শিরোনাম
হলি আর্টিজান হামলার ৬ বছর;হয়নি মামলার নিষ্পত্তি। বিশিষ্ট শিল্পপতি জনাব আবু উল রশীদ এর পক্ষথেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয় লোভ-হিংসা ও সংকির্ণ মনোভাবের ঊর্ধ্বে ওঠে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে ——-সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী মাধবপুরে কৃষ্ণপুরের ব্রিজটি না হওয়াতে বিকল্প কাঠের সেতু তৈরী করে যানচলাচলে উপযোগী করছেন এলাকাবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আজাদ মিয়া ফরুকের পরিবারের পক্ষ থেকে ত্রান বিতরণ মৌলভীবাজার সমিতি সিলেট এর ত্রান ও নগদ অর্থ বিতরন বৃষ্টির মধ্যেও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন ইউ.কে প্রবাসী আলাউদ্দিনের পরিবার শাল্লা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ। ‘ভারত বাংলাদেশের কল্যাণ চায় না’-অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ। সুবর্ণচরে ব্যবসায়ীর চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বানিয়াচং কাদিরগঞ্জ রোডে সন্ধ্যা রাত্রে ডাকাতি

Coder Boss / ১৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২১

 

বানিয়াচং প্রতিনিধিঃ-

হবিগঞ্জ বানিয়াচং এর কাদিরগঞ্জ রোডে ০৭ সাত জানুয়ারি
বৃহস্পতিবারর সন্ধ্যা রাত্রে ডাকাতির গঠনা গঠেছে। ডাকাতের কবলে পরা
লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জনা যায় বানিয়াচং উপজেলা
সদরের ০১নং উত্তর পূর্ব ইউপির কামাল খানী হাওরের বাড়াড়া নামক স্থানে
সন্ধ্যা প্রায় পৌনে সাত টার দিকে ৫/৬ জন এর একদল মোকোশদারি ডাকাত
ঐ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী একটি টমটম ও তার যাত্রী, একটি ভারায় চালিত
মোটর সাইকেল ও তার ০২জন যাত্রী এবং বানিয়াচং পশু হাসাপালের পল্লী
চিকি সক সুমন চন্দ্র দাস ও তার সহকারী সহ ৭/৮ জন ডাকাতের কবলে
পরেন। এসময় ডাকাটতরা বাঘাতা, গাজীপুর এলাকার মোটর সাইকেল চালক ও তার
০২ যাত্রীকে বানিয়াচং থেকে যাওয়ার পথে উল্লেখিত স্থানে আটক করে
তাদেরকে মারপিট করে পার্শ্বের একটি জমিতে বেধেঁ রাখে এমনকি নগদ ০২
হাজার টাকার ও ০৩টি মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেয়। অপরদিক থেকে
বানিয়াচংএ আসার পথে একটি টমটমও একই স্থানে ডাকাতের কবলে পরলে
ডাকাতরা তাকেও তার যাত্রীদের মারপিট করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন
ছিনিয়ে নিয়ে একটি স্থানে বেধেঁ রাখে। এর পরপরই বানিয়াচং পশু হাসপাতালের
প্রাণী চিকি সক সুমন চন্দ্র দাস ও সহকারী সাঈদ মিয়া বানিয়াচং আসার
পথে তারা ডাকাতের কবলে আটকা পরেন। এসময় ডাকাতরা তাদের কাছ থেকে
নগদ ০৪ হাজার ০৯ শত টাকা ও একটি মোবইল ফোন নিয়ে নেয়। এসময়
ডাকাতের হাত থেকে কৌশলে সাঈদ নামের এক যুবক তার মোবাইলটি কৌশলে
ডাকাতের হাত থেকে রক্ষা করেন। ডাকাতরা ডাকাতির গঠনা ঘটিয়ে হাওরের
পূর্বদিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ডাকাতের হাত থেকে রক্ষা করা মোবাইল
ফোন দিয়ে বানিয়াচং বড় বাজারের পরিচিতজনদেরে ডাকাতির ঘঠনাটি অবগত
করেন। সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়ে বানিয়াচংয়ে ভারায় চালিত মোটর সাইকেল
সমিতির সভাপতি আকতার মিয়া ও ঐ লাইনের অন্যান্য মোটর সাইকেল
চালকসহ ২০/২৫টি মোটর সাইকেল যোগে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে
উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। এমনকি উদ্ধারস্থল থেকে ০১ জোরা জুতা ও ০১টি
মাফলার উদ্ধার করা হয় বলে জানা যায়।
এছাড়াও ডাকাতের কবলে আহত হওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকি সা
নেওয়ার খবর পাওয়া গিয়াছে। ডাকতের কবলে পরা লোকজন জানান আনুমানিক
নগদ ২৫ হাজার টাকা ও ০৭টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় ডাকাত দল।
অন্যদিকে এই ডাকাতির ঘটনাটি বানিয়াচং বড়বাজারসহ সর্বত্র জানাজানি হয়ে পড়লে বিভিন্ন লুক মারফতে বেড়িয়ে আসে
অজানা এক অন্য রকম চাঞ্চল্যকর তথ্য।
বানিয়াচংয়ে কামালখানী হাওরের ভারারা পুতা নামক স্হানে ডাকাতির ঘটনার সাথে চিহ্নিত পুরাতন ডাকাতরাও জড়িত রয়েছে বলে ধারণা করছেন সচেতন মহলের লুকজন।
যাহা বানিয়াচং থানায় ঐসব ডাকাতদের লিস্ট রয়েছে।
এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে অবস্হিত।
১নং ইউপি’র ৬নং ওয়ার্ডের কাজীমহল্লা গ্রামের সাবেক বানিয়াচং উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমদের চাচাতো ভাই শেখ সুবাজ মিয়ার একটি পুকুর মাছ চাষ করার জন্য লীজ নেয় পূর্বগড় মহল্লার জৈনক এক যুবক।
কিন্তু উক্ত পুকুর পাড়ে ঐযুবক একটি ঘর নির্মান করে তার নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়ারীদের দাওয়াত করে এমনকি চোর,ডাকাত,সুদি ব্যাবসায়ীদেরও এই আসরে একত্রিত করে শুরু হয় দিন-রাতে জম জমাট জুয়ার আসর।
এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঐ পুকুর পাড়ে দিন-রাতে জুয়ার আসর পরিচালনা করে যাচ্ছে।
ঐ সিন্ডিকেটের এসব অপকর্মের খবরা খবর হাওরের আশপাশের বাড়ি ঘরের লুকজনসহ বিভিন্ন এলাকার লুকজনের কাছ থেকে নিত্যদিনই আলাপ-আলোচনা ও বিভিন্ন লুক মারফতে অভিযোগ পাওয়া যেত।
এছাড়াও খাট,বাজারে এসব নিয়ে চায়ের ষ্টল,সেলুনসহ অনেকের মুখে মুখে এমন আলোচনা ছিল লক্ষনীয়।
এই ঘটনার খবর পেয়ে শতাধিক লুকজন মোটরসাইকেল যোগে ঘটনাস্থলে রওয়ানা দিতে দেখা যায়।
এছাড়াও ডাকাতির ঘটনাটি জানাজানি হয়ে পড়লে,হাওরের মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত জুয়ার আস্তানায় অংশ নেওয়া জুয়াড়ীদের দ্ধারাতে এমনটা হওয়ার আশাংকা মনে করছেন সচেতন মহল।
তাই এই বিষয়টিকে আমলে নিয়ে গুরুত্ব সহকারে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্হা গ্রহন করার জন্য হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন বানিয়াচংবাসী।।

এব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ এমরান হোসেনের
সাথে রাত ০৯টা ৪৬ মিনিটে তাহার মোটো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি
জানান এ রোডে আমাদের কোনো পুলিশ টহল নেই। এছাড়া এ ধরনের ডাকাতির
ঘটনায় কোনো প্রকার অভিযোগ তিনি পাননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন