আজ ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ৯:৩৩

বার : সোমবার

ঋতু : শরৎকাল

নারী নির্যাতনের সংবাদ প্রকাশ করায় তিন সাংবাদিকের উপর হামলা

কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি

দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার সাংবাদিক উজ্জ্বল আহমেদসহ বিজয় ৭১ টেলিভিশন এর সাংবাদিক ও ক্যামেরা মেনের উপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আহত সাংবাদিক উজ্জ্বল আহমেদ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গতকাল সোমবা ১১টার সময় কামড়াপুরে অবস্থিত নদীর পাড়ে একটি মেয়েকে অমানসিক নির্যাতন করে কালু মিয়ার ছেলে জসিম মিয়া, তার সহযোগী আলমগীর এবং আরো কয়েকজন।

পরে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে বিষয়টি মেয়ের স্বামী অবগত করলে ঘটনাটি সমাধানের চেষ্টা করে জসিমের পিতা কালু মিয়া, পরে জসিম বিচার না মানায় ঘটনাটি আরো বড় হয়ে দাড়ায় পরে জসিম ও তার সন্ত্রাসীদের দিয়ে হামলা চালায় মেয়েটির উপর, পরে ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাসিম কমিশনার বিষয় নিয়ন্ত্রনে আনে।

এরপরপরই সাংবাদিদের বিষয়টি অবগত করে নির্যাতিতার স্বীকার স্বামী। পরে ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে পৌছামাত্র জসিম এর কান্ড ধরা পরে তখন জসিম ও তার সন্ত্রাসীদের দিয়ে ক্যমেরায় বাধা দিলেও থেমে নেই আমাদের ক্যামেরা আমরা ক্যামেরা করতে থাকি এর পর সব কিছু ভিডিও করে রাস্তায় আসতে না আসতেই জসিম ও তার সন্ত্রাসীদের নিয়ে ধারালো অস্ত্রস্বসত্র নিয়ে হামলা চালায় জসিম।

ঘটনাস্থলে আহত হয় ক্রাইম নিউজের জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল আহমেদ ও তার সাথে থাকা সময় সংবাদের ক্যামেরামেন ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় জসিম তার ভাই আনোয়ার হোসেন সহ ১০/১২জন এ হামলা জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাংবাদিক কামাল জানান, সোমবার সকালে ১১টায় আমরা মোটরসাইকেল যোগে ওই এলাকায় ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র সরেজমিনে দেখতে পাই একটি মেয়েকে কয়েকজন মিলে অমানসিক নির্যাতন করছে, পরে ভিডিও করা দেখে মোবাইল ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এরপরই কালু মিয়ার নেতৃত্বে ১০/১২ জন আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ ঘটনার পর হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পরে কর্মরত পুলিশ ও সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে আলমগীর হোসেন ও জসিমের এর পিতা বলেন, সাংবাদিকরা আমাদের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এমনটা হতে পারে। এদিকে নির্যাতনের স্বীকার মহিলাটি হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে।

উল্লেখ্য মো: জসিম মিয়া একজন নারী দেহ ব্যবসায়ী তার অনেক অপকর্মের ফোন রেকর্ড আমাদের কাছে আছে। তার মূল কাজ ইয়াবা ফেন্সিডেলসহ সকল ব্যবসার সাথে জড়িত। এবং তার পেশা সুদি কারবার হাজার প্রতি ৫০০ টাকা করে জসিম সুদ দেয় সাধারণ লোকদের, পরে দিতে না পারলে তাকে নির্যাতন করে তার ঘরের জিনিসপত্র নিয়ে যায়।https://dailysylhetnews24.com/2020/08/10/নারী-নির্যাতনের-সংবাদ-প্/

জসিমের এক মামা জানান, জসিমের অত্যাচারে তারা বাড়িঘরে থাকতে পারেন না। সে নাকি বিভিন্ন জায়গা থেকে মেয়ে এনে রাতের পর রাত বাহির থেকে ছেলেদের এনে অনৈতিক কাজ কর্ম করে। যা তারা প্রতিবাদ করলে জাসিম তাদের প্রাণ নাশের হুমকি দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category