শিরোনাম
হলি আর্টিজান হামলার ৬ বছর;হয়নি মামলার নিষ্পত্তি। বিশিষ্ট শিল্পপতি জনাব আবু উল রশীদ এর পক্ষথেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয় লোভ-হিংসা ও সংকির্ণ মনোভাবের ঊর্ধ্বে ওঠে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে ——-সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী মাধবপুরে কৃষ্ণপুরের ব্রিজটি না হওয়াতে বিকল্প কাঠের সেতু তৈরী করে যানচলাচলে উপযোগী করছেন এলাকাবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আজাদ মিয়া ফরুকের পরিবারের পক্ষ থেকে ত্রান বিতরণ মৌলভীবাজার সমিতি সিলেট এর ত্রান ও নগদ অর্থ বিতরন বৃষ্টির মধ্যেও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন ইউ.কে প্রবাসী আলাউদ্দিনের পরিবার শাল্লা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ। ‘ভারত বাংলাদেশের কল্যাণ চায় না’-অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ। সুবর্ণচরে ব্যবসায়ীর চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে করোনার সময়েও থেমে থাকেনি বিয়ে।

Coder Boss / ৪০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০

 

এইচ অার রুবেল বিশেষ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে করোনা সময়েও বিয়ের ধুম পড়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচার জন্য সরকার জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছে। সীমিত পরিসরে অফিস, আদালত, দোকানপাট খোলা থাকছে। স্বাভাবিক সময়ে বিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে বা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজন করে হোক, ব্যাপক পরিসরে দাওয়াত দিয়ে বরভাত ও বউভাত করা হয়। এবার করোনার কারণে তেমন লোকসমাগম করা না হলেও থেমে নেই চুপিসারে বিয়ে।

দেখা গেছে, শায়েস্তাগঞ্জে করোনার এই সময়ে বিয়ের ঘটনা বেশি ঘটছে। তবে এখনকার বিয়েগুলো ভিন্নরকম। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে বিয়ে করার জন্য নেই বিয়ের গাড়িতে সাজসজ্জা। বর বিয়ে করতে যাচ্ছেন বিয়ের পোশাক বা শেরওয়ানী ছাড়াই।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বেশ কিছু জায়গায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, সকাল ৬টায় বরপক্ষ কনের বাড়িতে গিয়ে হাজির হচ্ছেন। এক-দুই ঘন্টা সেখানে অবস্থান করে বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বউ নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এই করোনাকালে বিয়ে বেশ ঝুঁকিপুর্ণ হলেও বরপক্ষ ও কনেপক্ষ সবাই বেশ খুশি। কারণ এখনকার বিয়েতে আগের তুলনায় খরচপাতি অনেক কম। তাই এই কঠিন সময়কে কাজে লাগিয়ে উপযুক্ত চুপিসারে বিয়ে দিয়ে নিজের দ্বায়বদ্ধতা সারছেন অভিবাবকরা।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ কাজী সমিতির সভাপতি ও শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কাজী আব্দুল জলিল বলেন, নির্দিষ্ট করে কতগুলো বিয়ে হয়েছে বলতে পারব না। সর্বপরিসরে যতগুলো বিয়ে হয় সেগুলোতে আমি যাই।

এই সংকটকালে বিয়ে করার ব্যাপারে সরকারি কোনো নির্দেশনা আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে সর্বাধিক ২৫ জন লোকসমাগম করে বিয়ে করানো যাবে বলে আমাদেরকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেন জানান, বিয়ের ব্যাপারে সরকারি কোনো নির্দেশনা আছে কি-না আমার জানা নেই। কাউকে না জানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে বিয়ে করানো হলে আমাদের কী করার আছে? তবে অনুষ্ঠান করে কোথাও বিয়ে করানোর খবর পেলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন