শিরোনাম
বানারীপাড়ায় নতুন দাপ্তরিক কক্ষে সংসদ সদস্য সান্টু: নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা ও নদীভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ১১ নং ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আদর হোসেন সামাজিক নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণ ও পুষ্টি সমন্বয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিচার, সংস্কার ও দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তাড়াইলে এনসিপির ‘জুলাই জাগরণ’ পদযাত্রা কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলামী দাওয়াত এর গুরুত্ব! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী রেমিটেন্স যোদ্ধা ও ব্যবসায়ীর ওপর আল ফালাক রিয়েল এস্টেটের প্রতারণা ও হুমকির পাহাড়সম অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন ও আইনি লড়াই অব্যাহত গ্রামীণফোনের সাবেক শ্রমিকদের ১৬ বছরের আইনগত পাওনা পরিশোধের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ সাধুহাটি ফজলুল হাসান ইসলামিক একাডেমিতে মেধা প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত বিশ্বম্ভরপুরে ভার্ড-একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সুনামগঞ্জ মহিলা কলেজের ছাত্রী নিবাসের ০৯ কোটি টাকা ফেরৎ যাচ্ছে।

Coder Boss / ৩৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ ক্রমান্বয়ে কুড়ি থেকে বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। ১৯৮৭-১৯৮৮ শিক্ষা বর্ষে একাদশ শ্রেণীর মানবিক বিভাগে মাত্র ১১ জন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ। বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগ সহ স্নাতক পর্যায়ে বি.এ ও বি.এস.এস (পাস) কোর্স চালু রয়েছে, কলেজটিতে বর্তমান ছাত্রী সংখ্যা ৩,৮০০ ।
সুনামগঞ্জ জেলার একমাত্র মহিলা শিক্ষার উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ। কিছু সংখ্যক শিক্ষানুরাগী মহিলা ও পুরুষ মিলে বিদ্যাপীঠটির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ৬ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে কলেজটি জাতীয়করণ হয়। কলেজটি সুনামগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র বাঁধনপাড়ায় অবস্থিত। কলেজটির পূর্বের নাম ছিল সুনামগঞ্জ মহিলা মহাবিদ্যালয়।
সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ সুনামগঞ্জ সদর সুনামগঞ্জ বাংলাদেশের একটি সরকারি কলেজ । এই কলেজটি সরকারি মহিলা কলেজ নামে পরিচিত।আধুনিক সুযোগ সুবিধা সহ শ্রেণীকক্ষ, গবেষণাগার, গ্রন্থাগার এবং সাধারণ কক্ষ রয়েছে। কলেজ রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্ত,ফলে কলেজটি উপজেলার অন্যতম কলেজের স্বীকৃতি পেয়েছে।
দুটি ছাত্রীনিবাস নির্মাণের জন্য প্রায় নয়(০৯) কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের জন্য। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি একটি ছাত্রীনিবাসের জমি দিতে পারছে না। জমি না দেওয়ায় এক ছাত্রীনিবাসের টাকা ফেরৎ যাবে।অথচ একই শহরের সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রাবাসের জন্য ধরণা দিয়েও পাচ্ছে না ছাত্রাবাস। এই অবস্থায় সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসের বরাদ্দ সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস করার জন্য দেবার দাবি উঠেছে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের জন্য পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় দুই বছর আগে দুটি ছাত্রীনিবাস এবং ১০ তলা একাডেমিক ভবনের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষ মূল ক্যাম্পাসে ১০ তলা ভবন এবং বর্ধিত ক্যাম্পাসে (পুরাতন কারাগারে) একটি ছাত্রীনিবাস করার জমি দিয়েছে। এই অবস্থায় একটি ছাত্রীনিবাসের প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা ফেরৎ যাওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।

সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর পরাগ কান্তি দে মুঠোফোনে ডেইলি সিলেট নিউজ24’কে বলেন, ‘ সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। কলেজে শ্রেণিকক্ষের সংকট বহুদিনের। এজন্য পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় কলেজে ১০ তলা একাডেমিক ভবন হবে। এর জন্য কলেজের মূল ক্যাম্পাসে জমি দেওয়া হয়েছে। কলেজে দুটি ছাত্রীনিবাস চালু আছে। বর্তমান সময়ে ছাত্রীদের আবাসন চাহিদা এই দুটি ছাত্রীনিবাসের দ্বারা মেটানো সম্ভব হচ্ছেনা। এগুলোর সংস্কার জরুরি। কলেজের জন্য নতুন করে দুটি ছাত্রীনিবাসের অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। আমাদের বর্ধিত ক্যাম্পাসে ( জেল রোডের পুরাতন কারাগার) একটি ছাত্রীনিবাসের ভবন করার উপযোগী জমি রয়েছে। আমরা সেখানে ছাত্রীনিবাস করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছি ‘।

Manual5 Ad Code

এদিকে, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নীলিমা চন্দ সম্প্রতি সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের কাছে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেছেন,’ ভাটি বাংলার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক পাস এবং ১০ টি বিষয়ে স্নাতক সম্মান কোর্স এবং ৪ টি বিষয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু আছে। এই কলেজে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ হাজারেরও বেশি।তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন,পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে দুটি ছাত্রীনিবাস বরাদ্দ হয়েছে। স্থানাভাবে প্রতিষ্ঠানটি দুটি ছাত্রীনিবাস গ্রহণ করতে পারছে না। এই অবস্থায় ছাত্রীনিবাসটির অর্থ সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্রদের জন্য ছাত্রাবাস করতে বরাদ্দ হলে প্রতিষ্ঠানটির বহুদিনের সমস্যা মিটবে, উপকৃত হবে শিক্ষার্থীরা। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস নেই, ছাত্রাবাস নির্মাণের পর্যাপ্ত বরাদ্দও আছে।

Manual5 Ad Code

সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নীলিমা চন্দ বলেন, ১১ হাজার শিক্ষার্থীর বিদ্যাপীঠে দুটি ছাত্রীনিবাস আছে,কিন্তু কোন ছাত্রাবাস নেই। আবাসিক সমস্যায় ভুগছে ছাত্ররা। এই অবস্থায় সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসের অর্থ সরকারি কলেজের ছাত্রাবাসের জন্য বরাদ্দ হলে জেলার সবচেয়ে পুরোনো ও বৃহৎ বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতো।

Manual5 Ad Code

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল হাকিম বলেন, পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে দুটি ছাত্রীনিবাস এবং একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একাডেমিক ভবন প্রথমে ৬ তলা হবার কথা ছিল। পরে প্রাক্কলন পরিবর্তন করে ১০ তলা ভবনে উন্নীত করা হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদও দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষ একাডেমিক ভবন ও একটি ছাত্রীনিবাসের জমি দিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদকালে জমি দিতে না পারলে,একটি ছাত্রীনিবাসের টাকা ফেরৎ যাবে।

Manual7 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code