শিরোনাম
দেশটা সুন্দর করতে বতর্মান সরকারকে যথেষ্ট সময় দিতে হবে, অতীত সরকার গুলোর বেহাল দশা ছিলো কবিতার নাম : দেশপ্রেমিক উৎসর্গ : মোঃ তারেক রহমান, আমজনতার দল সিলেটে ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন-২০২৬ আপনি কি জানেন কিভাবে আপনি ভালো হবেন! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী অকার্যকর ও হাস‍্যকর মজুরি বোর্ড , মালিকেরা লাভবান না হতে পারলে বেতন বাড়াবে কি করে? তিতাসে হত্যার মূল আসামিদের গ্রেফতারের দাবি, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের আহাজারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশন লালমনিরহাট জেলা আহ্বায়ক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বিএনপি অফিসের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের নামে ল্যাপটপ চুরি চার্জ পুলিশের চার্জশিট নেই অন্যের পরিচয়ে ডিজিটাল প্রতারণা: প্রযুক্তির আড়ালে অপরাধ, নীরব শিকার সমাজ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ইয়াসমিন আক্তার (১৪) নামের মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

Coder Boss / ৩৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

Manual2 Ad Code

পলাশ পাল স্টাফ রিপোর্টারঃ
গতকাল শুক্রবার বিকেলে তিন বান্ধবী বাড়িতে থেকে ডেকে নেওয়ার পর আজ শনিবার সকালে ইয়াসমিনকে রাস্তায় আধমরা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

Manual6 Ad Code

এলাকাবাসী সূত্র জানায়, উপজেলার মেরাসানী গ্রামের নূর হোসেন স্ত্রী ও এক মেয়ে সন্তান রেখে আট বছর আগে মারা যান। মৃত্যুর পর থেকে তাঁর স্ত্রী আয়েশা বেগম শিশুমেয়ে ইয়াসমিন আক্তারকে নিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের সহযোগিতায় জীবনযাপন করতেন। এর মধ্যে মেয়ে ইয়াসমিন মাধবপুর উপজেলার মনতলা ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণিতে ওঠে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মনতলা রেলস্টেশন এলাকার ইয়াসমিনের তিন বান্ধবী এসে তাকে তাদের বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে যায়।

আজ শনিবার সকাল ৭টার দিকে ইয়াসমিনের মা খবর পান ইয়াসমিন রাস্তায় পড়ে আছে। তিনি সেখানে গিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের সহায়তায় মেয়েকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক ইয়াসমিনকে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিতে বলেন। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্মরত চিকিৎসক ইয়াসমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

Manual5 Ad Code

পরে ইয়াসমিনের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে মায়ের কাছে ইয়াসমিনের লাশ হস্তান্তর করে।

মেয়ের লাশ পাওয়ার পর থেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা আয়েশা বেগম। হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের সামনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘ও মা, তুমি আমারে কই থুইয়া গেলা? ও মাই, তুমি কই গেলা? আমি কই যাইতাম? আমি কী করতাম, কিতা না? ও মাই, আমি কিতা করতাম?

আয়েশা বেগম জানান, বান্ধবীদের বাড়িতে পরিকল্পিত ধর্ষণের শিকার হয়েছে ইয়াসমিন। ধর্ষণের পর বান্ধবীদের সহযোগীরা ইয়াসমিনকে রাস্তায় ফেলে রেখে দুর্ঘটনার নাটক তৈরি করে। অথচ ইয়াসমিনের চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নাকে রক্ত আছে।

Manual2 Ad Code

‘আমার মাইয়ারে তো জিতা (জীবন্ত) নিছে তিন মাইয়া। অহন আমার মাইয়া আধামরা পাইছি। অহন আমি তো মাইয়া চাই। আমার তো দুনিয়াত আর কেউ নাই। আমি মাইয়া চাই। আমি বিচার চাই। বিচার চাই। আমার কেউ নাই।

Manual1 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code