শিরোনাম
“আমি আর পারছি না”-সেই রাতের ভয়াবহ স্মৃতি রাহুলের জগন্নাথপুরে ইউপি সদস্য তেরা মিয়াকে জড়িয়ে অপপ্রচার, এলাকাবাসীর মানববন্ধন  সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৯ কবিতা : টিলা খেকোদের দৌরাত্ম্যে জৈন্তাপুরে পরিবেশ বিপর্যয়, আতঙ্কে প্রবাসী পরিবার ‎​ছাতকে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ৪ মনু সেচ প্রকল্পের জলাবদ্ধতা নিয়ে কৃষকদের প্রতিবাদ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে নিহত পরিবারের পাশে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ​বানারীপাড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ পালিত পোড়া স্বপ্নের ভেতরেও শান্তির গান গাইলেন রাহুল আনন্দ
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

“আমি আর পারছি না”-সেই রাতের ভয়াবহ স্মৃতি রাহুলের

Satyajit Das / ২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

Manual3 Ad Code

সত্যজিৎ দাস:

দেশ-বিদেশে পরিচিত শিল্পী রাহুল আনন্দ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ৭ আগস্ট একটি আবেগঘন পোস্টে ২০২৪ সালের ৭ আগস্টের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। স্ত্রী ও পুত্রকে নিয়ে দ্বিতীয়বার আগুনের ভয়াবহতা থেকে বেঁচে ফেরার সেই ঘটনা স্মরণ করে তিনি জানিয়েছেন,সেই সময়ের আতঙ্ক,অসহায়ত্ব ও মানবিকতার গল্প।

রাহুল আনন্দ লিখেছেন,২০২৪ সালের ৭ আগস্ট তিনি দ্বিতীয়বার আগুনের ভেতর থেকে স্ত্রী-পুত্রসহ বের হয়ে আসেন। এর আগে ৫ আগস্ট রাতে এক বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন তারা। কিন্তু দুই দিন পর সেই আশ্রয়ও নিরাপদ থাকেনি। ভবনের নিচের কলাপসিবল গেটে তালা দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গ্যারেজে থাকা দুটি গাড়ি ও দ্বিতীয় তলায়ও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি জানান,তারা ছিলেন ভবনের তৃতীয় তলায়। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল যে বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন। তীব্র গরমে মেঝেতে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়া কালো ধোঁয়াকে তিনি সবচেয়ে ভয়ংকর “দৈত্য” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

Manual5 Ad Code

পোস্টে রাহুল আনন্দ বলেন,ধোঁয়ার কারণে তার শিশুপুত্রের অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছিল। সেই ভয়াবহ মুহূর্তে বন্ধুর কন্যার সাহস ও সহযোগিতায় তারা অলৌকিকভাবে রক্ষা পান। ওই কন্যাকে তিনি এখন নিজের সন্তানের মতো মনে করেন এবং তার কাছে সারাজীবনের ঋণ স্বীকার করেন।

ভয়াবহ সেই সময়ের একটি মুহূর্ত স্মরণ করে তিনি লেখেন,কালো ধোঁয়ার মধ্যে তার স্ত্রী উর্মিলা অসহায় কণ্ঠে বলেছিলেন,”রাহুল,আমি আর পারছি না।”

Manual7 Ad Code

পরে কয়েকজন বন্ধুর সহায়তায় তারা অন্য একটি আশ্রয়ে চলে যান। রাহুল আনন্দ জানান,এরপর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি নবম আশ্রয়ে আছেন। নিজের ঘর এখনো তৈরি করতে পারেননি, তবে মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বাউলের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

Manual4 Ad Code

তিনি আরও জানিয়েছেন,এই প্রথম তিনি এসব ঘটনা লেখা শুরু করেছেন। ভবিষ্যতে সব সত্য ঘটনা তুলে ধরবেন বলেও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, সত্য না জানালে পূর্বপুরুষ ও আগামী প্রজন্মের কাছে তিনি দায়ী থাকবেন।

রাহুল আনন্দের এই পোস্টে উঠে এসেছে এক শিল্পীর ব্যক্তিগত বেদনা,ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এবং কঠিন সময়ে মানুষের মানবিকতার এক হৃদয়স্পর্শী গল্প।

সিলেট নিউজ২৪/এসডি.

Manual1 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code