রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

একটি ছোট্ট গল্প

কবি মুকলেছ উদ্দিন / ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩

একটি ছোট্ট গল্প—
লেখক কবি মুকলেছ উদ্দিন—-

আমার ছোট ভাই আল মনসুরুল আরিফ। স্মরণ করিয়ে দিল একটি পুরনো দিনের ঘটনা । গ্লুকোজ বিস্কুটের কথা। এটা বলতে গিয়ে হয়ে গেল একটা ছোট গল্প এটা আমার জন্মের আগের এই কোম্পানি আরো একটি আছে তিব্বত কোম্পানি ।সেটা ছিল নানান ধরনের কসমেটিক পণ্য । এ দুটোই ছিল দুইশ বছর আগের হয়তোবা আরো অনেক পূর্বের। সেগুলি আগেও যেমন ছিল নির্ভেজাল পণ্য তা এখনও নির্ভেজালেই পাওয়া যায়। আরেকটা পণ্য ছিল কাট বিস্কুট সেটাও এখনো আছে। তখনকার আমলে এই দুটি কোম্পানি। আর বাচ্চা ছেলে মেয়েদের প্রিয় মজার খাদ্য ছিল কাঠ বিস্কুট ।আর সৌকিনদের ব্যবহারিক পণ্য ছিল তিব্বত কোম্পানি । স্নো পাউডার আলতা যেটা বর্তমানে লিপস্টিক ব্যবহার করে। যাক বাবা বাজারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলেই বলতাম বাবা কাঠ বিস্কুট আনিও। তখন চার পয়সার কাঠবিস্কুট এনেছেন এক পোয়া সমান আড়াইশো গ্রাম আরেকটি কথা স্মরণ করিয়ে দিই চার পয়সা ছিল ২৫ পয়সার চারভাগের এক। এই কার্ড বিস্কুট পেয়ে আমরা খুব খুশি হয়েছি। বাবা কার্ড বিস্কুট এনেছে মজা করে খাব। আর এই গ্লুকোজ বিস্কুট গুলির আরও একটা নাম আছে হয়তোবা এখনো আছে আল-আমিন গ্লুকোজ বিস্কুট । তখনকার সময়ে গ্রামে গঞ্জে এতগুলা হাট এতগুলা বাজার এতগুলো দোকানদার ছিল। আমাদের সময়ে এই মদন থানায় ছিল শুধু একটা মদন বাজার তাও আবার সেই বাজারে সকল পণ্য পাওয়া যেত‌না। যেমন বিয়ে-শাদীর বাজারের জন্য আমরা মদনের মানুষ তারাইল কিশোরগঞ্জ বাজার করতে যেতে হয়েছে। আমাদের মদন থানায় ছিল মদনের বাজার সেটাকে বলা হতো ডাকের বাজার অর্থাৎ বাজারটি সরকারি নামে। প্রতি বছর ডাক হত। তখন অত্র মদন এলাকায় কোন গরুর বাজার ছিল না এটাই ছিল গরুর বাজার সেই বাজারটা প্রতি শনিবারে হ‌ইত খুব জমজমাট। আর ও একটি কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি মদন বাজার গরুর ছাগলের বাজার ছিল কিন্তু তখনকার সময়ে গরু ছাগলের কোন দালাল ছিল না। হয়তোবা কথাটা বিশ্বাসযোগ্য হবে না কিন্তু সম্পূর্ণ সঠিক। তখনকার সময়ে যে গরুটার ওজন ছিল তিন মন। সেই ষাড় বলদটা বিক্রি হইতো ৩৫০ বা ৩৭০ টাকা । আমি প্রত্যক্ষদর্শী বাবা আমাকে নিয়ে বাজারে গেলে একটি গাভী ক্রয় করি ৪৫ টাকায়। লাল টকটকে খুব সুন্দর গাভীটা । আমাদের বাড়িতে এসে তিন মাস পর একটি ষাড় বাচ্চা দেয় গাভীটি থেকে দুধ পাইতাম আড়াইসের অর্থাৎ আড়াই লিটার । এই গাভিটির ষাঢ় বাচ্চাটি বিক্রি করেছিলাম।৪২০টাকা। মদনবাজারে। বিক্রি করার পর বাজারের প্রায় অর্ধেক মানুষ এসে ভিড় জমাইল আর অবাক হয়ে বলাবলি করতে লাগলো একটি সার 420 টাকা কে কিনলো কে বিক্রি করল তাদেরকে দেখার জন্য। ছোঠ করা হইল এক টাকা দুই আনা। সেই ষাড় বিক্রির টাকা দিয়ে বাবা জমি ক্রয় করলেন পঞ্চাশ শতক অর্থাৎ পাঁচ কাটা। তখন আমার বয়স ছিল পাঁচ বৎসর বর্তমানে আমার সঠিক বয়স ৭৩ বৎসর চলছে এখন‌ও আমি মদন থেকে মোহনগঞ্জ পায়ে হেঁটে যেতে পারি ইচ্ছা করলে ফিরেও আসতে পারি । আমার শক্তি সাহস স্বাস্থ্য আল্লার রহমতের নিয়ামত দান। লাখো লাখো শুকরিয়া মহান আল্লাহর দরবারে।এমন বিলুপ্ত অনেক ঘটনা রয়েছে আমার স্বরচিত বই মদনের বিলুপ্ত ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতি বইটিতে।
যেমন গুটি বাড়ি দায়রা বান্দা মেয়েদের চোখ বান্দা দরি লাফ। বর্ষায় নৌকা বাইচ ফাল্গুনের সারের লড়াই। তখনকার সময়ের স্কুল কলেজ ছেলে মেয়েদের পোশাক পরিচ্ছদ। তখনকার সময় মদন ছিল একজন বিচারপতি।
তখনকার সময় আমাদের জাতীয় নির্বাচনের আসনটি ছিল ইঠনা খালিয়াজুরী মদন। আরো অনেক বিলুপ্ত ঘটনা। বইটির মূল্য ৩৫০ টাকা। ছাড় দেওয়া হয়েছে একশত টাকা বর্তমান মূল্য ২৫০ টাকা প্রয়োজনে ০১৭২৩৪৫৫৯১৮।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০

বিভাগের খবর দেখুন