শিরোনাম
যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বিএনপি অফিসের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের নামে ল্যাপটপ চুরি চার্জ পুলিশের চার্জশিট নেই অন্যের পরিচয়ে ডিজিটাল প্রতারণা: প্রযুক্তির আড়ালে অপরাধ, নীরব শিকার সমাজ অনলাইন হেনস্তা ও নারীর ন্যায়বিচারের সংকট মদনের মাটি ও মানুষের দুই জোড়া আলোকবর্তিকা: আমাদের প্রেরণা, আমাদের অহংকার সরকার রাষ্ট্র চালাতে অযোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে, কাজের কাজ হচ্ছে না, জামায়াত – এনসিপি মুখে মুখে আজাদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচি: খাদিমপাড়ায় মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি ঘিলাছড়া গ্রামের কিছু লোক কর্তৃক ​ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামবাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের হয়রানী জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো ঢাকাকে সাজিয়ে তুলতে চান, প্রধানমন্ত্রী। তাহলে কি কি করতে হবে?
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

রিজওয়ানা পারভিন দেশে ও খলিলুর রহমান লন্ডন ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি ছিলেন

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ২৬৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

Manual5 Ad Code

সিলেট নিউজ ডেস্ক :

Manual8 Ad Code

জামায়াত নেতা আরও বলেন, শুরু থেকেই আমরা দেখেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের একজন ব্যক্তি—যিনি আমাদের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ছিলেন—তিনি প্রথম দিনেই খলিলুর রহমান সাহেবকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করান। অথচ এটি ছিল তার আগের অবস্থান ও শপথের পরিপন্থী একটি কাজ।

Manual2 Ad Code

এখানে বিষয়টি স্পষ্ট যে, খলিলুর রহমান লন্ডন ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি ছিলেন। সেখান থেকে তিনি সরকারকে প্রভাবিত করে একটি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সুবিধা দেওয়ার জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছেন। তার সেই কাজের পুরস্কার হিসেবেই তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ পেয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির ভূমিকা নিয়েও আমি বিস্মিত হয়েছি। কারণ প্রশ্ন হচ্ছে—বিএনপির কি এতটাই লোকসংকট যে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মন্ত্রী করতে হবে? অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ নিজেই তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং তাকে সরকার থেকে অপসারণের দাবি তুলেছিলেন।

Manual8 Ad Code

তাহলে যে ব্যক্তি তখন বিএনপির দৃষ্টিতে বিতর্কিত বা অগ্রহণযোগ্য ছিলেন, তিনি কীভাবে পরে বিএনপির আস্থাভাজন হয়ে মন্ত্রী হলেন? এতে মনে হয়, সালাউদ্দিন আহমেদের সেই বক্তব্যের পর খলিলুর রহমান গোপনে বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা সমঝোতায় গিয়েছিলেন।

সম্ভবত এমন একটি সমঝোতা হয়েছিল যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিনি বিএনপিকে নির্বাচনে সহায়তা করবেন এবং পরবর্তীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মন্ত্রী করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অবস্থান থেকে এই বিষয়গুলো অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়। সুতরাং, খলিলুর রহমান সাহেবকেও এই সরকারের উচিত যথাযথভাবে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা। কারণ জানতে হবে—কী ধরনের ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা জাতিকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করেছেন। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এই জাতির দীর্ঘদিনের দাবি এবং মানুষের মনের গভীর আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু এই সরকার সংস্কার প্রক্রিয়া থেকে সড়ে এসে নানাভাবে জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে। সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এটা সরকারের স্পষ্ট ব্যর্থতা।

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, সংবিধানের আলোকে সরকারের পক্ষ থেকে লিখিত প্রস্তাব পেলে ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে ভেবে দেখবে জামায়াত। তবে সেক্ষেত্রে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে।

Manual6 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code