শিরোনাম
জনগণের দুয়ারে গিয়ে উন্নয়ন করতে চান এমপি ফয়সল ছাতকে ব্যবসায়ীর বাড়ি দু:সাহসিক চুরি, ৬ লাখ টাকার মালামাল লুট জগন্নাথপুরে নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণে কর্মশালা চিকিৎসা সেবা ও সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মাননা পদক পাচ্ছেন ডাঃ ইভা হামিদ মৌলভীবাজার নতুন কালীবাড়িতে দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটি গঠন ময়মনসিংহ ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক নেতা থেকে তাড়াইল উপজেলা জাতীয় যুবশক্তির কমিটিতে মাহমুদুল হাসান লিয়ন জগন্নাথপুরে দুপক্ষের গোলাগুলি: থানায় মামলা, গ্রেপ্তার নেই কেউ, আহত হেকিম মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক গোরারাই ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিবাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নৌকা নিয়ে চা বিক্রি করা বাবার স্বপ্নপূরণ: ৭৫ লাখ টাকার স্কলারশিপ পেলেন ছাতকের রুহি মহানবী (সা.) এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

নায়ক “মান্না” -র ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী।

Satyajit Das / ৮২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

Manual6 Ad Code

সিলেট বিনোদন ডেস্ক:বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক ‘সৈয়দ মোহাম্মদ আসলাম তালুকদার’ মান্না’র আজ ১৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী। আম্মাজান খ্যাত মান্না চব্বিশ বছরের কর্মজীবনে তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। মান্না অভিনয়ের পাশাপাশি কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেছেন। তিনি কৃতাঞ্জলী চলচ্চিত্র নামে একটি প্রযোজনা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি লুটতারাজ,স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ, দুই বধু এক স্বামী,আমি জেল থেকে বলছি,পিতা মাতার আমানতসহ মোট আটটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন। এমনকি তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রয়াত মান্নার স্মরণে তাঁর এক অন্ধ ভক্তের কাহিনী নিয়ে মালেক আফসারী পরিচালিত জায়েদ খান ও পরিমনি অভিনীত অন্তর জ্বালা নামের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়। বিএফডিসিতে তার নামে মান্না ডিজিটাল কমপ্লেক্স হিসাবে একটি ভবন নামকরণ করা হয়। এছাড়াও তাঁর স্মৃতি স্মরণে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন নিয়মিত মান্না উৎসব আয়োজন করে থাকে। নায়ক মান্নার জন্ম ও মৃত্যু দিবসে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো স্মৃতিচারণমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

মান্না ১৯৬৪ সালের ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় সৈয়দ মোহাম্মদ আসলাম তালুকদার হিসাবে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা নুরুল ইসলাম তালুকদার ও মাতা হাসিনা ইসলাম। মান্না উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করে ঢাকা কলেজে স্নাতকে ভর্তি হন। ব্যক্তিগত জীবনে মান্না তার কর্মজীবনের শুরুর দিকের সহ-অভিনেত্রী শেলী কাদেরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির সিয়াম ইলতিমাস মান্না নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে। মান্না ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা (এফডিসি) আয়োজিত নতুন মুখের সন্ধানে কার্যক্রমে নির্বাচিত হন। ১৯৮৫ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত পাগলী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র শিল্পে অভিষেক ঘটে। যদিও তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র তওবা।এরপর তিনি নিপা মোনালিসার বিপরীতে শিমুল পারুল (১৯৮৫), রেহানা জলির বিপরীতে নিষ্পাপ (১৯৮৬), কবিতার বিপরীতে বাপ বেটা ৪২০ (১৯৮৮), চম্পার বিপরীতে ভাই (১৯৮৮), আমার জান (১৯৮৮), সুনেত্রার বিপরীতে বাদশা ভাই (১৯৮৯), কোবরা (১৯৮৯), চম্পার বিপরীতে গরীবের বন্ধু (১৯৯০), আম্মা (১৯৯০), রানীর বিপরীতে অবুঝ সন্তান (১৯৯০), ছোট বউ (১৯৯০), পালকী (১৯৯০), দুখী মা (১৯৯০) চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করেন।

Manual1 Ad Code

মান্না ১৯৯১ সালে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত কাসেম মালার প্রেম চলচ্চিত্রে প্রথম একক নায়ক হিসেবে চম্পার বিপরীতে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে সফল হলে, তিনি কয়েকটি চলচ্চিত্রে কাজ করারও সুযোগ পান। এরপর ১৯৯২ সালে কাজী হায়াতের দাঙ্গা ও ত্রাস চলচ্চিত্রেও একক অভিনেতা হিসাবে সফলতা পান তিনি। একই বছর তার অভিনীত মোস্তফা আনোয়ারের অন্ধ প্রেম, মনতাজুর রহমান আকবরের প্রেম দিওয়ানা ও ডিস্কো ড্যান্সার, কাজী হায়াতের দেশদ্রোহী, মনতাজুর রহমান আকবরের বাবার আদেশ, অশোক ঘোষের শাদী মোবারক, বুলবুল আহমেদের গরম হাওয়া, সাইফুল আজম কাশেমের সাক্ষাৎ, কামাল আহমেদের অবুঝ সন্তান, দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর গরীবের বন্ধু চলচ্চিত্রগুলো মুক্তি পায়।

Manual2 Ad Code

১৯৯৩ সালে তিনি কাজী হায়াতের চাঁদাবাজ, সিপাহী, দেশপ্রেমিক, দেশদ্রোহী, ধর, তেজী ও সমাজ কে বদলে দাও, নুর হোসেন বলাইর ওরা তিনজন ও শেষ খেলা, নাদিম মাহমুদের আন্দোলন, রুটি ও রাজপথের রাজা, এম এ মালেকের দুর্নীতিবাজ, এফ আই মানিক পরিচালিত বিশাল আক্রমন মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর চিরঋণী,এ জে রানা পরিচালিত মানুষ, বেলাল আহমেদ পরিচালিত সাক্ষী প্রমাণ এবং মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ডিস্কো ড্যান্সার ও বশিরা ইত্যাদি চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করেন। মান্না ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ৪৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে মৃত্যুর কয়েকমাস পর একই বছরের(২০০৮) ১৭ সেপ্টেম্বর চিকিৎসকদের অবহেলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে,এমন অভিযোগে তার পরিবারের পক্ষ থেকে ইউনাইটেড হাসপাতালের ছয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেন তাঁর শ্যালক রেজা কাদের। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি এই মামলার বিচারবিভাগীয় তদন্তে প্রাথমিকভাবে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত ছয় ডাক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে। পরে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাদের আট সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের আদেশ দেন। ওই বছরের ১৬ মার্চ চিকিৎসকরা আত্মসমর্পণ করলে ৫০ হাজার টাকা বন্ডে স্বাক্ষর করে জামিন লাভ করেন। এরপর ২০০৯ সালের ১৮ অক্টোবর ওই ছয় ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। কিন্তু এখনও প্রয়াত মান্নার পরিবার সুবিচার পাননি এবং এ নিয়ে সারাদেশে ব্যাপি তাঁর ভক্তরাও ক্ষুব্ধ।

Manual7 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code