শিরোনাম
মানুষ মানুষের জন্য, সকলে বন্যার্ত অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো উচিত…এটিএম হামিদ প্রাকৃতিক দূর্যোগে দিশেহারা সিলেট, থৈথৈ করে বাড়ছে পানি কানাইঘাটে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের দ্বায়িত্বশীলরা পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট নিয়ে উপজেলার বন্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে বানিয়াচংয়ে বাংলা টিভি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সরকার বন্যার্তদের পাশে আছে ত্রাণের অভাব হবেনা— এমপি মানিক সিলেটে বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ঘাটাইল উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের অধীনে বরাদ্দকৃত ঘরে ফাটল ছাতকে বন্যার অবনতি,নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত উপজেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গোবিন্দগঞ্জে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ১৭ এর সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ী‌তে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গােল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের শুভ উ‌দ্বোধন
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সুপ্রিয়া দেবী’র চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী।

Satyajit Das / ১০৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২

সত্যজিৎ দাস(স্টাফ রিপোর্টার):

সুপ্রিয়া দেবী,সুপ্রিয়া চৌধুরী নামেও পরিচিত।তিনি একজন বাঙালী অভিনেত্রী,যিনি বাংলা চলচ্চিত্রে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করেন। তাঁর আসল নাম কৃষ্ণা এবং ডাকনাম বেনু। তিনি ২০১১ সালে বঙ্গভূষণ পুরস্কার অর্জন করেন,যা পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ বেসামরিক উপাধি। ২০১৪ সালে বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অবদানের জন্য ভারত সরকার সুপ্রিয়া দেবীকে,ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার “পদ্মশ্রী” তে ভূষিত করেন।
কৃষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায় বেনু (সুপ্রিয়া দেবী) মায়ানমারের মিয়িত্‌কিনায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা বিখ্যাত আইনজীবী গোপাল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়,বার্মায় বসবাসরত অনেক ভারতীয় ভারতে চলে আসেন। সুপ্রিয়া দেবীর পরিবার শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ কলকাতায় বসবাস শুরু করেন। সুপ্রিয়া দেবী অভিনয়ে অভিষেক ঘটে মাত্র সাত বছর বয়সে,তাঁর বাবা’র পরিচালিত দুইটি নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে। তিনি ছোটবেলা থেকে নৃত্যের প্রতি অনেক আগ্রহী ছিলেন,এমনকি তিনি থাকিন নু থেকে একটি পুরস্কারও অর্জন করেন। শৈশব থেকে তাঁর অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিলেন নিহার দত্ত,যে গুহ ঠাকুরতা পরিবারের একজনকে বিয়ে করেন এবং মিসেস নিহার গুহ ঠাকুরতা নাম ধারণ করেন,যিনি বার্মার তৎকালীন সময়ের একজন প্রসিদ্ধ সমাজসেবী ছিলেন।

১৯৪৮ সালে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার তাদের ভালোর জন্য কলকাতায় পুনরায় বসবাস শুরু করেন। তারা ১৯৪২ সালে উদ্বাস্তু শিবিরে বসবাস করেন,যখন জাপান জোরপূর্বক বার্মা দখল করে। তরুণ সুপ্রিয়া এবং তাঁর পরিবারকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে পায়ে হেঁটে কলকাতায় নির্বিঘ্ন পরিবেশে ফিরে আসতে বাধ্য করে।

কলকাতায় তিনি তাঁর নৃত্য প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখেন এবং গুরু মুরুথাপ্পান এবং পরবর্তীতে গুরু প্রহ্লাদ দাসের কাছে নাচের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। সুপ্রিয়া দেবী এবং তাঁর পরিবারের সাথে চন্দ্রবতী দেবীর বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক বিদ্যমান ছিল,চন্দ্রবতী দেবী একজন বিখ্যাত অভিনেত্রী এবং তাদের প্রতিবেশী ছিলেন।

১৯৫৪ সালে সুপ্রিয়া দেবী বিশ্বনাথ চৌধুরীকে বিয়ে করেন এবং পরবর্তীতে তাদের একমাত্র কন্যা সোমা জন্মগ্রহণ করে। তিনি ১৯৫০ সালের শেষের দিকে একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্রে দিয়ে ফেরার আগে কিছুদিনের জন্য ছায়াছবি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। উত্তম কুমারের সাথে কিছু হিট সিনেমায় কাজ করার পর,তাদের মধ্যে একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়। এরপর থেকে তারা অনেক বছর একসাথে বসবাস করেন । ২০১৮ সালের ২৬ জানুয়ারি রোজ শুক্রবার এই মহান অভিনেত্রী কলকাতায় ৮৫ বছর বয়সে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন