শিরোনাম
তারেক রহমানের পিতা- মাতা দুজনই ছিলেন রাষ্ট্র প্রধান। তাঁর কাজ হোক দেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বজনীন বানারীপাড়ায় গাছ চাপায় গৃহবধূর মৃত্যু, হাসপাতালে লড়ছে অবুঝ শিশু: আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান ইতালিতে প্রবাসী দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বে ছোট ভাই নিহত পহেলা মে, শ্রমিক দিবস, এর মানে গরিবের দিবস, এখানে কোনদিন সফলতা আসেনি কোনো শ্রমিকের! ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ে আধুনিক গেইট নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর কবিতা- বন্যার কারণে পথের ভিখারি বেতন সাকুল্যে সামান্য, কিন্তু সম্পদ কোটির ওপরে: কে এই প্রভাবশালী পিয়ন? মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে গভর্নিং বডির নির্বাচন দাবিতে অভিভাবকদের স্মারকলিপি রাজনৈতিক বিশ্লেষক, প্রভাবশালী কলামিস্ট, রাষ্ট্রচিন্তক- অথই নূরুল আমিন লেখালেখি করেছেন ​বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নে কেমন চেয়ারম্যান চায় সাধারণ মানুষ?
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

তারেক রহমানের পিতা- মাতা দুজনই ছিলেন রাষ্ট্র প্রধান। তাঁর কাজ হোক দেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বজনীন

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

Manual6 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

বাংলাদেশের বতর্মান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনির পরিচয় সর্ববৃহৎ। যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমান তিনির পিতা। দেশের বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তারেক রহমানের জননী। সে সুবাদে দেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বজনীন কল‍্যাণকর কাজ করবেন দুঃসাহস নিয়ে , এটাই দেশের জনগণ আশা করেন তিনির কাছে। তোষামোদকারী বা জ্বী হুজুর জ্বী হুজুর উপদেষ্টা বুদ্ধিজীবী দিয়ে কাজের মান কখনও ভালো হতে পারে না।

দেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বজনীন কল‍্যাণকর কাজ করতে তিনি ব‍্যর্থ হলে জাতি পিছিয়ে যাবে অনেকাংশে। এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। দেশের বৃহৎ একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হয়ে জাতির স্বার্থেই বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া উচিত বলে আমি মনে করি। দেশের জনগণ যেসকল কাজে সবচেয়ে বেশি নিত্য ভূক্তভোগী। সেইসব সমস্যার সমাধান করা একজন রাষ্ট্র প্রধান বা তার দলের সকলে মিলে কাজ করাই হলো একটি সরকারের সকল ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া।

Manual4 Ad Code

কথা থাকে যে, আমাদের দেশে সঠিক কাজটা শুরু করলেই একদল লোক বদনাম করতে শুরু করবে। তার কারণ ওরা চায়না দেশটা ভালো হোক। দেশের মানুষ ভালো থাকুক। তাই জনগণের কল‍্যাণে কাজ করতে গেলে ঐ সকল হীনমনা জনগণের কথায় কান দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মনের ভিতরে আনতে হবে বা মনে করতে হবে সমগ্র দেশটা একটা জরাজীর্ণ দেশ! যেমন একটি পুরাতন বিল্ডিং নতুন করে করতে গেলে সমগ্র বিল্ডিং ভেঙ্গে নতুন করে ফাউন্ডেশন করতে হয়। দেশটা ঠিক করতে গেলে এরকম ভাবেই কিছু আইন ভেঙ্গে। কিছু মন্ত্রণালয় অধিদপ্তর বিলুপ্তি করে নতুনভাবে সাজিয়ে নিতে হবে। এই ধরনের কাজে সাময়িক অসুবিধা হয়তো অনেকজনের হবে। হোক তাতে কি? যদি দেশটা সুন্দর হয়। দেশের ভূক্তভোগী জনগণের যদি কর্মসংস্থানের ব‍্যবস্থা হয়। পূনর্বাসন হয়। যদি দেশের শিক্ষার মান ভালো হয়। যদি যানজট কমিয়ে আনা যায়। আইন আদালতে গিয়ে যদি জনগণ হয়রানি না হয়। ফসলি জমি যদি রক্ষা করা যায়।

আরো কথা থাকে যে, যার মেধা যেরকম তার দক্ষতা কিন্তু সেরকম। তাই প্রধানমন্ত্রীর অনেক উপদেষ্টা কৌশলী বা দেশের অসংখ্য বুদ্ধিজীবীর মাথা নত হয়ে যাবে আমার এই লেখার নীচের অংশের সর্ববৃৎ প্রকল্প গুলোর নাম দেখে। কারণ হলো দেশের অনেকেই এরকম বৃহৎ প্রকল্প নিয়ে কখনও ভাবেনি। বিগত চুয়ান্ন বছর ধরে লেজুড়বৃত্তি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে। দেশের যে বাজেট প্রনয়ন করা হয়। সেটাও ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির খাজনা উঠানোর পদ্ধতির একটি অংশ। যাক তারপরও উল্লেখ করছি। তারেক রহমান যদি এরকম প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করতে পারেন। তবেই তিনিও হবেন সত্যি সত্যি বিশ্ব বরেণ্য। বিএনপি রাজনৈতিকভাবে হবে শক্তিশালী এবং ইতিহাসের পাতায় আরো সম্মানিত হবেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

Manual7 Ad Code

এরপরও কথা থাকে যে, কোনো উৎসুক বুদ্ধিজীবীর কথায় যদি বতর্মান সরকার দশটি পদ্মা সেতু,দশটি মেট্রো রেল,পনেরোটি বিমানবন্দর ও করেন। তাতেও যথেষ্ট সুনামের কিছু নেই। কারণ অনেকেই বলবেন এসব পূর্বের সরকারকে অনুসরণ করেছে বিএনপি সরকার। তাই এমন কিছু কাজ করতে হবে। যা অতীতের সরকার গুলো চিন্তাই করতে পারেনি। সেরকম কাজ করতে পারলে দেশের জনগণ ভালো থাকবে। জনগণ ভালো থাকলে দেশ এগিয়ে যাবে। অর্থনৈতিক চাঙ্গা হবে। তখনই জনগণের ভালোবাসায় স্নিগ্ধ হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর দল।

Manual3 Ad Code

দেশের সর্ববৃহৎ কাজের ধারণা নিম্নরুপ :
১. প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত দেশের সকল প্রকার শিক্ষাব্যবস্থা সকল এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য অবৈতনিক করন। ইংলিশ মিডিয়াম, কিন্ডারগার্টেন মাদ্রাসা ও স‍্যাটেলাইট স্কুলসহ।
২ দুর্নীতির আতুরঘর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিলুপ্তি করন।
৩. যানজট শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা শতভাগ।
৪. ফসলি জমি নষ্ট না করে চার লেনের রাস্তা ছয় লেন করন আট লেন করন নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করন।
৫. দেশের দুই কোটি গৃহহীন ভূমিহীন পরিবারকে একযোগে পূনর্বাসন করন। যেখানে থাকবে তাদের খোলামেলা জায়গা ও কর্মসংস্থানের ব‍্যবস্থা।
৬. আইন আদালতে হয়রানিমূলক আচরণ বন্ধ করন।
৭. দেশের প্রতিটি বিভাগে দীর্ঘমেয়াদী একটি করে মাছের ও একটি করে পশু পাখিদের অভয়ারণ‍্য করন।
৮. দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে অরক্ষিত বাজারগুলো আধুনিক ডিজাইনে সুরক্ষিত করণ। ঘনঘন বাজার উচ্ছেদ করন।
৯. দেশের ফসলি বা বসতি জমি রক্ষা করতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ এখনই দরকার।
১০. দেশের প্রতিটা উপজেলা বা পৌরসভা সদরকে শতভাগ আবাসিক করন ।
১১. দেশের ছোট ছোট ব‍্যাংক গুলোকে একত্র করে তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষুদ্র ব‍্যবসায়ী ও প্রান্তিক কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র খামারিদেরকে সহজ শর্তে অল্প লাভে ঋণ প্রদান করতে ” বাংলাদেশ ঋণ প্রদান ব‍্যাংক লিমিটেড ” নামে ব‍্যাংক চালু করন।
১২. টিসিবি, কৃষিখাতে ভুতর্কি, শিক্ষাখাতে বৃত্তিসহ এই ধরনের লোক দেখানো প্রকল্প গুলো বন্ধ করন।
১৩. ধর্মীয় খাতে সরকারের দান অনুদান প্রতি বছর না দিয়ে একটি বৃহৎ ট্রাস্ট করে দিলেই ভালো হয়। ট্রাস্টের লভ্যাংশ বছর শেষে বন্টন করা হবে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
১৪. একনেক থেকে যে ধরনের প্রকল্প গুলো অনুমোদন করা হয়। তাতে বিদেশি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই ৬০% কাজ নিজস্ব অর্থায়নে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করন।
১৫. প্রবাসীদের জন‍্য আলাদা সম্মান জনক ব‍্যবস্থা গ্রহণ করন।
১৬. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কাঠামো পরিবর্তন করন।
১৭. সরকারি চাকরি নীতিমালা অমুক পরিবর্তন করন।
যেন কোনো সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী সরকারের বিরুদ্ধে দাবী আদায়ে আন্দোলন করে সরকার এবং তাদের সম্মান যেন ক্ষুণ্ন না হয়।
১৮. মাষ্টার রোল নিয়োগ শতভাগ বন্ধ করন।
১৯. স্নাতক ডিগ্রীধারী ছেলে মেয়েদের জন‍্য সরকারি চাকরি শতভাগ নিশ্চিত করন।
২০. সরকারিভাবে দেশের প্রতিটি জেলায় পঞ্চাশ হাজার যুবকের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মিল ফ‍্যাক্টরী গার্মেন্টসসহ গড়ে তোলা এবং বেসরকারি খাতে লিমিটেড কোম্পানি গড়ে তুলতে সরকারের সহযোগিতা করন।
২১. ইউনিয়ন পর্যায়ে বসতি ঘরবাড়ি করতে গিয়ে ফসলি জমি যেন নষ্ট কম না হয়। সেরকম পরিকল্পিত নকশা সরকারের পক্ষ থেকে প্রেরণ করন।
২২. সরকারি এবং বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বেতন বৈষম্য দূর করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করন।
পরিশেষে বলতে চাই, দেশের দুই কোটি পরিবার ভূমিহীন এবং ছয় কোটি জনবল বেকার। তাদের মানবেতর জীবনযাপনের কথা মাথায় রেখে যদি একনেক, অর্থ মন্ত্রণালয় তথা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় যদি যথেষ্ট কাজ করতে সক্ষম হয়। তবেই দেশ এগিয়ে যাবে। তারেক রহমান তথা বিএনপির বতর্মান শ্লোগান হলো ” সবার আগে বাংলাদেশ ” তিন বছর পর সরকারের যথেষ্ট ব‍্যর্থতার জন্য জনগণ যদি বলতে থাকে ” শেষ বাংলাদেশ শেষ ” তাহলে কিন্তু সরকারের ইজ্জত বলতে আর কিছু থাকবে না। গত মঙ্গলবারে একনেক সভায় যে অহেতুক ১৩ হাজার কোটি টাকার ১৪ টি অহেতুক প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হলো তাতে সন্দেহ জাগে বিএনপি কি আসলেই পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারবে? কোনো সরকার যদি তার ব‍্যর্থতার জন্য জনগণের রোষানলে পরে মধ‍্যবর্তী নির্বাচন দিতে বাধ‍্য হয়। তাহলে সরকার ও শেষ, দলও। বতর্মানে সরকারি সমগ্র ব‍্যয় বাবদ প্রতিটি বাজেটের আকার হচ্ছে প্রায় আট লাখ কোটি টাকার সমান। তার মধ‍্যে অর্ধেকের বেশিই বিদেশী ঋণ। কোনো সরকার যদি তার বা সরকারের উপদেষ্টাগণের পরামর্শ মতে এরকম আট লাখ কোটি টাকার কাজ যদি তাদের মেধা কাটিয়ে করতে পারে তখনই দেশের ভূক্তভোগী জনগণ উপকৃত হবেন। আর তখনই একটি সরকারের সুনাম আসবে দেশের সকল জনগণের কাছ থেকে।

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক
মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং
প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা গ্রন্থ লেখক।

Manual6 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code