শিরোনাম
মৌলভীবাজারে কুসুমবাগ শপিং সিটির সামনে যুবককে ছিনতাই ও অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ জগন্নাথপুরে আলোচিত নাজিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার জনপ্রিয়তায় প্রচার প্রচারণায় সবার শীর্ষে কামাল হোসেন মিয়াজী বটেশ্বর বাজারে দা হাতে হামলাচেষ্টার অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ইউপি সদস্য সিলেটের খাদিমনগরে জঙ্গল থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড উদ্ধার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ আমরা ও একদিন মরে যাবো ! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ​তিতাসে অসহায় বৃদ্ধা মজিদা খাতুনকে মারধর করে ঘরছাড়া করলেন আপন ছেলে-বউ! তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টে পাসপোর্ট যাচাইয়ের সময় আটক হন কামাল চেয়ারম্যান এমপি মিলনের সফরসঙ্গী হয়ে দেশে ফিরলেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল বাসির
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

কামাল আহমদকে কেন ভোট দিবেন?

Coder Boss / ২৪৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪
Oplus_0

Manual5 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: কামাল আহমদের রয়েছে বর্ণাঢ্য ছাত্ররাজনীতির ইতিহাস। মধ্য আশির দশকে তিনি ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক। তারপর দুই মেয়াদে ১৯৮৭ থেকে ২০০১ সাল অবধি দীর্ঘ একযুগেরও বেশি সময় তিনি জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হন তাদের পরিষদ চালানোর যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকতে হয়। তারা একটি উপজেলা পরিষদের একাধিক ইউনিয়ন পরিষদ, গ্রাম, মহল্লার সার্বিক কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব পালন করেন। তাই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মানসম্পন্ন যোগ্যতা থাকা বাঞ্ছনীয়। প্রার্থীর যোগ্যতা বিচারের জন্য শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা একটি নিয়ামক বিষয়। অথচ বিষ্ফোরিত বিস্ময় নিয়ে বলতে হয় বেশিরভাগ ভোটার জানেন না তিনি যাকে ভোট দিচ্ছেন তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু এবং প্রার্থীরাও তার শিক্ষাগত যোগ্যতা গোপন রেখে এড়িয়ে যান। কামাল আহমদ একজন গ্র‍্যাজুয়েট ব্যাক্তি। তিনি ১৯৮৬ সালে সেন্ট্রাল জৈন্তা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৯১ সালে জৈন্তিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক এবং ১৯৯৩ সালে ঢাকাদক্ষিণ কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করেন। তিনি একাধিক স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও শিক্ষানুরাগী। কামাল আহমদ ২০১৫ সালে থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেও ২০১৯ সালে থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন- জেলা কমিটির সদস্য – উপজেলা পরিষদ এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক হন, এ পর্যন্ত ক্ষমাতাকেন্দ্রীক ভালোমন্দে তাঁর দায় নেই। তাঁর নিজস্ব বাহিনী নেই। পরিবেশ ধ্বংসকারী কিংবা কোনধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেও তিনি জড়িত নন।

দল-মত নির্বিশেষে তিনি ছাত্রাবস্থা থেকেই সকলের পাশে ছিলেন। তিনি স্বৈরশাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন, দেশ বিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বিরোধী আন্দোলনে নিজ অবস্থানে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে দেশকে মসৃণ সড়কে নিয়ে আসতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। সিলেট গ্যাস ফিল্ডে সিমিটার বিরোধী আন্দোলন, ১৭ পরগণার বাস ভাড়া ও যাত্রীসেবা নিয়ে আন্দোলন ও আরো অনেক ছোটবড় আন্দোলন-সংগ্রাম করে সর্বসাধারণের অধিকার আদায় করতে নেতৃত্বদান করেছেন। তিনি বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের উপদেষ্টা। তিনি ক্লিন ইমেজধারী, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তপনা মুক্ত সুশীল নেতা। আমলারা যেমন হয় কামাল আহমদের জীবযাত্রা ঠিক তেমনি। লোকরঞ্জনবাদী রাজনীতি, যা একজন নেতাকে জনপ্রিয় করে তোলে তা থেকে তাঁর অবস্থান খানিকদূরে। তিনি বলেন, আমি জনপ্রিয় হতে আসিনি; জনগণের সেবা করতে এসেছি। তিনি কখনো সাধারণ জনগণকে ধোকা দিতে চান নি। আজকালকার রাজনীতিতে অনেক প্রার্থীকে দেখা যায় যারা এসিগাড়ীর বাইরে আসতে অনিচ্ছুক তারা নির্বাচনের আগে সমাজের অবহেলিত মানুষগুলোকে বুকে টেনে নেয়। এগুলো নিরীহ সাদাসিধে জনগণের সাথে ধোকা দেওয়ার সামিল। কামাল আহমদ কখনো এমন বিশ্বাসঘাতী রাজনীতির সাথে জড়িত হননি। তাঁর কাছে সমাজের সকলেই ভাই-ভাই। তাঁর বুকে সবসময় মেহনতি মানুষগুলোর জন্য স্থান রয়েছে। কামাল আহমদ সমাজসেবার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত। তিন ধুমকেতু ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টে জৈন্তাপুর দলকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ করতে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের দুইবার সাংগঠনিক সম্পাদক ও একবার প্রচার সম্পাদক হওয়ার সাংগঠনিক দক্ষতাও তাঁর রয়েছে।

Manual1 Ad Code

“আপনার ভোট আপনি দিবেন, যাকে খুশি তাকে দিবেন।”- নাগরিক হিসেবে এই স্বাধীনতা আপনার রয়েছে। তবে, মহান সৃষ্টিকর্তা মানুষ জাতিকে বিবেক দিয়েছেন। আপনি নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন কেন কামাল আহমদকে ভোট দিবেন! যদি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার উল্লেখ্য কারণগুলো খুঁজে পান তবে নিঃসন্দেহে কামাল আহমদের চেয়ে যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী এবারের নির্বাচনে নেই।

Manual2 Ad Code

আপাদমস্তক মুজিবাদর্শে বিশ্বাসী কামাল আহমদ রঙিন ঘুড়ি বিশাল আকাশে তারাদের ভিড়ে হারিয়ে ছাদ থেকে ঝাপ দেওয়ার মতো মানুষ নন। সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি সংগ্রাম করতে জানেন। শিক্ষায়-চিকিৎসায় উন্নত একটি জৈন্তাপুর উপজেলা পেতে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি কামাল আহমদকে ভোট দিবেন নাকি মরীচিকার মায়ায় পা বাড়াবেন সেটা আপনার ইচ্ছা, আপনার স্বাধীনতা।

Manual4 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code