শিরোনাম
দেশটা সুন্দর করতে বতর্মান সরকারকে যথেষ্ট সময় দিতে হবে, অতীত সরকার গুলোর বেহাল দশা ছিলো কবিতার নাম : দেশপ্রেমিক উৎসর্গ : মোঃ তারেক রহমান, আমজনতার দল সিলেটে ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন-২০২৬ আপনি কি জানেন কিভাবে আপনি ভালো হবেন! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী অকার্যকর ও হাস‍্যকর মজুরি বোর্ড , মালিকেরা লাভবান না হতে পারলে বেতন বাড়াবে কি করে? তিতাসে হত্যার মূল আসামিদের গ্রেফতারের দাবি, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের আহাজারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশন লালমনিরহাট জেলা আহ্বায়ক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যে আমল ও দোয়ায় ধনী হওয়া যায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বিএনপি অফিসের অভিযোগে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের নামে ল্যাপটপ চুরি চার্জ পুলিশের চার্জশিট নেই অন্যের পরিচয়ে ডিজিটাল প্রতারণা: প্রযুক্তির আড়ালে অপরাধ, নীরব শিকার সমাজ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ঘাটাইল উপজেলায় নলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি, হয়নি প্রশাসনের নজরদারি

মোঃ মশিউর রহমান / ২৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২২

Manual1 Ad Code

ঘাটাইল,সিনিয়র রিপোর্টারঃ

Manual3 Ad Code

ভারত, পাকিস্তান ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশও একটি উনয়নশীল দেশ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান বাংলাদেশকে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিঃসন্দেহে সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

Manual6 Ad Code

এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার বছরের শুরুর দিকে সারা দেশের সমস্ত সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস বাবদ খরচের জন্য নূনতম কিছু টাকা করে হলেও তা সব শিক্ষার্থীদের মায়ের মোবাইলে সমান হারে দিয়ে থাকেন।

এছাড়া পরিস্থিতি খারাপ গেলে অন্য যেকোনো সময়ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে থাকেন বাংলাদেশ সরকার। বর্তমানে এই চলতি বছরে বাংলাদেশ সরকার সব শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে ১,০০০ টাকা করে দিয়েছেন।

এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে টাংগাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলাধীন সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ০৩ নং ওয়ার্ডে নলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান স্যার দুর্নীতির ছায়াপথ দিয়ে ঘুরে আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখের সহিত বলতে হয়, তিনি সেই ছায়াপথ দিয়ে সাংবাদিকের চোখের আঁড়ালে তাঁর সঠিক গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি।

প্রাচীন ভারতে দুর্নীতির এক চিত্র তুলে ধরেছেন উপেন্দ্র ঠাকুর। তিনি বলেছেন, আমরা পছন্দ করি আর না করি দুর্নীতি ছিলো, আছে এবং থাকবে। এটি মানব সমাজের মতোই প্রাচীন এক সামাজিক সমস্যা। তবে সময়ের ব্যবধানে দুর্নীতির ধরন প্রকৃতিতে যেমন পরিবর্তন এসেছে, তেমনি দুর্নীতি এখন ব্যাপকভাবে সমাজ দেহে ছড়িয়ে পড়েছে।

Manual8 Ad Code

বস্তুতঃ বাংলাদেশে দুর্নীতি এক অন্যতম প্রধান সামাজিক অনাচার/ব্যাধি হিসেবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আমাদের সমাজে দুর্নীতি এতই ব্যাপকতা লাভ করেছে যে, অনিয়মই যেন নিয়ম আর দুর্নীতি যেন নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর্থ-সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান সহ সমাজের প্রতিটা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, দুর্নীতিই যেনো অনেকের জীবন প্রণালীর অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এবার বিস্তারিতঃ সরকারের দেওয়া ১,০০০ টাকা থেকে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নগদ মাত্র ৫০০ টাকা করে নিছে নলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান স্যার
(০১৭১২৪৪০৯৬১)। ৫০০ টাকায় নাকি শার্ট-পেন্ট বানিয়ে দিবে। হ্যা, দিয়েছে তবে সেটা নিম্ন মানের কাপড়।

কয়েকজন অভিভাবক/দরদী মায়ের মুখ থেকে অসহায়ত্বের কথা এই পত্রিকার সাংবাদিকের কানে আসে। তারা সাংবাদিককে জানায়, আমরা গরিব থাকতে পারি কিন্তু সন্তানকে এতো নিম্নমানের কাপড় পড়িয়ে কখনো স্কুলে পাঠাইনি। যে কাপড় দেখলেই বমি আসে, সেই কাপড় সন্তানকে পড়িয়ে স্কুলে পাঠাতে মনে সাঁই দিচ্ছেনা। আমরা প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে এমনটি আশা করিনাই।

Manual1 Ad Code

একই ইউনিয়নের আমুয়াবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শিল্পী ম্যাডাম এই পত্রিকার সাংবাদিককে জানান, তাঁর জানামতে বেশ কিছু স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে স্কুল ড্রেসের খরচ বাবদ মাত্র ৫০০ টাকা করে নিছে। তবে ৪০০ টাকায় ড্রেস বানিয়ে দিছে, বাকি ১০০ টাকা করে প্রধান শিক্ষক তাঁর কাছে রেখে দিছে।

এ ব্যাপারে এই পত্রিকার সাংবাদিকের কোনো এক প্রশ্নের জবাবে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুবি খান বলেন, সরকার বছরের শুরুর দিকে সারা দেশের সমস্ত সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস বাবদ খরচের জন্য নূনতম কিছু টাকা করে হলেও তা সব শিক্ষার্থীদের মায়ের মোবাইলে দিয়ে থাকেন।

যখন পরিস্থিতি খারাপ যায় তখন যেকোনো সময়ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে থাকেন। বর্তমানে চলতি বছরে এই সরকার সব শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে ১,০০০ টাকা করে দিয়েছেন। মূলতঃ ১,০০০ টাকায় শার্ট, পেন্ট ও জুতা কেনা যায় না।

তিনি আরোও বলেন, তবে আমি যতদূর জানতে পারছি শিক্ষকরা প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নিয়ে স্কুল ড্রেস বানিয়ে দিছে। কিন্তু সেই ড্রেস কতোটা মানসম্মত তা আমার জানা ছিলোনা। আমি হাত দিয়ে কাপড়ে স্পর্শ করে দেখিনি। তাছাড়া সব বাবা-মা চায় তার সন্তানকে মান-সম্মত কাপড় দিয়ে ড্রেস বানিয়ে স্কুলে পাঠাবে।

গভীর মনোক্ষণ্য হয়ে তিনি এই পত্রিকার সাংবাদিককে বলেন, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা করবে তা আমি কখনো ভাবিনী। আর এই ব্যাপারে অতি শিঘ্রই শিক্ষকদের নিয়ে গোল মিটিং করবো এবং এ বিষয়ে তাদের কাছ থেকে জানবো।

এখন প্রশাসনের নিকট এই পত্রিকার সাংবাদিকের প্রশ্ন হইলো, যদি প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নেয়া ৫০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দিয়ে স্কুল ড্রেস বানিয়ে থাকে তাহলে প্রতি শিক্ষার্থীর বাকি ১০০ টাকা কোথায় গেলো? কার ইঙ্গিতে এ কাজ হচ্ছে, কে সেই কুলাঙ্গার ব্যক্তি, এই ব্যাপারে বিশেষভাবে তদারকি চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code