শিরোনাম
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১২:২১ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বড়লেখায় ট্রিপল মার্ডারের আরও দুই আসামি গ্রেফতার

Coder Boss / ২৫১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২০

 

এম. এম আতিকুর রহমান

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলার আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতারকৃতরা হলো ঐ মামলার এজাহারভুক্ত ১ নং আসামি শরাফত আলী ও ২ নং আসামি মারফত আলী।

৬ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে তাদের গ্রেফতার করে বড়লেখা আদালতে সোপর্দ করা হয়। এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র মৌলভীবাজার কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দাস মামলার মূলরহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বড়লেখা আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম (ম্যাজিস্ট্রেট) হরিদাস কুমার দুই আসামির ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  এর আগে গত ২৬ জুলাই রাতে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে সিআইডি পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির মৌলভীবাজারের পুলিশ পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দাস বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট রাতে গণমাধ্যমে জানান, ‘মূল রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে দুজনকে রিমান্ডে এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।’

২০১৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাতে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের ভোলারকান্দি গ্রামে কাতারপ্রবাসী আকামত আলীর স্ত্রী মাজেদা বেগম (৩৬), মেয়ে লাবণী বেগম (৭) ও ছেলে ফারুক আহমদের (৪) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধু মাজেদার চাচাতো ভাই ইমরান আলী ২১ ডিসেম্বর রাতে বড়লেখা থানায় মামলা করেন (নং-৮)। এতে মাজেদা বেগমের চাচা শ্বশুর শরাফত আলীকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। পরে ওই বাড়ির তিন নারীকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মা-সন্তানসহ তিনজনের মৃত্যু ঘিরে নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়। তবে এটি পরিকল্পিত একটি হত্যাকান্ড বলে পুলিশ ও এলাকাবাসী ধারণা করছিলেন। কিন্তু মৃত্যু রহস্যের কোনো কূল-কিনারা করতে পারেনি থানা পুলিশ। কয়েক মাস পর মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ স্থানান্তর করা হয়। পিবিআই- এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত করে প্রায় বছর খানেক পর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। আদালত পর্যালোচনা পূর্বক প্রতিবেদন গ্রহণ না করে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ প্রদান করেন। প্রায় ৭ মাস আগে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির মৌলভীবাজার কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দাস। চৌকস এ অফিসার তদন্তের এক পর্যায়ে আসামি গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে চাঞ্চল্যকর এ তিন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন