বিশেষ প্রতিনিধি:
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। মাদক উদ্ধার,হত্যা ও সন্ত্রাস দমন,জঙ্গিবিরোধী অভিযান,অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য সমাজ গড়ে তুলতে র্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়,নিহত মোঃ ফাহিম সিলেট জেলার শাহপরাণ (রহঃ) থানাধীন ছড়ারপাড় এলাকার বাসিন্দা মোঃ হারুন রশিদের ছেলে। পূর্বশত্রুতার জেরে গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫টায় একদল সশস্ত্র ব্যক্তি ফাহিমের পথরোধ করে। ধারালো অস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। হামলার একপর্যায়ে ফাহিম গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়। চিকিৎসা শেষে ১১ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ রাতে সিলেটে ফেরার পথে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ফাহিম মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে শাহপরাণ (রহঃ) থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯,সদর কোম্পানি,সিলেটের একটি আভিযানিক দল ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ২টায় সিলেটের এয়ারপোর্ট থানাধীন টুকেরবাজার ইউনিয়নের মন্টু মিয়ার বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে শাহপরাণ (রহঃ) থানার এফআইআর নং-২০ (তারিখ: ১৪/১১/২০২৫ ইং,ধারা: ৩০২/৩৪) মামলার এজাহারনামীয় পলাতক ৩ নম্বর আসামি ফাহিম বরকাটা ফাহিম (২৮),পিতা-আবুল কালাম,সাং- বালুচর,থানা- শাহপরাণ (রহঃ),জেলা-সিলেটকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শাহপরাণ (রহঃ) থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব-৯,সিলেট এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
সিলেট নিউজ/এসডি.