শিরোনাম
আপনি কি জানেন কিভাবে আপনি ভালো হবেন! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী অকার্যকর ও হাস‍্যকর মজুরি বোর্ড , মালিকেরা লাভবান না হতে পারলে বেতন বাড়াবে কি করে? তিতাসে হত্যার মূল আসামিদের গ্রেফতারের দাবি, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের আহাজারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশন লালমনিরহাট জেলা আহ্বায়ক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বিএনপি অফিসের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের নামে ল্যাপটপ চুরি চার্জ পুলিশের চার্জশিট নেই অন্যের পরিচয়ে ডিজিটাল প্রতারণা: প্রযুক্তির আড়ালে অপরাধ, নীরব শিকার সমাজ অনলাইন হেনস্তা ও নারীর ন্যায়বিচারের সংকট মদনের মাটি ও মানুষের দুই জোড়া আলোকবর্তিকা: আমাদের প্রেরণা, আমাদের অহংকার সরকার রাষ্ট্র চালাতে অযোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে, কাজের কাজ হচ্ছে না, জামায়াত – এনসিপি মুখে মুখে
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

যেখানে আজও পৌঁছেনি মোবাইল নেটওয়ার্ক

Coder Boss / ৮০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Manual1 Ad Code

আনিসুর রহমান মাধবপুর ( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগানের ২০ নম্বর এলাকা ও চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ী জাতীয় উদ্যান ও সাতছড়ী চা বাগান এলাকায় এখনো পৌঁছেনি মোবাইল নেটওয়ার্ক। দেশের সংবিধানে সকল নাগরিকদের সমান অধিকারের কথা বলা হলেও বাস্তবে এ-সব এলাকার লোকজন প্রতিটি ক্ষেত্রেই বঞ্চিত হচ্ছে বিভিন্ন অজুহাতে।এব্যাপারে সাতছড়ী জাতীয় উদ্যান এলাকার বাসিন্দা আশীষ দেববর্মা বলেন পর্যটন এলাকা হিসেবে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা প্রয়োজন এই এলাকাটিকে। কারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় অনেক পর্যটক এখানে আসতে চায় না। ব্রাহ্মণবাড়িয় থেকে সাতছড়ী জাতীয় উদ্যানে বেড়াতে আসা ব্যাবসায়ী আলমগীর কবির বলেন, এখানে ঘুরতে এসে দেখি মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। তাই সারাদিন থাকার পরিকল্পনা নিয়ে আসলেও দ্রুত চলে যেতে হচ্ছে। কারণ ব্যাবসার প্রয়োজনে মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকার সুযোগ নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ,” মোবাইল নেটওয়ার্ক এর আওতায় আনার জন্য এখানে টাওয়ার বসানো হলে তা জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে টাওয়ারের আশপাশের এলাকার পাখির ডিম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে পাখির বংশবিস্তার ব্যাহত হবে।” এমন উদ্ভট দাবি করে বনবিভাগের কর্তৃপক্ষ এখানে মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার বসানোর অনুমতি দিচ্ছে না। সাতছড়ী গাড়টিলা এলাকার বাসিন্দা সিরিজ বলেন, সাতছড়ী জাতীয় উদ্যানের কাছে টাওয়ার বসালে যদি সমস্যা হয়, তাহলে পার্শ্ববর্তী সুরমা চা বাগানে যে কোন একটি মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার বসানো হলেও আমাদের সমস্যার সমাধান হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাতছড়ী চা বাগানের এক শ্রমিক জানান, আমাদের এলাকায় ভারতের বিভিন্ন কোম্পানির মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় কিন্তু বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার না থাকায় নেটওয়ার্ক নেই। ফলে অনেকেই লুকিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির সিম ব্যবহার করে। মোবাইল কোম্পানি গুলোর কারণে আমরা বুঝতে পারি না আমরা কি বাংলাদেশের নাগরিক নাকি ভারতীয়? স্থানীয় জনসাধারণের দাবি সুরমা চা বাগান, সাতছড়ী চা বাগান, সাতছড়ী জাতীয় উদ্যান ও মোবাইল কোম্পানির কর্তৃপক্ষ সমন্বয় করে একটি টাওয়ার বসানো হলে পর্যটন ও স্থানীয় জনসাধারণ উপকৃত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code