শিরোনাম
পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্রাসী শাহেদ ও শামীম জীবন সংকেত নাট্যগোষ্ঠীর নতুন দ্বিবার্ষিক কমিটি অনুমোদন পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সমাজকর্মী ও যুব সংগঠক এটিএম নাসির শ্রীমঙ্গলে ঈদুল আজহায় শান্তি-সম্প্রীতির আহ্বান ওসি মুন্নার বড়লেখায় ৫ লাখ টাকা চুরি,গ্রেপ্তার দুই নারী বিশ্বম্ভরপুরে ত্রৈমাসিক “বিশ্বম্ভরপুরের কথা” পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন বাজিতপুরে মৃত ভাইয়ের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ: একমাত্র মেয়ে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত, ফেসবুকে অপপ্রচারেরও অভিযোগ ডেন্টাল কেয়ারের ঈদ শুভেচ্ছা:অটুট থাকুক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হাসি শ্রীমঙ্গলবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন যোশেফ দাশগুপ্ত কুমিল্লায় নারী কর্মচারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ, তদন্তের দাবি
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

কবরের-আযাব-সম্পর্কিত একটি ঘঠনা

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ২২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ জুন, ২০২৩

Manual4 Ad Code

সিলেট নিউজ ডেস্ক :

আল্লাহর রাসুল (সাঃ) একদিন অনেক গুলো কবর দেখলেন। খুশী হলেন,শেষমেশ একটা কবরের সামনে গেলেন। উনার চেহারা মুবারকে ঘাম দেখা দিল। তিনি অস্থির হয়ে পড়লেন। দুঃচিন্তায় চেহারা কালো হয়ে উঠল, আল্লাহর রাসুল (সাঃ) পেরেশান হয়ে গেলেন।

Manual1 Ad Code

একজন সাহাবী (রাঃ) রাসুল (সাঃ) এর অবস্থা দেখে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এত পেরেশান কেন ?

‘হায়, হায়’ ! তিনি অস্থির হয়ে বললেন, ‘এই কবরের বাসিন্দার উপর ভয়ানক আযাব হচ্ছে । এমনই শাস্তি যা ভাষায় বলা যায় না । আহা ! এই ব্যক্তির কি উপায় ?’

বলে তিনি কবরে হাত মুবারক রেখে দোয়া করলেন । কিন্তু চেহারায় প্রশান্তি এলো না ।

তিনি বললেন, ‘দোয়া কবুল হচ্ছে না । কোন রহস্যময় কারণে । সাংঘাতিক বড় পাপ করেছে সে।

হুজুর (সাঃ) এর উপর অস্থিরতা বেড়েই চললো তিনি বললেন, আমার উম্মতের উপর এমন কঠিন শাস্তি হচ্ছে আর আমি বাড়ী গিয়ে ঘুমাবো ?

তিনি একজন সাথীকে ডেকে বললেন, যাও মদীনার বাজারে । সেখানে আওয়াজ দিয়ে ডাকো যাদের আত্মীয়ের কবর এখানে রয়েছে তারা আসার জন্য।

তারা এলো।

তাদেরকে নিজ নিজ আত্নীয়ের কবরে দাড়াতে বললেন।

সবাই দাড়ালো।

কিন্তু আশ্চর্য্য ! ওই কবরের পাশে কেউ দাড়ালো না।

বেদনায় নীল হয়ে গেলেন হুজুর (সাঃ) অনেক পরে এলো এক বুড়ি! ধীর পায়ে,লাঠিতে ভর দিয়ে সেই বুড়ি দাড়ালেন সেই কবরের পাশে ।

হুজুরে পাক (সাঃ) স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন । তারপর বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কার কবর ?’

আমার ছেলের বৃদ্ধা বললেন ।

আপনার ছেলের কবরে ভয়ানক শাস্তি হচ্ছে ।

ইয়া রাসূলূল্লাহ (সাঃ) এটা কি সত্যি ?

রাসুল (সাঃ) বললেন সত্যিই ।

শুনে বুড়ি বলে আমি খুব খূশী হলাম ।

Manual4 Ad Code

আল্লাহ মাফ করুন, আপনি এ কি বলছেন মা ? সে আপনার সন্তান !

শুনুন তাহলে, হে আল্লহর রাসূল (সাঃ) এই বাচ্চা যখন আমার পেটে তখন তার বাবা মারা যায়। সে পৃথিবীর মুখ দেখল,তার কেউ ছিলো না। আমি নিদারুণ কষ্ট করে তাকে বড় করে তুললাম তিল তিল করে, সে বিয়ে করল,স্ত্রীকে পেয়ে সে ভূলে গেল আমাকে! একদিন তার ভালোবাসার বউ কানে কানে কি যেন বলল। ছেলে রাগে অধীর হয়ে মারতে শুরু করল আমাকে! ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেলাম আমি,জ্ঞান হারালাম?

হুশ ফিরলে আমি প্রার্থনা করলাম , আল্লাহর দরবারে। দু’হাত তুলে,বললাম, হে আল্লাহ !
তাকে কবরে শাস্তি দাও, অনন্ত কাল ধরে! দুনিয়াতে দিওনা, চোখের সামনে ছেলের কষ্ট সহ্য করতে পারব না?

হে আল্লাহর রাসূল !
আমি এখন এজন্য খূশী যে আমার দোয়া কবূল হয়েছে ।

হুজুর (সাঃ) অত্যাচারিতা সরল প্রাণ এই বৃদ্ধার কথা শুনে চোখের পানি চেপে রাখতে পারলেন না, উনার মুক্তার মতো অশ্রু , গাল বেয়ে ফোটায় ফোটায় পড়তে লাগল!

খানিকপর নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, হে বৃদ্ধা মা ! তুমি তোমার ছেলেকে ক্ষমা করো, সে ভয়াবহ শাস্তি পাচ্ছে?

বৃদ্ধা মহিলা বললেন, হে রাসূলূল্লাহ (সাঃ) অন্য কিছু বলুন, ছেলেকে ক্ষমা করব না আমি?

নিরুপায় হয়ে হুজুর (সাঃ) আকাশের দিকে মূখ তূললেন, কাতর স্বরে বললেন, হে আল্লাহ ! এই বৃদ্ধাকে কবরের শাস্তি দেখাও!

চোখের পলকে ঘটনা ঘটল?

বৃদ্ধার চোখ বিস্ফোরিত হলো?
সে প্রাণ ফাটা চিৎকার করে বেহুশ হয়ে গেল!

খানিক পর, জ্ঞান ফিরল বৃদ্ধার থর থর করে কাপছেন তিনি,তীর খাওয়া কবুতরের মত?

তিনি বললেন, ওগো খোদা ! কবরের আযাব কি এমন ভীষণ ! এমন ভয়ানক ! ছেলের পুরো শরীর থেকে চামড়া উঠিয়ে নেয়া হয়েছে । তাকে মুগুর পেটা করা হচ্ছে । হে আল্লাহর রাসূল ! আমি তাকে ক্ষমা করলাম । আপনি দোয়া করুন ।
সে যেন মুক্তি পায় ।

হুজুর (সাঃ) হাত উঠালেন, দোয়া শেষ!

উনার চেহারা উজ্জ্বল ।

Manual8 Ad Code

প্রকৃতিতে, আকাশে বাতাসে নেমে এল সুমহান সমাহিত পরিবেশ ।

গভীর প্রশান্তি – দয়াল নবীর চেহারা মুবারকে । চারদিকে শান্তির ছায়া।

Manual3 Ad Code

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলের মাতা পিতার খেদমত করার তাওফিক দান করুন ও মাতা পিতাকে কষ্ট না দেওয়ার তাওফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমিন।

লেখক:- বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ছাহেব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code