সিলেট নিউজ ডেস্ক :
এই বৈষম্য কেন?যেই পাইলট একটা যুদ্ধ বিমান একটা স্কুল বিল্ডিং-এ ক্র্যাশ করাইলেন, তাকে আপনারা পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করলেন।
করেন, প্যারা নাই। হয়তো পাইলটের কোনো দোষই ছিল না। হয়তো ছিলো দোষ। আমি জানি না। আমি জীবনে প্লেন উড়াই নাই।
কিন্তু যেই শিক্ষিকা নিজের জীবনটা উৎসর্গ করে, আ’গুনের মধ্যে ঢুকে তার শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করলেন, এতোগুলা বাচ্চার জীবন বাঁচালেন, তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা গেলো না?
কেন? সিভিলিয়ান বইলা? সিভিলয়ানদের মধ্যে বীরত্ব নাই তাই?
কী জানি! আমরা তো আসলে সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনের মর্যাদা দিই না শিক্ষক শিক্ষিকা দের কে, তারা হচ্ছে আপনাদের ভূমিদাস। মর্যাদাহীনতাই তাদের ভাগ্যে আছে।
এই শিক্ষকরাই পাইলট দের কে প্রথমে শিক্ষা দেয়। শিক্ষকদের অবদান পাইলটের চেয়ে
কম নয়। দেশের মানুষ
হয়ে এমন বৈষম্য আমরা
মেনে নিতে পারি না।
স্যালুট শিক্ষিকা মাহরিন
চৌধুরী। অভাগা রাষ্ট্র
আপনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা
না দিলে ও দেশের মানুষের হৃদয়ের, ভালোবাসা ও
সম্মান আপনার প্রতি থাকবে অনন্তকাল।