শিরোনাম
জগন্নাথপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো সিলেট বিভাগের প্রথম দৃষ্টিনন্দন আর্চ সেতু ​ঢাকা উত্তর সিটি ১০ নং ওয়ার্ডে আগামী  দিনের উন্নয়ন ও সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ  মো: বাবুল মিয়া রাজনীতির ভবিষ্যৎ বিলুপ্তির পথে, দেশে চলছে তৃমুখী লড়াই। দেশের উন্নয়ন যেন শুধুই স্বপ্ন আর গালগল্প *6th Annual Isaal-e-Sawab Mahfil of Allama Dubagi Sahib Qiblah Rahimahullah held in London* ​বানারীপাড়ায় মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সার্টিফিকেটসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ জননিরাপত্তা ও আতঙ্কের ছায়া: মাদকের বিস্তার ও প্রতিকার মৌলভীবাজারে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ‘ট্রি প্লান্টেশন কর্নার’ উদ্বোধন ফুলসাইন্দ আঞ্চলিক শাখা তালামীযের উদ্যোগে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ছকাপন কলেজ তালামীযের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ পালন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ঢাকা ১৩ আসনে এগারো দলীয় মনোনীত রিকশা প্রতীকের সমাবেশ ও ভোটার সমাচার

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ২০৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

Manual8 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী, আল্লামা মামুনুল হক সাহেবের প্রতীক, রিকশা মার্কার প্রচার ও প্রসারের জন‍্য আগামীকাল এক বিশাল নির্বাচনী সমাবেশ।(আগামিকাল ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮.৩০ টায় মোহাম্মাদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ (কবরস্থান। মাঠ) এ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।)

উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান। উক্ত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, জুলাই বিপ্লবের অন‍্যতম নায়ক , লাখো তরুণের নেতা, জাতীয় নাগরিক পার্টি, এনসিপি’র আহ্বায়ক ও ভাসানী খ‍্যাত মো: নাহিদ ইসলাম। এই বিশাল নির্বাচনী সমাবেশের সভাপতিত্ব করবেন, মাওলানা মাওলানা মাহফুজুল হক, প্রধান উপদেষ্টা, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, ঢাকা ১৩. এছাড়া আরো উপস্থিত থাকবনে, জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ ১১ দলীয় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

কথা থাকে যে, মোহাম্মদপুর, আদাবরও শের ই বাংলানগরের আংশিক এলাকাসহ ঢাকা ১৩ আসনের এরিয়া। ঢাকা ১৩ আসনে ভোটার সংখ‍্যা চার লাখ প্লাস। কিন্তু এখানের ভোটারদের মধ‍্যে সর্বপ্রথম ভোটার হয় ২০০৮ সালে। ঐ সময় ৮০% এলাকায় বস্তি ছিল, সেই যারা ভোটার হয়েছিলেন, তারা ৯০% ছিলেন নিম্ন আয়ের সাধারণ জনগণ। তখন আমি ছিলাম মোহাম্মদপুরের সাবেক ৪২ ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং কলম কলি জন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ঐ সময় আমার নিজ হাতে কমপক্ষে পাঁচ হাজার ভোটার ফরম পূরণ করেছি এবং আমি ও আমার পরিবার এখানেই ভোটার হই। আমার ভোট কেন্দ্র কাদেরিয়া মসজিদ ও মাদ্রাসা কেন্দ্র । আমিও আমার পরিবার যোগ্য প্রার্থী আল্লামা মামুনল হক সাহেবের রিকশা প্রতীক ভোট প্রদান করার ইচ্ছে পোষণ করেছি। যা এখন ২৯ নং ওয়ার্ড খ‍্যাত। তারপর আমি ঢাকা উদ‍্যানে বসবাস শুরু করি ২০০৯ থেকে আদাবর থানায়। এই তখন ৪৩ নং ওয়ার্ড ছিল।

Manual3 Ad Code

আজকে এটি ৩০ নং ওয়ার্ড নামে পরিচিত। এখানে আরো কথা থাকে যে, মোহাম্মদপুর এবং আদাবর শের ই বাংলা নগরসহ আমার একটি সংগঠন/ সমিতি রয়েছে। যেখানে প্রায় বারোশ সদস্য / সদস্য রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করার ফলে অনেকের সাথে রয়েছে গভীর সখ‍্যতা। বন্ধুত্ব এবং আত্মীয় সব মিলে প্রায় হাজার তিনেক ভোটারের সাথে আমার সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। এগুলো বিক্রি করার জন্য আমি কারো যাই না। এই কলাম লেখা পর্যন্ত প্রার্থী আল্লামা মামুনুল হক সাহেবের সাথেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করিনি। উনার পক্ষে সরাসরি প্রচার ও লেখালেখি ফেসবুকে পোস্ট দেয়া এগুলো আমাকে বলেছেন মিশন ইন্টারন‍্যাশল স্কুল এন্ড কলেজের সম্মানিত প্রিন্সিপাল জনাব মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর সাহেব। উনার সাথে রয়েছে আমার রাজনৈতিক এবং বন্ধু সুলভ সম্পর্ক। আরেক কথা ভোট আমি কখনও কোন কিছুর বিনিময়ে দেই না। যাকে আমার ভালো লাগে তাকেই আমি আমার ভোট প্রদান করি। প্রার্থী পছন্দ না হলে ভোট কেন্দ্রে আমি যাই না।

যাক সেকথা। ২০০৮ সাল, সেদিন নির্বাচন কমিশন ” যেখানে যে আছে সেখানেই ভোটার ” এরকম নীতি করে ভোটার করার ফলে। দীর্ঘ আঠারো বছরের ব‍্যবধানে আজকে ঢাকা ১৩ আসনের প্রায় দেড় লক্ষ ভোটার অত্র এলাকায় আর নেই। প্রায় এক লক্ষ ভোটার ভোট দিতে যাবে না। বেশ কিছু কারণে। তার মধ‍্যে প্রদান কারণ হলো বিগত সময়ের আওয়ামী লীগ এবং তারও আগের বিএনপি তাদের এমপিরা কেউই তৃণমূলের বা ভাড়াটিয়া থাকে এমন ভোটার গণকে ভোটের পরে দু পয়সারও কদর করেনি। এছাড়া অনেক লোকেরা দৈনিক হাজিরা বা শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তারাও তাদের কর্ম বাদ দিয়ে ভোট দিতে যাবে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। ঢাকা ১৩ আসন একটি জন বহুল আসন, এখানে প্রায় পনেরো লাখ জনগণের বসবাস বর্তমানে। কিন্তু ভোটার চার হাজার প্লাস।

এখানে কথা থাকে যে, প্রায় এক লক্ষ ভোটার ভোট দিতে যাবে না। কোনো লাভ নেই ভেবে বা সময়ের অভাবে। আর দেড় লক্ষ ভোটার এলাকায় নেই। তাহলে এখানে ভোটার সংখ্যা দেড় লক্ষ আছে উপস্থিত। যেখানে সব মিলিয়ে পনেরো লক্ষ লোকের বসবাস। সেখানে দেড় লক্ষ প্রকৃত ভোটার খোঁজে পাওয়া দুস্কর। এলাকায় না থাকা অস্থায়ী ভোটারদের মাঝে থেকে হয়তো আশেপাশে যারা ভোটার আছেন। পনেরো বিশ হাজার ভোটার হয়তো দায়িত্ব বা কর্তব্য নিয়ে নিজ নিজ ভোট কেন্দ্রে আসলে আসতেও পারে।।

Manual7 Ad Code

পরিশেষে বলতে চাই। একটি সমৃদ্ধ, উন্নত ও নিরাপদ ঢাকা গড়তে, আল্লামা মামুনুল হক-কে **”রিকশা”** মার্কায় ভোট দিন।

Manual3 Ad Code

অথই নূরুল আমিন
কবি কলামিস্ট ও রাষ্ট্রচিন্তক
প্রধান সমন্বয়ক জাতীয় মানবসম্পদ উইং।

Manual4 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code