন নাজমিন বেগম তালিমপুর ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুন তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান দুইপক্ষের লোকজনকে ডেকে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু কালনের পরিবার না মানায় শেষ পর্যন্ত তা আর সমাধান হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে নাজমিন গতকাল বুধবার (০১ জুলাই) বিকেলে ৩টায় প্রেমিক কালন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান নেয়।

Manual6 Ad Code

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালে গেলে নাজমিন বেগম বলেন, ‘কালনের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে আমার প্রেমের সর্ম্পক রয়েছে। সে আমাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছে। আমি বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় সে নানা টালবাহানা শুরু করেছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও পরে বিয়েতে রাজি হয়নি। শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টিও এখন অস্বীকার করছে। তাই আামি বাধ্য হয়ে তাঁর (প্রেমিক) বাড়িতে অবস্থার করেছি। এখন তাঁর আত্মীয়-স্বজনরা আমাকে মারধর করছেন। তাঁর বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইছেন। মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। এখন যদি সে (প্রেমিক) আমাকে বিয়ে না করে তবে আমি তাঁর বাড়িতেই আত্মহত্যা করবো।’

তালিমপুর ইউপির চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস বলেন, উভয় পক্ষের কথা শুনে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। বিষয়টি আপোসে মীমাংসা করার জন্য উভয়পক্ষই রাজি হন। কালন মিয়া নাজমিনকে স্ত্রী হিসেবে মর্যাদা দেবেন বলে তিনদিন সময় নেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কালনের পরিবার না মানায় তা আর সমাধান হয়নি।  বুধবার বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে নাজমিনের অবস্থানের ও আত্মহত্যার হুমকির খবর পেয়ে রাতে তিনি দুইজন গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে পাহারা দিয়েছেন, যাতে মেয়েটি কোন দুর্ঘটনা না ঘটায়। সকালে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুনেছি আহত নাজমিন বেগম এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) বিকেলে বলেন, ঘটনাটি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual7 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code