সিলেট নিউজ ডেস্ক :
পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য যার ধমনীতে, তিনি আজ নিজ যোগ্যতায় সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার শীর্ষে। তিনি কেবল সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব, মরহুম হারিছ চৌধুরী সাহেবের সুযোগ্য কন্যাই নন, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত একজন আইনজীবী।
কেন কানাইঘাট-জকিগঞ্জ (সিলেট-৫) আসন থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সামিরা তানজিন চৌধুরীর মনোনয়ন অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী?
১. ত্যাগের মূল্যায়ন: বিগত ১৭ বছর ধরে মরহুম হারিছ চৌধুরী ও তার পরিবার যে অবর্ণনীয় ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তার যথাযথ মূল্যায়ন আজ এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি।
২. উন্নয়নের সেতুবন্ধন: সিলেট-৫ আসনে বর্তমানে সরকারি প্রতিনিধিত্বের যে শূন্যতা রয়েছে, তা পূরণে একজন যোগ্য নারী সংসদ সদস্যের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। তিনি সরকারের উন্নয়ন পলিসি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারবেন।
৩. আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও মেধা: ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের সিনিয়র কোর্টের প্র্যাকটিসিং সলিসিটর এবং ব্রিটিশ সরকারের আইনজীবী হিসেবে কাজ করার সুবাদে মানবাধিকার ও সুশাসন বিষয়ে তার অগাধ পাণ্ডিত্য রয়েছে। উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে যোগাযোগ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে তার এই মেধা অত্যন্ত কার্যকর হবে।
৪. ব্যক্তিগত ক্যারিশমা: টেলিভিশন টকশোতে দলের আদর্শ তুলে ধরা এবং গত নির্বাচনে জোটের প্রার্থীর পক্ষে তার সক্রিয় ভূমিকা তাকে মাঠপর্যায়ে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
৫. যোগ্য উত্তরসূরি: মরহুম হারিছ চৌধুরীর পর জাতীয় রাজনীতিতে এই অঞ্চলের যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সামিরা তানজিন চৌধুরীর সংগ্রাম ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সেই অভাব পূরণ সম্ভব।
শিক্ষার উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী হতে পারেন আমাদের নির্ভরযোগ্য প্রতিনিধি।