জৈন্তাপুর থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা:: উত্তর সিলেটের সীমান্ত জনপদের জৈন্তাপুর উপজেলার ২ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম এলাকার মানুষের কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত। মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এই জনপ্রতিনিধি অল্প সময়েই আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

সামাজিক বিচার কার্য চিত্র
সামাজিক জীবনে তিনি একজন সদা হাস্যোজ্জ্বল ও সহানুভূতিশীল ব্যক্তি। অসহায় মানুষের পাশে ছায়ার মতো থাকেন, সুখে-দুঃখে সবার সঙ্গে মিশে যান। নিজের সময় ও সম্পদ ব্যয় করে মানুষের জন্য কাজ করাই যেন তার জীবনের মূল লক্ষ্য।

সারি নদী হইতে অবৈধভাবে বালু উত্তলন – ঘটনা স্থল পরিদর্শন
২০২০ সনের করোনা মহামারির ও ২০২২-ও ২৪ এর বন্যায় সময় তিনি অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে গৃহবন্দী মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। ঘরহীনদের ঘর তৈরিতে সহায়তা করেছেন। মসজিদ, মন্দির ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। রাস্তাঘাট ও বাঁধ নির্মাণসহ নানা জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি ভূমিকা রাখছেন। শুধু নিজের ইউনিয়ন নয় উপজেলার যেকোনো এলাকায় কোন সমস্যা দেখা দিলে সবার আগে ছোটে যান তিনি।

রাস্তা পাকাকরণ কাজ পরিষদ করেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম
এলাকাবাসী বলেন, জৈন্তাপুর উপজেলায় মোট ৬ টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে বর্তমান সময়ে একজন চেয়ারম্যান এতটা সরল,এতটা উদার, এতটা মানবিক হয় কোথাও এমন নজির নেই, এলাকাবাসী আরোও বলেন ফখরুল ইসলাম তার আয়ের অধিকাংশ জনকল্যান মূলক কাজে ব্যয় করে এক উন্নত দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছেন। তার নিরলস প্রচেষ্টা ও মানবিক কর্মকাণ্ড জৈন্তাপুরবাসীর কাছে অনুপ্রেরণার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

সাবেক উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি এর সাথে
চেয়ারম্যান বলেন মানুষের জীবনে একটি ভালো কাজই তার জীবনে পরম স্মৃতিতে পরিণত হয়, একটি ভালো কাজ মানুষদের চরম উৎসাহ যোগায়। তিনি বলেন বর্তমান সময়ে ভালো কাজের জন্য মানুষকে এগিয়ে আসা দরকার।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পাশে এভাবেই আছে একজন মানবিক চেয়ারম্যান
তিনি আরোও বলেন এই সমাজ নির্মাণ করার ক্ষেত্রে শান্তি, সাম্য, মানবতার উন্নত দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। বর্তমান সভ্য সমাজের বৈচিত্র্যের দিকে তাকালে বোঝা যায় মানবজাতির সৌন্দর্যগুলো কোন দিকে চলমান। পুঁজিবাদী বিশ্বায়নে ক্রমশই মানুষ আত্মকেন্দ্রিক মানবতা বিমুখ হওয়ার পথে দ্রুত চলছে, আমরা ইচ্ছে করলেই আর অতি সরলতম সহজ পথে থাকতে পারবো না। কেননা আমাদেরকে রুক্ষ করে তুলতে খোঁচানো কাঁঠি এখন অনেকের হাতে প্রস্তুত, তার পরেও মানুষদের টিকে থাকতে হবে চলতে হবে যেহেতু প্রকৃতি চলমান।

সারি নদীর পাড়ে পরিদর্শন শেষে
আমার স্বপ্ন হলো নিজ ইউনিয়নবাসী শান্তিতে থাকলে আমি শান্তি পাই, তারা ভালো থাকলে আমি ভালো থাকি।সকলের সুখে দুঃখে আমি মানুষের পাশে দাড়াতে চাই।