শিরোনাম
সিলেটে নারী নির্যাতন মামলার পলাতক আসামির বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চাইল পুলিশ সিলেটে হুমকির মুখে মামলা বাদী, নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিখোঁজ: সন্তানের সন্ধানে আকুল আবেদন ঈদুল আজহায় গরীব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান বিলকিস খন্দকারের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা শ্রীমঙ্গলে দুই চেক মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনের সংবাদ সম্মেলন রামিশা সহ দেশজুড়ে ৭ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে ছাতকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মানববন্ধন তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য ও হাম প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ দাবি জনতার দলের ​বানারীপাড়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ক সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিশু রামিসা হত্যা: নৃশংস ঘটনায় দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভ
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মৃত্যুর আগে পানি চেয়ে এক ফোঁটা পানিও পেলেন না!!

Coder Boss / ৬০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০

Manual3 Ad Code

সিলেট নিউজ ঃ…………………….                  এমন মরন হবে মানুষের কখনও  কল্পনাই করা যায় না,তাহলে কি কেউ ই কারও নয়। হায়  কপাল। চট্টগ্রামের একটি পেট্টল পাম্পের কর্মী সাহাব উদ্দিন (৫৫)। শরীরে জ্বর-ব্যাথা নিয়ে বাড়ি গিয়েছিলেন গত বুধবার। শনিবার তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, জ্বরও বেড়ে যায়। অসুস্থ শরীর নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসা ছিল সাহাব উদ্দিনের ‘ক্ষমার অযোগ্য’ অপরাধ! এর শাস্তিস্বরূপ স্ত্রী-সন্তানেরা তাকে একটি ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে সিটকিনি লাগিয়ে দেয়।মানুষ আজ কিছুই ভয় পায় না,সুদু নিজের জান বাচাতে চায়।

Manual2 Ad Code

ভেতরে আটকে পড়া সাহাব উদ্দিনের শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে দরজা খোলার অনেক আকুতি জানান। প্রচণ্ড ক্ষুধায় খাবার চান। তৃষ্ণা মেটাতে পানি চান। কিন্তু তার ভুলটা এত বেশি যে, কোনো আবেদনই মঞ্জুর হয়নি।

রবিবার রাতের কোনো এক সময়ে ছটফট করতে করতে প্রাণ হারান সাহাব উদ্দিন। সারাজীবন যাদের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন, সেই মানুষগুলোকে জীবন সায়াহ্নে পাশে তো পেলেনই না, এক চামচ পানিও না!

অথচ তার করোনাভাইরাস কি-না সেটি তখনও নিশ্চিত না। সেদিন সকালেই তিনি নমুনা দিয়ে এসেছিলেন। স্ত্রী-সন্তানেরা এই নিষ্ঠুরতা না করলেও পারতেন।

Manual5 Ad Code

সাহাব উদ্দিনের বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের ভাদাদিয়া গ্রামে। স্ত্রী, তিন ছেলে, তিন মেয়ে ও তিন জামাতা তার। দুই ছেলে কাজের সূত্রে গ্রামের বাইরে থাকেন। মৃত্যুর সময় অন্যরা বাড়িতেই ছিলেন।

Manual5 Ad Code

ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান জানান, হাসপাতাল থেকে আসার পর পরিবারের কেউ সাহাব উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেননি। দুপুরে তাকে খাবারও দেননি। বিকেলে শ্বাসকষ্ট ও কাশি বেড়ে যায়। এ সময় তিনি চিৎকার করে খাবার চাইলেও কেউ দেননি। পানিও পাননি। তাকে শয়নকক্ষে তালা লাগিয়ে রাখেন পরিবারের সদস্যরা। ছোট ছেলে এগিয়ে যেতে চাইলে তাকে বোনেরা বাধা দেন। এভাবে চিৎকার করতে করতে রাত ১০টার দিকে সাহাব উদ্দিনের মৃত্যু হয়। রাতে সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের লোকজন জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখেন তিনি মারা গেছেন। এরপর সবাই যার যার ঘরের দরজা বন্ধ করে ভেতরে ঢুকে যান। পরে ছোট ছেলে ‘বাবা মারা গেছে’ বলে চিৎকার শুরু করেন।

সরেজমিনে দেখা পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে ইউপি সদস্য ফেরদৌস রাসেল বলেন, ‘বাড়ির একটি কক্ষে সাহাব উদ্দিনকে রেখে বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগানো ছিল। ছিটকিনি খুলে আমরা ভেতরে বিভৎস দৃশ্য দেখতে পাই। সম্ভবত সাহাব উদ্দিনের শ্বাসকষ্ট উঠেছিল এবং তিনি তা সহ্য করতে না পেরে মাটিতে গড়াগড়ি করেছিলেন। তার পরনের কাপড় খোলা অবস্থায় পাশে পড়েছিল।’ পরে তারা দাফনের ব্যবস্থা করেন। পরিবারের কেউ আসেনি।

এমন না যে পরিবারের একজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলেই একে একে সবাইকে মৃত্যুবরণ করতে হচ্ছে। এমন না যে ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর শরীরে স্পর্শ লাগামাত্রই আপনি আক্রান্ত হয়ে যাবেন! সাহাবউদ্দিনকে ঘরে আটকে রেখেছেন ভালো কথা, বাইরে থেকে তাকে খাবার তো দেওয়া যেত।

স্বামী-স্ত্রীর সহমরণের কত নজির রয়েছে। বাবার জন্য সন্তান, সন্তানের জন্যে বাবা নিজেকে বলিদানের কত নজির। কিন্তু এ কোন বাংলাদেশ দেখছি, যেখানে এতটা নিষ্ঠুর পরিবার স্ত্রী-সন্তানেরও দেখা মিলছে?

Manual6 Ad Code

আহ!
কেবলই দীর্ঘশ্বাস!
কী নিষ্ঠুর পরিবার!
নিষ্ঠুর স্ত্রী-সন্তান!

(collect news.)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code