শতরূপা তুমি*********——-
খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে আউলা কেশে
কেমন যেন দেখি আজ পাগলের বেশে
কি দেখছ ঐ সুদুর পানে
কাল চশমা পড়ে দুনয়নে।
হাতে কালো ভ্যানিটি ব্যাগ ঝুলে
দেখি পুতির মালা ও আছে গলে
পায়ে সেন্ডেল কালো সেলোয়ার
সবুজ কামিজ গায়ে তোমার।
হাসি ভরা মুখ চিরল দাঁত
যেন আঁধার হইল প্রভাত।
এক হাত খালি আরেক হাতে ঘড়ি
কেহ চিনতে পারেনি বিধবা কিবা কোমারী।
তুমি কখনো বাউল কখনো কবি
কখনো তুমি সন্ন্যাসিনী মাধবী।
কখনো তীর্থে সন্ন্যাসীর মেলা
কখনো ফুল নিয়ে কর খেলা।
কখনো নৌকা ভাসিয়ে জ্বলে
কখনো রামনাম জপ আঙ্গুলে
আজ সত্যি চিনেছি আমি
আমার সেই শতরূপা তুমি
কবি মুকলেছ উদ্দিন চান গাঁও ঠাকুরবাড়ি মদন নেত্রকোনা