শিরোনাম
দেশটা সুন্দর করতে বতর্মান সরকারকে যথেষ্ট সময় দিতে হবে, অতীত সরকার গুলোর বেহাল দশা ছিলো কবিতার নাম : দেশপ্রেমিক উৎসর্গ : মোঃ তারেক রহমান, আমজনতার দল সিলেটে ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন-২০২৬ আপনি কি জানেন কিভাবে আপনি ভালো হবেন! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী অকার্যকর ও হাস‍্যকর মজুরি বোর্ড , মালিকেরা লাভবান না হতে পারলে বেতন বাড়াবে কি করে? তিতাসে হত্যার মূল আসামিদের গ্রেফতারের দাবি, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের আহাজারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশন লালমনিরহাট জেলা আহ্বায়ক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বিএনপি অফিসের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের নামে ল্যাপটপ চুরি চার্জ পুলিশের চার্জশিট নেই অন্যের পরিচয়ে ডিজিটাল প্রতারণা: প্রযুক্তির আড়ালে অপরাধ, নীরব শিকার সমাজ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে ভারতীয় গো-মাংস, ফেরি করে চলছে বিক্রি

Coder Boss / ৩৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১

Manual6 Ad Code

 

শেখ অাবুমুছা সাতক্ষীরাঃ

Manual1 Ad Code

চোরাইপথে সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে ভারতীয় গো-মাংস। ভারতীয় সেই গো-মাংস সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে ফেরি করে চলছে বিক্রি। চোরাচালানীরা ভারতে জবাই করা গবাদিপশুর মাংস চোরাইপথে বাংলাদেশে নিয়ে আসার পর তা হাটে বাজারে ও গ্রাম এলাকায় কম দামে বেচাকেনা করছে। বাংলাদেশের বাজারমূল্য অপেক্ষা এই গরুর মাংসের দাম অনেক কম হওয়ায় ক্রেতারাও তা কিনছেন হরহামেশায়।

Manual8 Ad Code

সাতক্ষীরা সীমান্তের কা্ঁকডাঙ্গা, কেঁড়াগাছি, তলুইগাছা, বৈকারি, কুশখালিসহ কলারোয়ার কয়েকটি এলাকার চোরাকারবারিরা সাইকেল, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে করে বস্তাভর্তি এই মাংস ফেরি করছে। এই মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকায়। কোন কোন সময় এর কমেও বেচাকেনা হচ্ছে। প্রতিদিন ভোরে গ্রামে গ্রামে তারা পৌছে দিচ্ছে এই মাংস। আগ্রহী ক্রেতারাও কমদামে তা কিনে নিচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, বাংলাদেশের বাজারে জবাইকৃত গরুর মাংস সচরাচর ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হয় প্রতিকেজি। অথচ চোরাপথে আসা মাংসের দাম তার অর্ধেকের কিছু বেশী। এমন অবস্থায় দরিদ্র ক্রেতারা এর প্রতি ঝুকে পড়ছেন। বিশেষ করে যারা অসচেতন তারাই এই মাংস ক্রয় করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কসাইদের কাছেও চোরাচালানের এই মাংস কম দামে সরবরাহ করা হয়। ফলে মাংস ব্যবসায়ী কসাইরা দেশীয় মাংসের সাথে মিশিয়ে দিয়ে বাড়তি মুনাফা লুটে নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র কড়া নজরদারির কারনে ভারতীয় গবাদিপশু বাংলাদেশে আসতে পারছে না। ফলে চোরাকারবারিরা ভারতীয় এলাকায় গরু জবাই করে তা মাংস হিসাবে এই সীমান্তে পাঠিয়ে দিচ্ছে। দাম কম হওয়ায় ক্রেতারাও এর দিকে ঝুকে পড়ছেন। বিজিবি সদস্যরা প্রায়ই এসব মাংস আটক করে থাকেন। তা সত্ত্বেও গরুর মাংসের চোরাচালান থামছে না।

Manual7 Ad Code

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিজিবির ৩৩ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আল মাহমুদ জানান, চোরাপথে ভারতীয় গরুর মাংস বাংলাদেশের এলেই আমাদের সদস্যরা আটক করে থাকে। প্রায়ই আমাদের অভিযানে এই মাংস জব্দ করা হয়। পরে তা মাটিচাপা দিয়ে নষ্ট করে ফেলা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code