শিরোনাম
আসহাবে কাহাফের ঈমানদীপ্ত অলৌকিক ঘটনাটি মুসলিম উম্মাহর সামনে তুলে ধরেছেন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন, উৎসবমুখর আয়োজনে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা সরকার অগোছালো কাজ করেই যাচ্ছে, বিরোধী দল ঘুমে আচ্ছন্ন, সফলতা আসেনি জুলাই যোদ্ধাদের পুলিশের এডিশনাল আইজিপি ডি আইজি সহ একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে সালমান ওভার সিজের অভিনব প্রতারণার ফাদ সিলেট নিউজে সংবাদ প্রচারে প্রতারক ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে জয়নগর পাওয়ার গ্রিডের গেটে হাজিরা দিচ্ছেন সহকারী শিক্ষিকা নিলুফার ইয়াসমিন দুর্গাপূজার আনন্দ ছড়িয়ে দিতে জৈন্তাপুরে শাড়ি ও চাল বিতরণ মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী (হেলিম): এক কীর্তিমান ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত জীবনী জগন্নাথপুর আনন্দময়ী ও বাদ্য আর অঞ্জলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে উদযাপিত হচ্ছে মহানবমী নিয়োগ জালিয়াতি ও চাঁদাবাজিসহ তিনজন শিক্ষকের বেতন বন্ধের মামলায় রানীগঞ্জ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কবিতার নাম : দেশপ্রেমিক ইশরাক
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ছাতকের ঈদের বাজারে করোনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না ক্রেতা বিক্রেতা

Coder Boss / ৮৫০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

Manual8 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
করোনা সারাবিশ্বে মহামারি রূপ নিয়েছে। সরকার স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বার বার তাগিদ দিচ্ছে। কিন্তু ছাতক বাজার দেখলে মনে হবে তারা স্বাস্থ্যবিধির পক্ষে না। অবাধে চলাফেরা করছেন। মুখে মাস্ক নেই, হাতে নেই গ্লাভস। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে নেই শারিরীক দূরত্ব। একে অন্যের সাথে ঘেঁষাঘেষি করে কেনাকাটা করছেন। ১০ মে থেকে দোকান-পাট খোলার একটি সরকারী নির্দেশনা জারি হয়েছিল। তাও আবার সীমিত আকারে। কিন্তু এখানে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। ৮ মে থেকেই সকল দোকান-পাট খুলে গেছে। দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। কাজেই করোনা এখানে মহামারি রূপ নিতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকেই। বিশেষ করে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে কাপড়সহ বিভিন্ন দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতারা মনে করছেন মরলে মরে যাবো ঈদের কেনা-কাটা করেই ছাড়ব। হয়তো এই প্রত্যাশা নিয়েই মাঠে নেমেছেন সবাই। গ্রাম থেকে মেয়েরাও শহরে আসছেন ঈদের বাজার করতে। দিনে দিনে বেড়েই চলছে বাজারে লোক সমাগম। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পেপারমিল বাজার, নোয়ারাই, গবিন্দগঞ্জ, দোলারবাজার, জাউয়া বাজারসহ সব বাজারের চিত্র একই রকমের। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে মাইকিং করা হয়েছে দোকান-পাট নির্দিষ্ট সময়ে খোলা ও বন্ধ করা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দোকানে ক্রয়-বিক্রয় করা। সরকারি নির্দেশনায় রয়েছে কোনো দোকানে ৫ জনের বেশি ভিড় করতে পারবেনা, বাধ্যতামূলক মাস্ক থাকতে হবে, প্রবেশমুখে জীবানুনাশক স্প্রে ছিটানোর ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়। কিন্তু কে কার কথা শুনে। এখানের দোকানদারা তা মানছেন না। সামাজিক সচেতনতার জন্য প্রতিদিন উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যবিভাগ, পুলিশ প্রসাশন, সামাজিক সংগঠন ও ব্যাক্তি উদ্যোগে ব্যাপক প্রচারনা করা হয়। দেখা যাচ্ছে এসব প্রচারনা যেনো কারো কানে পৌছায়নি। ঘরে থাকা মানুষের জন্য সরকারি-বেসরকারি ত্রান ঘরে ঘরে পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরপরও মানুষ ঘরে থাকতে চাচ্ছেনা। ফলে ঝুঁকির মুখে এখন শহরবাসী। এ ব্যাপারে সচেতন মহলের দাবী বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারী আবশ্যক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code