শিরোনাম
আমরা ও একদিন মরে যাবো ! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ​তিতাসে অসহায় বৃদ্ধা মজিদা খাতুনকে মারধর করে ঘরছাড়া করলেন আপন ছেলে-বউ! তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টে পাসপোর্ট যাচাইয়ের সময় আটক হন কামাল চেয়ারম্যান এমপি মিলনের সফরসঙ্গী হয়ে দেশে ফিরলেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল বাসির সিলেটে ঝোপের মধ্যে পড়ে ছিল বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, উদ্ধার করল এসআরবি-৯ রংপুরে আ.লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিকনাগুলে মসদ্দর আলীর পক্ষে যুবসমাজের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা, বিএনপির মনোনয়ন দাবি মাকসুদা বেগম হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হলেন এইচ আর রুবেল
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

কেশবপুরে বুড়িভদ্রা নদীর পাড়ে বিধবা পরিবারের বসবাস

Coder Boss / ৪২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০

Manual6 Ad Code

 

মোঃ রাকিবুল হাসান সুমন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। বহু নদ-নদীর পাড়ে ভূমিহীনরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে ৷ তারই ধারাবাহিকতায় কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের উপর দিয়ে বুড়িভদ্রা নদী বয়ে গেছে ৷ নদীর পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন আরতী বিশ্বাস ৷ মহামারী করোনার সময় কালে মানবিক জীবনযাপন করে আসছে তিনি ৷ গতবছর ২০১৯ সালের মার্চ মাসে স্বামী হারিয়েছে। তার স্বামী পেশায় একজন মাঝি ছিলেন। বর্তমানে স্বামীহারা বিধবা মা দুই পুত্রসন্তানকে নিয়ে অসহায় ভাবে জীবনযাপন করছেন ৷

Manual5 Ad Code

কেশবপুর উপজেলার মঙ্গল কোট ইউনিয়নের পাঁচারই প্রথমিক বিদ্যালয়ের পাশে বুড়িভদ্রা নদীর পাশে ছোট্র একটা ঘর। একটি ঘরে দুই ছেলে নিয়ে বসবাস তার। নিজের জমি বলতে কিছু নায় তাদের। বড় ছেলে তিতুমীর কলেজ থেকে পাশ করে ঢাকার একটি প্রাইভেট স্কুলে চাকরি করতে । করোনার কারনে ঢাকা থেকে ফিরে এসেছেন তিনি। ছোট ছেলে অন্যের জমিতে জন কৃষি ডিপ্লোমা পড়ছেন। করোনা, অতি বৃষ্টিতে কাজ নেয়।

Manual8 Ad Code

সরেজমিন গিয়ে আরতী বিশ্বাসের সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিককে জানান, স্বামীর সাথে বিগত ত্রিশ বছর যাবৎ নদীর পাড়ে বসবাস করে আসছি । স্বামীর অনেক স্মৃতি বিজড়িত এই কাঁচা ঘরটিরর মাঝে। নিজস্ব বলে আমাদের কোন জমি নেই? দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই সরকারি জমির উপরে বসবাস করে আসছি ৷ দুই ছেলে নিয়ে অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করছি ৷ শত কষ্টের মাঝে থেকেও ছেলেদের শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছই ৷ সরকারি অনুদান বলতে দশ টাকার চালের কার্ড আছে। মাঝে মধ্যে ৫নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ব্যাক্তিগত ভাবে সাহায্য করেন ৷ ভূমিহীন হিসেবে এক টুকরো জমি পেতে সরকারের কাছে আকুল দাবী করেছেন ৷

Manual6 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code