শিরোনাম
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য ও হাম প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ দাবি জনতার দলের ​বানারীপাড়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ক সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিশু রামিসা হত্যা: নৃশংস ঘটনায় দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সাহেরা হোসেন এর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বানারীপাড়ায় দায়সারা ‘ভূমি সপ্তাহ’: সাড়ে এগারো পর্যন্ত এসিল্যান্ড অনুপস্থিত, সেবাগ্রহীতাদের বদলে স্কুল শিক্ষার্থী দিয়ে অনুষ্ঠান পার! কারিনা কায়সারের মৃত্যু: মানবতার আয়নায় এক নির্মম বাস্তবতা কবিতা: বিশ্ব মুসলিম নির্যাতন কবে হবে নিরসন শিশুকে জোর করে মোটা-তাজা করার নামে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে এক মাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে গৃহবধূ রিনা আক্তারের বালুচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা পিবিআই মাত্র ১৯ বছর বয়সে একজন কিশোরীর বই-খাতা আর স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে বয়সেই ভালোবাসার টানে গড়েছিলেন সংসার
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

কেশবপুরে বুড়িভদ্রা নদীর পাড়ে বিধবা পরিবারের বসবাস

Coder Boss / ৩৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০

Manual7 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

মোঃ রাকিবুল হাসান সুমন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। বহু নদ-নদীর পাড়ে ভূমিহীনরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে ৷ তারই ধারাবাহিকতায় কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের উপর দিয়ে বুড়িভদ্রা নদী বয়ে গেছে ৷ নদীর পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন আরতী বিশ্বাস ৷ মহামারী করোনার সময় কালে মানবিক জীবনযাপন করে আসছে তিনি ৷ গতবছর ২০১৯ সালের মার্চ মাসে স্বামী হারিয়েছে। তার স্বামী পেশায় একজন মাঝি ছিলেন। বর্তমানে স্বামীহারা বিধবা মা দুই পুত্রসন্তানকে নিয়ে অসহায় ভাবে জীবনযাপন করছেন ৷

Manual6 Ad Code

কেশবপুর উপজেলার মঙ্গল কোট ইউনিয়নের পাঁচারই প্রথমিক বিদ্যালয়ের পাশে বুড়িভদ্রা নদীর পাশে ছোট্র একটা ঘর। একটি ঘরে দুই ছেলে নিয়ে বসবাস তার। নিজের জমি বলতে কিছু নায় তাদের। বড় ছেলে তিতুমীর কলেজ থেকে পাশ করে ঢাকার একটি প্রাইভেট স্কুলে চাকরি করতে । করোনার কারনে ঢাকা থেকে ফিরে এসেছেন তিনি। ছোট ছেলে অন্যের জমিতে জন কৃষি ডিপ্লোমা পড়ছেন। করোনা, অতি বৃষ্টিতে কাজ নেয়।

Manual2 Ad Code

সরেজমিন গিয়ে আরতী বিশ্বাসের সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিককে জানান, স্বামীর সাথে বিগত ত্রিশ বছর যাবৎ নদীর পাড়ে বসবাস করে আসছি । স্বামীর অনেক স্মৃতি বিজড়িত এই কাঁচা ঘরটিরর মাঝে। নিজস্ব বলে আমাদের কোন জমি নেই? দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই সরকারি জমির উপরে বসবাস করে আসছি ৷ দুই ছেলে নিয়ে অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করছি ৷ শত কষ্টের মাঝে থেকেও ছেলেদের শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছই ৷ সরকারি অনুদান বলতে দশ টাকার চালের কার্ড আছে। মাঝে মধ্যে ৫নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ব্যাক্তিগত ভাবে সাহায্য করেন ৷ ভূমিহীন হিসেবে এক টুকরো জমি পেতে সরকারের কাছে আকুল দাবী করেছেন ৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code