আজ ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ২:৩৬

বার : সোমবার

ঋতু : শরৎকাল

এ কেমন হত্যাকান্ড ভাবা যায় না।

ধন্যবাদ গাজীপুর র‌্যাব-১কে..!! আগেই বলেছিলাম ঘাতক পারভেজের একার পক্ষে সম্ভব না.?? গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঞ্চল্যকর এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নৃশংসভাবে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যার ‘মাস্টার মাইন্ড’ কাজিম উদ্দিন (৫৫) ও অপর ৫ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হত্যার আলামত সংগ্রহ করেছে র‌্যাব-১এর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা.! র‌্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন.!!

গ্রেফতাররা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার আবদার গ্রামের কাজিম উদ্দিন, বশির, সমির, হেলাল, হানিফ ও আলামিন। এদের মধ্যে বশির ও সমির কাজিম উদ্দিনের ভাতিজা। সবার বাড়ি শ্রীপুরে। সবাই নেশাগ্রস্ত ও জুয়াড়ি.!!

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রেজোয়ান হোসেন কাজল ও হত্যার মাস্টার মাইন্ড কাজিম উদ্দিনের বাড়ি শ্রীপুরের জেনাবাজার এলাকার আবদার গ্রামের আব্দুল আউয়াল কলেজের পাশে। কাজলের বিদেশে থাকার সুবাদে বিভিন্ন প্রয়োজনে তার স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কাজিম ও তার দুই ছেলে পারভেজ ও সজীবের। নিয়মিত তারা বাড়িতে যাতায়াতও করতেন। কাজিমের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। অনেকবার কাজলের দুই মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন পারভেজ.!!

ঘাতক পারভেজ আগেও ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন, বয়সের কারণে জামিনে ছিলেন গত ২২ এপ্রিল দিনের কোনও এক সময় কাজিম উদ্দিনের বাড়িতে বসে প্রবাসী কাজলের বাড়িতে চুরির পরিকল্পনা করে পুরো পরিবারটি। আগেও কাজলের বাড়িতে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজ চুরি করেছেন। পরে ধরা পড়ার পর বিচার-সালিশও করেছেন স্থানীয় মাতব্বররা.!!

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ এপ্রিল মধ্যরাতে দুতলা ভবনে বেয়ে উঠে ২-৩ জন বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উপরের তলায় প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকে পেছনের দরজা খুলে দেয়ার পর পর্যায়ক্রমে ৭-৮ জন ঘরে ঢুকে। আসবাব থেকে নগদ টাকা ও সোনা গয়না চুরির সময় কাজলের বড় মেয়ে নুরা (১৪) ও ছোট মেয়ে হাওরিন (১১) টের পেয়ে যায়। এরপর দুই মেয়েকে কয়েকজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। শব্দ পেয়ে তাদের মা ইন্দোনেশিয়া বংশোদ্ভূত বিথী ওরফে ফাতেমা আক্তার (৪০) তাদের রক্ষা করতে গেলে তাকেও আহত করে ধর্ষণের পর বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়.!!

শেষ পর্যন্ত ঘাতকদের টার্গেট থেকে রক্ষা পায়নি কাজলের ৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে ফাদিলও। তাকেসহ সবাইকে বটি দিয়ে গলাকেটে ও শরীরে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। আধাঘণ্টার মধ্যে মিশন শেষ করে পেছনের দরজা দিয়ে ঘাতকরা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যায়। কোনও অপরাধী ঘটনা ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাননি.!!

হত্যা, ধর্ষণ ও চুরিতে কাজিম উদ্দিনের মেয়ের জামাইসহ পুরো পরিবার জড়িত। লুট করে নেয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না ভাগভাটোয়ারার পর কাজিমের মেয়ে স্থানীয় একটি জুয়েলারি দোকানে সোনার আংটি গলিয়ে নতুন করে তৈরির জন্য অর্ডার দিয়েছিলেন.!!

সূত্রটি আরও জানায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে চুরি যাওয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না, রক্তমাখা গেঞ্জি, লুঙ্গি ও জিন্স প্যান্টসহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১ সদস্যরা। মূলত ওই ঘাতক পরিবারটির পেশা চুরি, নেশা মাদক সেবন ও জুয়া খেলা.!!

এদিকে, রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজারের আবদার গ্রাম থেকে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘাতক পারভেজ ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি নীলিমা নামে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছিলেন.!!

  • আশাকরি দোষীরা বরগুনার নয়নবনের মতো বুক ঝাঁঝরা করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হবে তাহলেই ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকবে.! তাহলে এই ধরনের হত্যাকান্ড অন্যায় করতে সাহস পাবে না.এভাবে চলতে থাকলে দেশের আইনের অবস্তা খুভই খারাপ হবে।মানুস আইনকে স্রদ্ধা করবে না জদি এদের ফাশি না হয়।
    সংগৃহীত.ধন্যবাদ গাজীপুর র‌্যাব-১কে..!! আগেই বলেছিলাম ঘাতক পারভেজের একার পক্ষে সম্ভব না.?? গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঞ্চল্যকর এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নৃশংসভাবে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যার ‘মাস্টার মাইন্ড’ কাজিম উদ্দিন (৫৫) ও অপর ৫ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হত্যার আলামত সংগ্রহ করেছে র‌্যাব-১এর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা.! র‌্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন.!! গ্রেফতাররা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার আবদার গ্রামের কাজিম উদ্দিন, বশির, সমির, হেলাল, হানিফ ও আলামিন। এদের মধ্যে বশির ও সমির কাজিম উদ্দিনের ভাতিজা। সবার বাড়ি শ্রীপুরে। সবাই নেশাগ্রস্ত ও জুয়াড়ি.!! সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রেজোয়ান হোসেন কাজল ও হত্যার মাস্টার মাইন্ড কাজিম উদ্দিনের বাড়ি শ্রীপুরের জেনাবাজার এলাকার আবদার গ্রামের আব্দুল আউয়াল কলেজের পাশে। কাজলের বিদেশে থাকার সুবাদে বিভিন্ন প্রয়োজনে তার স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কাজিম ও তার দুই ছেলে পারভেজ ও সজীবের। নিয়মিত তারা বাড়িতে যাতায়াতও করতেন। কাজিমের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। অনেকবার কাজলের দুই মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন পারভেজ.!! ঘাতক পারভেজ আগেও ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন, বয়সের কারণে জামিনে ছিলেন গত ২২ এপ্রিল দিনের কোনও এক সময় কাজিম উদ্দিনের বাড়িতে বসে প্রবাসী কাজলের বাড়িতে চুরির পরিকল্পনা করে পুরো পরিবারটি। আগেও কাজলের বাড়িতে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজ চুরি করেছেন। পরে ধরা পড়ার পর বিচার-সালিশও করেছেন স্থানীয় মাতব্বররা.!! পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ এপ্রিল মধ্যরাতে দুতলা ভবনে বেয়ে উঠে ২-৩ জন বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উপরের তলায় প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকে পেছনের দরজা খুলে দেয়ার পর পর্যায়ক্রমে ৭-৮ জন ঘরে ঢুকে। আসবাব থেকে নগদ টাকা ও সোনা গয়না চুরির সময় কাজলের বড় মেয়ে নুরা (১৪) ও ছোট মেয়ে হাওরিন (১১) টের পেয়ে যায়। এরপর দুই মেয়েকে কয়েকজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। শব্দ পেয়ে তাদের মা ইন্দোনেশিয়া বংশোদ্ভূত বিথী ওরফে ফাতেমা আক্তার (৪০) তাদের রক্ষা করতে গেলে তাকেও আহত করে ধর্ষণের পর বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়.!! শেষ পর্যন্ত ঘাতকদের টার্গেট থেকে রক্ষা পায়নি কাজলের ৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে ফাদিলও। তাকেসহ সবাইকে বটি দিয়ে গলাকেটে ও শরীরে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। আধাঘণ্টার মধ্যে মিশন শেষ করে পেছনের দরজা দিয়ে ঘাতকরা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যায়। কোনও অপরাধী ঘটনা ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাননি.!! হত্যা, ধর্ষণ ও চুরিতে কাজিম উদ্দিনের মেয়ের জামাইসহ পুরো পরিবার জড়িত। লুট করে নেয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না ভাগভাটোয়ারার পর কাজিমের মেয়ে স্থানীয় একটি জুয়েলারি দোকানে সোনার আংটি গলিয়ে নতুন করে তৈরির জন্য অর্ডার দিয়েছিলেন.!! সূত্রটি আরও জানায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে চুরি যাওয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না, রক্তমাখা গেঞ্জি, লুঙ্গি ও জিন্স প্যান্টসহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১ সদস্যরা। মূলত ওই ঘাতক পরিবারটির পেশা চুরি, নেশা মাদক সেবন ও জুয়া খেলা.!! এদিকে, রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজারের আবদার গ্রাম থেকে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘাতক পারভেজ ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি নীলিমা নামে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছিলেন.!! আশাকরি দোষীরা বরগুনার নয়নবনের মতো বুক ঝাঁঝরা করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হবে তাহলেই ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকবে.! তাহলে এই ধরনের হত্যাকান্ড অন্যায় করতে সাহস পাবে না.এভাবে চলতে থাকলে দেশের আইনের অবস্তা খুভই খারাপ হবে।মানুস আইনকে স্রদ্ধা করবে না জদি এদের ফাশি না হয়। সংগৃহীত.ধন্যবাদ গাজীপুর র‌্যাব-১কে..!! আগেই বলেছিলাম ঘাতক পারভেজের একার পক্ষে সম্ভব না.?? গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঞ্চল্যকর এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নৃশংসভাবে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যার ‘মাস্টার মাইন্ড’ কাজিম উদ্দিন (৫৫) ও অপর ৫ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হত্যার আলামত সংগ্রহ করেছে র‌্যাব-১এর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা.! র‌্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন.!! গ্রেফতাররা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার আবদার গ্রামের কাজিম উদ্দিন, বশির, সমির, হেলাল, হানিফ ও আলামিন। এদের মধ্যে বশির ও সমির কাজিম উদ্দিনের ভাতিজা। সবার বাড়ি শ্রীপুরে। সবাই নেশাগ্রস্ত ও জুয়াড়ি.!! সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রেজোয়ান হোসেন কাজল ও হত্যার মাস্টার মাইন্ড কাজিম উদ্দিনের বাড়ি শ্রীপুরের জেনাবাজার এলাকার আবদার গ্রামের আব্দুল আউয়াল কলেজের পাশে। কাজলের বিদেশে থাকার সুবাদে বিভিন্ন প্রয়োজনে তার স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কাজিম ও তার দুই ছেলে পারভেজ ও সজীবের। নিয়মিত তারা বাড়িতে যাতায়াতও করতেন। কাজিমের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। অনেকবার কাজলের দুই মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন পারভেজ.!! ঘাতক পারভেজ আগেও ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন, বয়সের কারণে জামিনে ছিলেন গত ২২ এপ্রিল দিনের কোনও এক সময় কাজিম উদ্দিনের বাড়িতে বসে প্রবাসী কাজলের বাড়িতে চুরির পরিকল্পনা করে পুরো পরিবারটি। আগেও কাজলের বাড়িতে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজ চুরি করেছেন। পরে ধরা পড়ার পর বিচার-সালিশও করেছেন স্থানীয় মাতব্বররা.!! পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ এপ্রিল মধ্যরাতে দুতলা ভবনে বেয়ে উঠে ২-৩ জন বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উপরের তলায় প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকে পেছনের দরজা খুলে দেয়ার পর পর্যায়ক্রমে ৭-৮ জন ঘরে ঢুকে। আসবাব থেকে নগদ টাকা ও সোনা গয়না চুরির সময় কাজলের বড় মেয়ে নুরা (১৪) ও ছোট মেয়ে হাওরিন (১১) টের পেয়ে যায়। এরপর দুই মেয়েকে কয়েকজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। শব্দ পেয়ে তাদের মা ইন্দোনেশিয়া বংশোদ্ভূত বিথী ওরফে ফাতেমা আক্তার (৪০) তাদের রক্ষা করতে গেলে তাকেও আহত করে ধর্ষণের পর বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়.!! শেষ পর্যন্ত ঘাতকদের টার্গেট থেকে রক্ষা পায়নি কাজলের ৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে ফাদিলও। তাকেসহ সবাইকে বটি দিয়ে গলাকেটে ও শরীরে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। আধাঘণ্টার মধ্যে মিশন শেষ করে পেছনের দরজা দিয়ে ঘাতকরা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যায়। কোনও অপরাধী ঘটনা ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাননি.!! হত্যা, ধর্ষণ ও চুরিতে কাজিম উদ্দিনের মেয়ের জামাইসহ পুরো পরিবার জড়িত। লুট করে নেয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না ভাগভাটোয়ারার পর কাজিমের মেয়ে স্থানীয় একটি জুয়েলারি দোকানে সোনার আংটি গলিয়ে নতুন করে তৈরির জন্য অর্ডার দিয়েছিলেন.!! সূত্রটি আরও জানায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে চুরি যাওয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না, রক্তমাখা গেঞ্জি, লুঙ্গি ও জিন্স প্যান্টসহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১ সদস্যরা। মূলত ওই ঘাতক পরিবারটির পেশা চুরি, নেশা মাদক সেবন ও জুয়া খেলা.!! এদিকে, রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজারের আবদার গ্রাম থেকে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘাতক পারভেজ ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি নীলিমা নামে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছিলেন.!! আশাকরি দোষীরা বরগুনার নয়নবনের মতো বুক ঝাঁঝরা করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হবে তাহলেই ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকবে.! তাহলে এই ধরনের হত্যাকান্ড অন্যায় করতে সাহস পাবে না.এভাবে চলতে থাকলে দেশের আইনের অবস্তা খুভই খারাপ হবে।মানুস আইনকে স্রদ্ধা করবে না জদি এদের ফাশি না হয়। সংগৃহীত.


    ধন্যবাদ গাজীপুর র‌্যাব-১কে..!! আগেই বলেছিলাম ঘাতক পারভেজের একার পক্ষে সম্ভব না.?? গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঞ্চল্যকর এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নৃশংসভাবে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যার ‘মাস্টার মাইন্ড’ কাজিম উদ্দিন (৫৫) ও অপর ৫ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হত্যার আলামত সংগ্রহ করেছে র‌্যাব-১এর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা.! র‌্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন.!! গ্রেফতাররা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার আবদার গ্রামের কাজিম উদ্দিন, বশির, সমির, হেলাল, হানিফ ও আলামিন। এদের মধ্যে বশির ও সমির কাজিম উদ্দিনের ভাতিজা। সবার বাড়ি শ্রীপুরে। সবাই নেশাগ্রস্ত ও জুয়াড়ি.!! সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রেজোয়ান হোসেন কাজল ও হত্যার মাস্টার মাইন্ড কাজিম উদ্দিনের বাড়ি শ্রীপুরের জেনাবাজার এলাকার আবদার গ্রামের আব্দুল আউয়াল কলেজের পাশে। কাজলের বিদেশে থাকার সুবাদে বিভিন্ন প্রয়োজনে তার স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কাজিম ও তার দুই ছেলে পারভেজ ও সজীবের। নিয়মিত তারা বাড়িতে যাতায়াতও করতেন। কাজিমের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। অনেকবার কাজলের দুই মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন পারভেজ.!! ঘাতক পারভেজ আগেও ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন, বয়সের কারণে জামিনে ছিলেন গত ২২ এপ্রিল দিনের কোনও এক সময় কাজিম উদ্দিনের বাড়িতে বসে প্রবাসী কাজলের বাড়িতে চুরির পরিকল্পনা করে পুরো পরিবারটি। আগেও কাজলের বাড়িতে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজ চুরি করেছেন। পরে ধরা পড়ার পর বিচার-সালিশও করেছেন স্থানীয় মাতব্বররা.!! পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ এপ্রিল মধ্যরাতে দুতলা ভবনে বেয়ে উঠে ২-৩ জন বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উপরের তলায় প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকে পেছনের দরজা খুলে দেয়ার পর পর্যায়ক্রমে ৭-৮ জন ঘরে ঢুকে। আসবাব থেকে নগদ টাকা ও সোনা গয়না চুরির সময় কাজলের বড় মেয়ে নুরা (১৪) ও ছোট মেয়ে হাওরিন (১১) টের পেয়ে যায়। এরপর দুই মেয়েকে কয়েকজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। শব্দ পেয়ে তাদের মা ইন্দোনেশিয়া বংশোদ্ভূত বিথী ওরফে ফাতেমা আক্তার (৪০) তাদের রক্ষা করতে গেলে তাকেও আহত করে ধর্ষণের পর বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়.!! শেষ পর্যন্ত ঘাতকদের টার্গেট থেকে রক্ষা পায়নি কাজলের ৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে ফাদিলও। তাকেসহ সবাইকে বটি দিয়ে গলাকেটে ও শরীরে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। আধাঘণ্টার মধ্যে মিশন শেষ করে পেছনের দরজা দিয়ে ঘাতকরা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যায়। কোনও অপরাধী ঘটনা ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাননি.!! হত্যা, ধর্ষণ ও চুরিতে কাজিম উদ্দিনের মেয়ের জামাইসহ পুরো পরিবার জড়িত। লুট করে নেয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না ভাগভাটোয়ারার পর কাজিমের মেয়ে স্থানীয় একটি জুয়েলারি দোকানে সোনার আংটি গলিয়ে নতুন করে তৈরির জন্য অর্ডার দিয়েছিলেন.!! সূত্রটি আরও জানায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে চুরি যাওয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না, রক্তমাখা গেঞ্জি, লুঙ্গি ও জিন্স প্যান্টসহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১ সদস্যরা। মূলত ওই ঘাতক পরিবারটির পেশা চুরি, নেশা মাদক সেবন ও জুয়া খেলা.!! এদিকে, রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজারের আবদার গ্রাম থেকে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘাতক পারভেজ ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি নীলিমা নামে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছিলেন.!! আশাকরি দোষীরা বরগুনার নয়নবনের মতো বুক ঝাঁঝরা করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হবে তাহলেই ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকবে.! তাহলে এই ধরনের হত্যাকান্ড অন্যায় করতে সাহস পাবে না.এভাবে চলতে থাকলে দেশের আইনের অবস্তা খুভই খারাপ হবে।মানুস আইনকে স্রদ্ধা করবে না জদি এদের ফাশি না হয়। সংগৃহীত.ধন্যবাদ গাজীপুর র‌্যাব-১কে..!! আগেই বলেছিলাম ঘাতক পারভেজের একার পক্ষে সম্ভব না.?? গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঞ্চল্যকর এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নৃশংসভাবে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যার ‘মাস্টার মাইন্ড’ কাজিম উদ্দিন (৫৫) ও অপর ৫ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হত্যার আলামত সংগ্রহ করেছে র‌্যাব-১এর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা.! র‌্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন.!! গ্রেফতাররা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার আবদার গ্রামের কাজিম উদ্দিন, বশির, সমির, হেলাল, হানিফ ও আলামিন। এদের মধ্যে বশির ও সমির কাজিম উদ্দিনের ভাতিজা। সবার বাড়ি শ্রীপুরে। সবাই নেশাগ্রস্ত ও জুয়াড়ি.!! সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রেজোয়ান হোসেন কাজল ও হত্যার মাস্টার মাইন্ড কাজিম উদ্দিনের বাড়ি শ্রীপুরের জেনাবাজার এলাকার আবদার গ্রামের আব্দুল আউয়াল কলেজের পাশে। কাজলের বিদেশে থাকার সুবাদে বিভিন্ন প্রয়োজনে তার স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কাজিম ও তার দুই ছেলে পারভেজ ও সজীবের। নিয়মিত তারা বাড়িতে যাতায়াতও করতেন। কাজিমের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। অনেকবার কাজলের দুই মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন পারভেজ.!! ঘাতক পারভেজ আগেও ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন, বয়সের কারণে জামিনে ছিলেন গত ২২ এপ্রিল দিনের কোনও এক সময় কাজিম উদ্দিনের বাড়িতে বসে প্রবাসী কাজলের বাড়িতে চুরির পরিকল্পনা করে পুরো পরিবারটি। আগেও কাজলের বাড়িতে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজ চুরি করেছেন। পরে ধরা পড়ার পর বিচার-সালিশও করেছেন স্থানীয় মাতব্বররা.!! পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ এপ্রিল মধ্যরাতে দুতলা ভবনে বেয়ে উঠে ২-৩ জন বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উপরের তলায় প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকে পেছনের দরজা খুলে দেয়ার পর পর্যায়ক্রমে ৭-৮ জন ঘরে ঢুকে। আসবাব থেকে নগদ টাকা ও সোনা গয়না চুরির সময় কাজলের বড় মেয়ে নুরা (১৪) ও ছোট মেয়ে হাওরিন (১১) টের পেয়ে যায়। এরপর দুই মেয়েকে কয়েকজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। শব্দ পেয়ে তাদের মা ইন্দোনেশিয়া বংশোদ্ভূত বিথী ওরফে ফাতেমা আক্তার (৪০) তাদের রক্ষা করতে গেলে তাকেও আহত করে ধর্ষণের পর বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়.!! শেষ পর্যন্ত ঘাতকদের টার্গেট থেকে রক্ষা পায়নি কাজলের ৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে ফাদিলও। তাকেসহ সবাইকে বটি দিয়ে গলাকেটে ও শরীরে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। আধাঘণ্টার মধ্যে মিশন শেষ করে পেছনের দরজা দিয়ে ঘাতকরা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যায়। কোনও অপরাধী ঘটনা ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাননি.!! হত্যা, ধর্ষণ ও চুরিতে কাজিম উদ্দিনের মেয়ের জামাইসহ পুরো পরিবার জড়িত। লুট করে নেয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না ভাগভাটোয়ারার পর কাজিমের মেয়ে স্থানীয় একটি জুয়েলারি দোকানে সোনার আংটি গলিয়ে নতুন করে তৈরির জন্য অর্ডার দিয়েছিলেন.!! সূত্রটি আরও জানায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে চুরি যাওয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না, রক্তমাখা গেঞ্জি, লুঙ্গি ও জিন্স প্যান্টসহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১ সদস্যরা। মূলত ওই ঘাতক পরিবারটির পেশা চুরি, নেশা মাদক সেবন ও জুয়া খেলা.!! এদিকে, রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজারের আবদার গ্রাম থেকে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘাতক পারভেজ ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি নীলিমা নামে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছিলেন.!! আশাকরি দোষীরা বরগুনার নয়নবনের মতো বুক ঝাঁঝরা করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হবে তাহলেই ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকবে.! তাহলে এই ধরনের হত্যাকান্ড অন্যায় করতে সাহস পাবে না.এভাবে চলতে থাকলে দেশের আইনের অবস্তা খুভই খারাপ হবে।মানুস আইনকে স্রদ্ধা করবে না জদি এদের ফাশি না হয়। সংগৃহীত.ধন্যবাদ গাজীপুর র‌্যাব-১কে..!! আগেই বলেছিলাম ঘাতক পারভেজের একার পক্ষে সম্ভব না.?? গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঞ্চল্যকর এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নৃশংসভাবে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যার ‘মাস্টার মাইন্ড’ কাজিম উদ্দিন (৫৫) ও অপর ৫ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হত্যার আলামত সংগ্রহ করেছে র‌্যাব-১এর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা.! র‌্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন.!! গ্রেফতাররা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার আবদার গ্রামের কাজিম উদ্দিন, বশির, সমির, হেলাল, হানিফ ও আলামিন। এদের মধ্যে বশির ও সমির কাজিম উদ্দিনের ভাতিজা। সবার বাড়ি শ্রীপুরে। সবাই নেশাগ্রস্ত ও জুয়াড়ি.!! সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রেজোয়ান হোসেন কাজল ও হত্যার মাস্টার মাইন্ড কাজিম উদ্দিনের বাড়ি শ্রীপুরের জেনাবাজার এলাকার আবদার গ্রামের আব্দুল আউয়াল কলেজের পাশে। কাজলের বিদেশে থাকার সুবাদে বিভিন্ন প্রয়োজনে তার স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কাজিম ও তার দুই ছেলে পারভেজ ও সজীবের। নিয়মিত তারা বাড়িতে যাতায়াতও করতেন। কাজিমের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। অনেকবার কাজলের দুই মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন পারভেজ.!! ঘাতক পারভেজ আগেও ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন, বয়সের কারণে জামিনে ছিলেন গত ২২ এপ্রিল দিনের কোনও এক সময় কাজিম উদ্দিনের বাড়িতে বসে প্রবাসী কাজলের বাড়িতে চুরির পরিকল্পনা করে পুরো পরিবারটি। আগেও কাজলের বাড়িতে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজ চুরি করেছেন। পরে ধরা পড়ার পর বিচার-সালিশও করেছেন স্থানীয় মাতব্বররা.!! পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ এপ্রিল মধ্যরাতে দুতলা ভবনে বেয়ে উঠে ২-৩ জন বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উপরের তলায় প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকে পেছনের দরজা খুলে দেয়ার পর পর্যায়ক্রমে ৭-৮ জন ঘরে ঢুকে। আসবাব থেকে নগদ টাকা ও সোনা গয়না চুরির সময় কাজলের বড় মেয়ে নুরা (১৪) ও ছোট মেয়ে হাওরিন (১১) টের পেয়ে যায়। এরপর দুই মেয়েকে কয়েকজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। শব্দ পেয়ে তাদের মা ইন্দোনেশিয়া বংশোদ্ভূত বিথী ওরফে ফাতেমা আক্তার (৪০) তাদের রক্ষা করতে গেলে তাকেও আহত করে ধর্ষণের পর বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়.!! শেষ পর্যন্ত ঘাতকদের টার্গেট থেকে রক্ষা পায়নি কাজলের ৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে ফাদিলও। তাকেসহ সবাইকে বটি দিয়ে গলাকেটে ও শরীরে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। আধাঘণ্টার মধ্যে মিশন শেষ করে পেছনের দরজা দিয়ে ঘাতকরা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যায়। কোনও অপরাধী ঘটনা ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাননি.!! হত্যা, ধর্ষণ ও চুরিতে কাজিম উদ্দিনের মেয়ের জামাইসহ পুরো পরিবার জড়িত। লুট করে নেয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না ভাগভাটোয়ারার পর কাজিমের মেয়ে স্থানীয় একটি জুয়েলারি দোকানে সোনার আংটি গলিয়ে নতুন করে তৈরির জন্য অর্ডার দিয়েছিলেন.!! সূত্রটি আরও জানায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে চুরি যাওয়া নগদ অর্থ, সোনা-গয়না, রক্তমাখা গেঞ্জি, লুঙ্গি ও জিন্স প্যান্টসহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১ সদস্যরা। মূলত ওই ঘাতক পরিবারটির পেশা চুরি, নেশা মাদক সেবন ও জুয়া খেলা.!! এদিকে, রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজারের আবদার গ্রাম থেকে কাজিম উদ্দিনের ছেলে পারভেজকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘাতক পারভেজ ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি নীলিমা নামে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছিলেন.!! আশাকরি দোষীরা বরগুনার নয়নবনের মতো বুক ঝাঁঝরা করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হবে তাহলেই ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকবে.! তাহলে এই ধরনের হত্যাকান্ড অন্যায় করতে সাহস পাবে না.এভাবে চলতে থাকলে দেশের আইনের অবস্তা খুভই খারাপ হবে।মানুস আইনকে স্রদ্ধা করবে না জদি এদের ফাশি না হয়। সংগৃহীত.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category